ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান

রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে রাশিয়ার একটি বিশেষায়িত কার্গো বিমান ঢাকায় পৌঁছেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। রাশিয়ার এভিয়াকন জিট্রান্স পরিচালিত এজেডএস-৬৭১৩ ফ্লাইটটি রাশিয়া থেকে ভারতের দিল্লি হয়ে ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানটিতে মোট ১২টি টিপিএস বা বিশেষ পাত্রে এই ৪১ টন জ্বালানি বহন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এটি রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কয়েক ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই এই নতুন চালানটি দেশে এসেছে। এর আগেও কয়েক দফায় এ ধরনের জ্বালানির চালান নিরাপদে রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছানো হয়েছিল।

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। বর্তমানে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এই জ্বালানি ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। পারমাণবিক জ্বালানির মতো সংবেদনশীল উপকরণ পরিবহনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নিয়মবিধি মেনে চলা হচ্ছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। জ্বালানি সরবরাহের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় কেন্দ্রটির পরবর্তী পর্যায়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সহজতর হবে। তবে দ্বিতীয় ইউনিটের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং পরবর্তী ধাপের জ্বালানি আনার সময়সূচি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। জ্বালানির এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ রূপপুর প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আপলোডকারীর তথ্য

নিকলীতে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আপডেট সময় ০৬:২৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে রাশিয়ার একটি বিশেষায়িত কার্গো বিমান ঢাকায় পৌঁছেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। রাশিয়ার এভিয়াকন জিট্রান্স পরিচালিত এজেডএস-৬৭১৩ ফ্লাইটটি রাশিয়া থেকে ভারতের দিল্লি হয়ে ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানটিতে মোট ১২টি টিপিএস বা বিশেষ পাত্রে এই ৪১ টন জ্বালানি বহন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এটি রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কয়েক ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই এই নতুন চালানটি দেশে এসেছে। এর আগেও কয়েক দফায় এ ধরনের জ্বালানির চালান নিরাপদে রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছানো হয়েছিল।

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। বর্তমানে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এই জ্বালানি ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। পারমাণবিক জ্বালানির মতো সংবেদনশীল উপকরণ পরিবহনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নিয়মবিধি মেনে চলা হচ্ছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। জ্বালানি সরবরাহের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় কেন্দ্রটির পরবর্তী পর্যায়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সহজতর হবে। তবে দ্বিতীয় ইউনিটের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং পরবর্তী ধাপের জ্বালানি আনার সময়সূচি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। জ্বালানির এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ রূপপুর প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।