ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

শক্তিশালী ডানপন্থি সরকার গঠনের ডাক দিলেন নেতানিয়াহু

ইসরাইলে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে চূড়ান্ত গণনা। এখন পর্যন্ত ৪১ ভাগ ভোট গোনা হয়েছে, যার ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে রয়েছে। নির্বাচনী এই ফলাফলের প্রেক্ষাপটে লিকুদ পার্টির সদর দপ্তরে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে ভাষণ দেন তিনি। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তার দল লিকুদ ইসরাইলের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং দেশটির ইহুদি ভোটাররা ডানপন্থি জোটের পক্ষেই চূড়ান্ত রায় দিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে একটি শক্তিশালী ও জাতীয়তাবাদী ডানপন্থি সরকার গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।

আরব দলগুলোর তীব্র সমালোচনা করে নেতানিয়াহু বলেন, যারা ইসরাইলের অস্তিত্বের বিরোধিতা করে এবং দেশটির সেনাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করে, তাদের সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে সরকার গঠন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো উদ্যোগ নিলে তা রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। ইসরাইলের ভবিষ্যৎ একমাত্র ইহুদি ও জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠদের ঐক্যের মাধ্যমেই সুরক্ষিত থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিজের ভাষণে সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্যের বিষয়গুলোও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ইসরাইল অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক চিত্র বদলে দিয়েছে। দেইফ, হানিয়া, সিনওয়ার, নাসরুল্লাহ এবং খামেনিকে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার গভীরে ইসরাইল শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এটি দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত তারা ইসরাইলকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তায় ইরানের হুমকি চিরতরে নির্মূল করার এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। এছাড়া ইসরাইলি সেনাবাহিনী ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নতুন ও শক্তিশালী ডানপন্থি জোটের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেন।

আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীতে শুরু হলো দুই দিনের ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথমা বইমেলা

শক্তিশালী ডানপন্থি সরকার গঠনের ডাক দিলেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ১২:১০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসরাইলে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে চূড়ান্ত গণনা। এখন পর্যন্ত ৪১ ভাগ ভোট গোনা হয়েছে, যার ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে রয়েছে। নির্বাচনী এই ফলাফলের প্রেক্ষাপটে লিকুদ পার্টির সদর দপ্তরে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে ভাষণ দেন তিনি। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তার দল লিকুদ ইসরাইলের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং দেশটির ইহুদি ভোটাররা ডানপন্থি জোটের পক্ষেই চূড়ান্ত রায় দিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে একটি শক্তিশালী ও জাতীয়তাবাদী ডানপন্থি সরকার গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।

আরব দলগুলোর তীব্র সমালোচনা করে নেতানিয়াহু বলেন, যারা ইসরাইলের অস্তিত্বের বিরোধিতা করে এবং দেশটির সেনাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করে, তাদের সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে সরকার গঠন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো উদ্যোগ নিলে তা রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। ইসরাইলের ভবিষ্যৎ একমাত্র ইহুদি ও জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠদের ঐক্যের মাধ্যমেই সুরক্ষিত থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিজের ভাষণে সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্যের বিষয়গুলোও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ইসরাইল অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক চিত্র বদলে দিয়েছে। দেইফ, হানিয়া, সিনওয়ার, নাসরুল্লাহ এবং খামেনিকে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার গভীরে ইসরাইল শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এটি দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত তারা ইসরাইলকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তায় ইরানের হুমকি চিরতরে নির্মূল করার এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। এছাড়া ইসরাইলি সেনাবাহিনী ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নতুন ও শক্তিশালী ডানপন্থি জোটের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেন।