ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

রোগ প্রতিষেধক পবিত্র আয়াত

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

কোরআন এমন একটি কিতাব, যা মানবসমাজের জন্য কল্যাণকর হিসেবে নাজিল করা হয়েছে। এ কিতাবে অসংখ্য রোগের শেফা রয়েছে।

এমন দুটি মেডিসিনের কথা কোরআনে বর্ণিত যেটির অজানা তথ্য দিয়েছে আধুনিক বিজ্ঞান। কোরআন শুধু পড়ে রেখে দেয়ার কিতাব নয়- এটি চিকিৎসার ওষুধও বটে। সূরা বনি ইসরাইলের ৮২নং আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন,

অর্থাৎ- আমি নাজিল করেছি কোরআন, যা বিশ্বাসীদের জন্য সুচিকিৎসা ও দয়া কিন্তু তা সীমালঙ্ঘনকারীদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।

এবার বলছি সূরা ত্বীনের অলৌকিক তথ্য ও উপাত্তের কথা।

শপথ! ডুমুর ও জয়তুন বৃক্ষের।

ত্বীন ফলের উৎপত্তি ও সায়েন্সের স্বীকৃতি।

ডুমুর হল এমন ফল যে ফলের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রথম কৃষিকাজ শুরু হয়। আর এটি উৎপাদিত হয়েছিল পবিত্র ফিলিস্তিন ভূমিতে। সম্প্রতি বিজ্ঞান মাটির নিচে, শুকনো ত্বীন ফলের যে ফসিল পেয়েছেন সেটি ছিল ১০ হাজার বছর আগের।

আরও অবাক হওয়া তথ্য হল, ১০ হাজার বছর আগে আদি মানব হজরত আদম (আ.) আগমন করেছিলেন। বুঝা যায়, এটি আদম (আ.)-এর যুগ থেকে উৎপন্ন হয়ে আসছে।

এ ডুমুর ফলটির সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছিলেন, এটি খাও- কারণ এতে অনেক রোগের ওষুধ রয়েছে।

জয়তুন বৃক্ষ- এ বৃক্ষকে ইহুদি ও নাসারারাও উপাসনা করে। আবার এটিকে যুদ্ধের শান্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশ্বনবীর আগেও এ বৃক্ষকে বিভিন্ন নবীরা মিসওয়াক হিসেবে ব্যবহার করতেন।

আজকের চিকিৎসা বিজ্ঞান জয়তুন বৃক্ষকে অনেক রোগের প্রতিষেধক এবং বার্ধক্যের সীমান্তে যৌবনের রূপ ধরে রাখতে এ ফলকে তারা বেশ প্রাধান্য দিয়েছে। বিশ্বনবী (সা.)-এর ফর্মুলার দিকে তাকালে দেখা যায়- তিনি বলেন, আগের নারীরা এ বরকতময় গাছের ফল ও তেল ব্যবহার করতেন এবং গাছের ডালকে মিসওয়াক বানাতেন। (আল মুজামুল আওসাত)।

অন্য এক বর্ণনায় বলেন, তোমরা তেল খাও এবং মালিশ কর কারণ এটি বরকত ও প্রাচুর্যময় গাছের তেল। (তিরমিজি ১৮৫১)।

জয়তুন ফলটির কথা কোরআনে ৭ বার এসেছে। ৬ বার নামসহ উল্লেখ করে সপ্তমবারে আল্লাহতায়ালা কোথায় পাওয়া যাবে- সেটিও বলে দিয়েছেন। সূরা মুমিন ২০নং আয়াতে।

লেখক : শিক্ষার্থী, আবুতোরাব ফাজিল মাদ্রাসা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

পাঠ্যবইয়ে দাঁড়িপাল্লার ছবি: এনসিটিবি কর্মকর্তা খাগড়াছড়িতে বদলি

রোগ প্রতিষেধক পবিত্র আয়াত

আপডেট সময় ০৬:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

কোরআন এমন একটি কিতাব, যা মানবসমাজের জন্য কল্যাণকর হিসেবে নাজিল করা হয়েছে। এ কিতাবে অসংখ্য রোগের শেফা রয়েছে।

এমন দুটি মেডিসিনের কথা কোরআনে বর্ণিত যেটির অজানা তথ্য দিয়েছে আধুনিক বিজ্ঞান। কোরআন শুধু পড়ে রেখে দেয়ার কিতাব নয়- এটি চিকিৎসার ওষুধও বটে। সূরা বনি ইসরাইলের ৮২নং আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন,

অর্থাৎ- আমি নাজিল করেছি কোরআন, যা বিশ্বাসীদের জন্য সুচিকিৎসা ও দয়া কিন্তু তা সীমালঙ্ঘনকারীদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।

এবার বলছি সূরা ত্বীনের অলৌকিক তথ্য ও উপাত্তের কথা।

শপথ! ডুমুর ও জয়তুন বৃক্ষের।

ত্বীন ফলের উৎপত্তি ও সায়েন্সের স্বীকৃতি।

ডুমুর হল এমন ফল যে ফলের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রথম কৃষিকাজ শুরু হয়। আর এটি উৎপাদিত হয়েছিল পবিত্র ফিলিস্তিন ভূমিতে। সম্প্রতি বিজ্ঞান মাটির নিচে, শুকনো ত্বীন ফলের যে ফসিল পেয়েছেন সেটি ছিল ১০ হাজার বছর আগের।

আরও অবাক হওয়া তথ্য হল, ১০ হাজার বছর আগে আদি মানব হজরত আদম (আ.) আগমন করেছিলেন। বুঝা যায়, এটি আদম (আ.)-এর যুগ থেকে উৎপন্ন হয়ে আসছে।

এ ডুমুর ফলটির সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছিলেন, এটি খাও- কারণ এতে অনেক রোগের ওষুধ রয়েছে।

জয়তুন বৃক্ষ- এ বৃক্ষকে ইহুদি ও নাসারারাও উপাসনা করে। আবার এটিকে যুদ্ধের শান্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশ্বনবীর আগেও এ বৃক্ষকে বিভিন্ন নবীরা মিসওয়াক হিসেবে ব্যবহার করতেন।

আজকের চিকিৎসা বিজ্ঞান জয়তুন বৃক্ষকে অনেক রোগের প্রতিষেধক এবং বার্ধক্যের সীমান্তে যৌবনের রূপ ধরে রাখতে এ ফলকে তারা বেশ প্রাধান্য দিয়েছে। বিশ্বনবী (সা.)-এর ফর্মুলার দিকে তাকালে দেখা যায়- তিনি বলেন, আগের নারীরা এ বরকতময় গাছের ফল ও তেল ব্যবহার করতেন এবং গাছের ডালকে মিসওয়াক বানাতেন। (আল মুজামুল আওসাত)।

অন্য এক বর্ণনায় বলেন, তোমরা তেল খাও এবং মালিশ কর কারণ এটি বরকত ও প্রাচুর্যময় গাছের তেল। (তিরমিজি ১৮৫১)।

জয়তুন ফলটির কথা কোরআনে ৭ বার এসেছে। ৬ বার নামসহ উল্লেখ করে সপ্তমবারে আল্লাহতায়ালা কোথায় পাওয়া যাবে- সেটিও বলে দিয়েছেন। সূরা মুমিন ২০নং আয়াতে।

লেখক : শিক্ষার্থী, আবুতোরাব ফাজিল মাদ্রাসা