ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ কর্ণফুলী নদী থেকে তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে যুবকের মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যা অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স মার্কিন চুক্তির মাঝেই গাজায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ডাক ইসরাইলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

দোয়া কবুলের বিশেষ ১০ মুহূর্ত: যে সময় আল্লাহর রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দোয়া। এটি শুধু কিছু চাওয়ার মাধ্যম নয়; বরং আল্লাহর সঙ্গে বান্দার গভীর সম্পর্কের প্রকাশ। মহান আল্লাহ যেকোনো সময় তার বান্দার আহ্বান শোনেন। তবে কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কিছু বরকতময় সময়ের কথা এসেছে, যখন আন্তরিক দোয়া কবুল হওয়ার আশা আরও বেশি। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ

‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা গাফির: আয়াত ৬০)

নিচে দোয়া কবুল হওয়ার এমন ১০টি বিশেষ সময় তুলে ধরা হলো—

১. রাতের শেষ তৃতীয়াংশ:

রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশ হলো দোয়া কবুলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। যখন অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, তখন যে বান্দা ইবাদত ও দোয়ায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তার জন্য রহমতের দরজা খুলে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا…

‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’ (বুখারি ১১৪৫, মুসলিম ৭৫৮)

২. আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়:

আজান ও ইকামতের মাঝের সময় দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—

الدُّعَاءُ لَا يُرَدُّ بَيْنَ الْأَذَانِ وَالْإِقَامَةِ

‘আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না।’ (তিরমিজি ২১২, আবু দাউদ ৫২১)

৩. সেজদার সময়:

সেজদা হলো বান্দার আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মুহূর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

أَقْرَبُ مَا يَكُونُ الْعَبْدُ مِنْ رَبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَأَكْثِرُوا الدُّعَاءَ

‘বান্দা সেজদার অবস্থায় তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকে। তাই সেজদায় বেশি বেশি দোয়া কর।’ (মুসলিম ৪৮২)

৪. ফরজ নামাজের শেষ অংশ:

তাশাহহুদ ও দরুদ পাঠের পর সালাম ফেরানোর আগের সময়টি দোয়া কবুলের অন্যতম উত্তম সময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

‘গভীর রাতের দোয়া এবং ফরজ নামাজের শেষ ভাগের দোয়া সবচেয়ে বেশি কবুল হয়।’ (তিরমিজি ৩৪৯৯)

৫. জুমার দিনের বিশেষ সময়:

জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন দোয়া কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

فِيهَا سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ… إِلَّا أَعْطَاهُ

‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম যদি সে সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তাকে তা অবশ্যই দান করেন।’ (বুখারি ৯৩৫, মুসলিম ৮৫২)

৬. ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত:

রোজাদারের ইফতারের আগে করা দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

ثَلَاثَةٌ لَا تُرَدُّ دَعْوَتُهُمْ…

‘তিন ব্যক্তির দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না— ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার (ইফতার পর্যন্ত) এবং মজলুম।’ (তিরমিজি ২৫২৬)

৭. বৃষ্টির সময়:

বৃষ্টি আল্লাহর রহমতের নিদর্শন। এ সময় দোয়া কবুলের আশা বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

اثْنَتَانِ مَا تُرَدَّانِ: الدُّعَاءُ عِنْدَ النِّدَاءِ وَتَحْتَ الْمَطَرِ

‘দুটি সময়ের দোয়া সাধারণত ফিরিয়ে দেওয়া হয় না— আজানের সময় এবং বৃষ্টির সময়।’ (আবু দাউদ ২৫৪০)

৮. আরাফার দিন:

জিলহজের ৯ তারিখ অর্থাৎ আরাফার দিন বছরের শ্রেষ্ঠ দোয়ার দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ

‘সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।’ (তিরমিজি ৩৫৮৫)

৯. লাইলাতুল কদর:

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এই রাতে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত আয়েশা (রা.)-কে শিখিয়েছেন—

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (তিরমিজি ৩৫১৩)

১০. মজলুম ও বিপদগ্রস্ত মানুষের দোয়া:

অন্যায়ের শিকার বা বিপদে পড়া মানুষের আন্তরিক দোয়া আল্লাহ দ্রুত কবুল করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهُ لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ

‘মজলুমের দোয়াকে ভয় করো; কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।’ (বুখারি ২৪৪৮, মুসলিম ১৯)

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন—

أَمَّنْ يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ

‘কে সেই সত্তা, যিনি বিপদগ্রস্তের ডাকে সাড়া দেন এবং তার বিপদ দূর করেন?’ (সুরা আন-নামল: আয়াত ৬২)

দোয়া কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আল্লাহকে যেকোনো সময়, যেকোনো অবস্থায় ডাকা যায়। তবে কুরআন ও সহিহ হাদিসে বর্ণিত এই বরকতময় সময়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত ও দোয়ায় মনোযোগী হলে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পায়। তাই আসুন, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বেশি বেশি দোয়া করি এবং এই বিশেষ সময়গুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোয়া কবুলের বিশেষ ১০ মুহূর্ত: যে সময় আল্লাহর রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে

