ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

মার্কিন নৌ অবরোধ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর, দাবি সেন্টকমের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্র ‘সমুদ্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

এক বিবৃতিতে সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সব বন্দরগামী ও বহির্গামী সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা ইরানে প্রবেশ ও বহির্গামী সব ধরনের সামুদ্রিক বাণিজ্য বন্ধ করেছি।’

সেন্টকমের আরেক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো সক্রিয়ভাবে এই অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। ইরানের বন্দর বা উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া সব দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই সমানভাবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি ডেস্ট্রয়ারে সাধারণত ৩০০ জনের বেশি নাবিক থাকে, যারা আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযানে উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

এর আগে সেন্টকম জানায়, এই অবরোধ অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা—নৌসেনা, মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্য—অংশ নিয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে এক ডজনের বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু যুদ্ধবিমান।

অভিযান শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজ অবরোধ ভাঙতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে। একই সময়ে ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে ফিরে গিয়ে ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানি বন্দরে পুনরায় প্রবেশ করে।

এই অবরোধ পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন ইরানের সব বন্দরে কার্যকর করা হয়েছে। তবে সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে প্রবেশ সীমিত থাকলেও অ-ইরানি বন্দরের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা সহায়তা করছে।

এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বড় ধরনের নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় বাধার প্রতিবাদে পিরোজপুরে মানববন্ধন

মার্কিন নৌ অবরোধ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর, দাবি সেন্টকমের

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্র ‘সমুদ্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

এক বিবৃতিতে সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সব বন্দরগামী ও বহির্গামী সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা ইরানে প্রবেশ ও বহির্গামী সব ধরনের সামুদ্রিক বাণিজ্য বন্ধ করেছি।’

সেন্টকমের আরেক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো সক্রিয়ভাবে এই অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। ইরানের বন্দর বা উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া সব দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই সমানভাবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি ডেস্ট্রয়ারে সাধারণত ৩০০ জনের বেশি নাবিক থাকে, যারা আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযানে উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

এর আগে সেন্টকম জানায়, এই অবরোধ অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা—নৌসেনা, মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্য—অংশ নিয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে এক ডজনের বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু যুদ্ধবিমান।

অভিযান শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজ অবরোধ ভাঙতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে। একই সময়ে ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে ফিরে গিয়ে ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানি বন্দরে পুনরায় প্রবেশ করে।

এই অবরোধ পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন ইরানের সব বন্দরে কার্যকর করা হয়েছে। তবে সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে প্রবেশ সীমিত থাকলেও অ-ইরানি বন্দরের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা সহায়তা করছে।

এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বড় ধরনের নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।