ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উঠছে সোমবার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর খসড়া সোমবার (১২ অক্টোবর) মন্ত্রিসভায় তোলা হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পর আইন সংশোধন করে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

করোনাকালে ভার্চ্যুয়ালি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। সোমবারও ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার আইনমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনার পর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে শাহবাগ, মতিঝিলসহ রাজধানীর কয়েকটি স্থানে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলন করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানেও একই দাবিতে আন্দোলন হচ্ছে। এর মধ্যে সরকার ধর্ষণের শাস্তি বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ধর্ষণ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সরকার তৎপর এবং ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডই হবে।

মূলত আইনের ৯(১) ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এ ধারায় ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার প্রস্তাব করা হবে।

আইনের আরও কয়েকটি ধারায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিসভায় আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পেলে তা জাতীয় সংসদে পাসের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কার্যকর হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বটিয়াঘাটায় গুলির ঘটনার পর বিতর্কের মুখে ওসি প্রত্যাহার

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উঠছে সোমবার

আপডেট সময় ০৭:১৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর খসড়া সোমবার (১২ অক্টোবর) মন্ত্রিসভায় তোলা হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পর আইন সংশোধন করে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

করোনাকালে ভার্চ্যুয়ালি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। সোমবারও ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার আইনমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনার পর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে শাহবাগ, মতিঝিলসহ রাজধানীর কয়েকটি স্থানে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলন করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানেও একই দাবিতে আন্দোলন হচ্ছে। এর মধ্যে সরকার ধর্ষণের শাস্তি বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ধর্ষণ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সরকার তৎপর এবং ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডই হবে।

মূলত আইনের ৯(১) ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এ ধারায় ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার প্রস্তাব করা হবে।

আইনের আরও কয়েকটি ধারায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিসভায় আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পেলে তা জাতীয় সংসদে পাসের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কার্যকর হবে।