আপডেট সময় ০৭:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দোয়া। এটি শুধু কিছু চাওয়ার মাধ্যম নয়; বরং আল্লাহর সঙ্গে বান্দার গভীর সম্পর্কের প্রকাশ। মহান আল্লাহ যেকোনো সময় তার বান্দার আহ্বান শোনেন। তবে কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কিছু বরকতময় সময়ের কথা এসেছে, যখন আন্তরিক দোয়া কবুল হওয়ার আশা আরও বেশি। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ

‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা গাফির: আয়াত ৬০)

নিচে দোয়া কবুল হওয়ার এমন ১০টি বিশেষ সময় তুলে ধরা হলো—

১. রাতের শেষ তৃতীয়াংশ:

রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশ হলো দোয়া কবুলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। যখন অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, তখন যে বান্দা ইবাদত ও দোয়ায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তার জন্য রহমতের দরজা খুলে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا…

‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’ (বুখারি ১১৪৫, মুসলিম ৭৫৮)

২. আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়:

আজান ও ইকামতের মাঝের সময় দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—

الدُّعَاءُ لَا يُرَدُّ بَيْنَ الْأَذَانِ وَالْإِقَامَةِ

‘আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না।’ (তিরমিজি ২১২, আবু দাউদ ৫২১)

৩. সেজদার সময়:

সেজদা হলো বান্দার আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মুহূর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

أَقْرَبُ مَا يَكُونُ الْعَبْدُ مِنْ رَبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَأَكْثِرُوا الدُّعَاءَ

‘বান্দা সেজদার অবস্থায় তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকে। তাই সেজদায় বেশি বেশি দোয়া কর।’ (মুসলিম ৪৮২)

৪. ফরজ নামাজের শেষ অংশ:

তাশাহহুদ ও দরুদ পাঠের পর সালাম ফেরানোর আগের সময়টি দোয়া কবুলের অন্যতম উত্তম সময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

‘গভীর রাতের দোয়া এবং ফরজ নামাজের শেষ ভাগের দোয়া সবচেয়ে বেশি কবুল হয়।’ (তিরমিজি ৩৪৯৯)

৫. জুমার দিনের বিশেষ সময়:

জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন দোয়া কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

فِيهَا سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ… إِلَّا أَعْطَاهُ

‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম যদি সে সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তাকে তা অবশ্যই দান করেন।’ (বুখারি ৯৩৫, মুসলিম ৮৫২)

৬. ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত:

রোজাদারের ইফতারের আগে করা দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

ثَلَاثَةٌ لَا تُرَدُّ دَعْوَتُهُمْ…

‘তিন ব্যক্তির দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না— ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার (ইফতার পর্যন্ত) এবং মজলুম।’ (তিরমিজি ২৫২৬)

৭. বৃষ্টির সময়:

বৃষ্টি আল্লাহর রহমতের নিদর্শন। এ সময় দোয়া কবুলের আশা বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

اثْنَتَانِ مَا تُرَدَّانِ: الدُّعَاءُ عِنْدَ النِّدَاءِ وَتَحْتَ الْمَطَرِ

‘দুটি সময়ের দোয়া সাধারণত ফিরিয়ে দেওয়া হয় না— আজানের সময় এবং বৃষ্টির সময়।’ (আবু দাউদ ২৫৪০)

৮. আরাফার দিন:

জিলহজের ৯ তারিখ অর্থাৎ আরাফার দিন বছরের শ্রেষ্ঠ দোয়ার দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ

‘সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।’ (তিরমিজি ৩৫৮৫)

৯. লাইলাতুল কদর:

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এই রাতে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত আয়েশা (রা.)-কে শিখিয়েছেন—

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (তিরমিজি ৩৫১৩)

১০. মজলুম ও বিপদগ্রস্ত মানুষের দোয়া:

অন্যায়ের শিকার বা বিপদে পড়া মানুষের আন্তরিক দোয়া আল্লাহ দ্রুত কবুল করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهُ لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ

‘মজলুমের দোয়াকে ভয় করো; কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।’ (বুখারি ২৪৪৮, মুসলিম ১৯)

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন—

أَمَّنْ يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ

‘কে সেই সত্তা, যিনি বিপদগ্রস্তের ডাকে সাড়া দেন এবং তার বিপদ দূর করেন?’ (সুরা আন-নামল: আয়াত ৬২)

দোয়া কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আল্লাহকে যেকোনো সময়, যেকোনো অবস্থায় ডাকা যায়। তবে কুরআন ও সহিহ হাদিসে বর্ণিত এই বরকতময় সময়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত ও দোয়ায় মনোযোগী হলে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পায়। তাই আসুন, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বেশি বেশি দোয়া করি এবং এই বিশেষ সময়গুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাই।