ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন একজন রাজনৈতিক ব্রোকারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২৭ কোটি ওন (প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার) মূল্যের জনমত জরিপ সেবা গ্রহণ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউন মোট ১৪ বার এই ফ্রি জরিপ সুবিধা নেন এবং এর বিনিময়ে পরবর্তীতে ওই ব্রোকারকে সুবিধা দিতে একজন সাবেক সংসদ সদস্যের মনোনয়নে নিজের প্রভাব খাটান।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ৬৫ বছর বয়সি ইউন। তার দাবি, তিনি কখনোই এই ধরনের কোনো জরিপের অনুরোধ করেননি এবং এর বিনিময়ে কাউকে কোনো সুবিধাদানের প্রতিশ্রুতিও দেননি। সোমবারের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কোন-হি-এর সাথে জড়িত একটি মামলায় আদালত জানিয়েছিল, এই জরিপ সেবার পেছনে কোনো স্বার্থের লেনদেন বা ‘কুইড প্রো কু’ ছিল না। তবে সোমবার ইউনের ক্ষেত্রে আদালতের এই সিদ্ধান্ত পূর্ববর্তী রায় থেকে ভিন্ন হলো।

উল্লেখ্য, সাবেক এই কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট বর্তমানে মোট আটটি আইনি মামলার মুখোমুখি আছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদী সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মাস্টারমাইন্ড বা মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার বিরুদ্ধে তিনি বর্তমানে আপিল করছেন।

এছাড়া, তাকে গ্রেফতার করতে আসা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট তার আরও একটি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন একজন রাজনৈতিক ব্রোকারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২৭ কোটি ওন (প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার) মূল্যের জনমত জরিপ সেবা গ্রহণ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউন মোট ১৪ বার এই ফ্রি জরিপ সুবিধা নেন এবং এর বিনিময়ে পরবর্তীতে ওই ব্রোকারকে সুবিধা দিতে একজন সাবেক সংসদ সদস্যের মনোনয়নে নিজের প্রভাব খাটান।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ৬৫ বছর বয়সি ইউন। তার দাবি, তিনি কখনোই এই ধরনের কোনো জরিপের অনুরোধ করেননি এবং এর বিনিময়ে কাউকে কোনো সুবিধাদানের প্রতিশ্রুতিও দেননি। সোমবারের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কোন-হি-এর সাথে জড়িত একটি মামলায় আদালত জানিয়েছিল, এই জরিপ সেবার পেছনে কোনো স্বার্থের লেনদেন বা ‘কুইড প্রো কু’ ছিল না। তবে সোমবার ইউনের ক্ষেত্রে আদালতের এই সিদ্ধান্ত পূর্ববর্তী রায় থেকে ভিন্ন হলো।

উল্লেখ্য, সাবেক এই কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট বর্তমানে মোট আটটি আইনি মামলার মুখোমুখি আছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদী সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মাস্টারমাইন্ড বা মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার বিরুদ্ধে তিনি বর্তমানে আপিল করছেন।

এছাড়া, তাকে গ্রেফতার করতে আসা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট তার আরও একটি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে।