ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসটি কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার। পুরনো এ দূতাবাসটি কাতারের রাজ পরিবারের কাছে ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা হয়েছে। এর পেছনে আরো ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ৫ তারকা হোটেল বানানো হবে।

দূতাবাসটি বিক্রির পর টেমস নদীর তীরে নতুন দূতাবাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত নতুন দূতাবাসটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় ইতিমধ্যে আলোচিত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান দূতাবাস ছেড়ে নতুন ভবনে উঠবেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। খবর ডেইলি মেইলের।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, অক্সফোর্ড ট্রিটের দূতাবাসটি সামান্য মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ২০১৩ সালে কাতারের রাজ পরিবারের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার হওয়ার পরেও সেটি ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

লন্ডনের ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিসের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইলে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড স্ট্রিটের দূতাবাসটি ৯৯৯ বছরের জন্য বিক্রি করা হয়েছে। বারাক ওবামার সময়ে এটি বিক্রি করা হলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল প্রেসিডেন্ট বুশের সময়ে। ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই দূতাবাসটি নির্মাণ করে।

বিক্রি হওয়া ভবনটিতে মোট ৯টি ফ্লোর রয়েছে। মোট জায়গার পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট। এর মধ্যে কক্ষ রয়েছে ৬০০টি। ভবনটি কিনে নেয়ার পর কাতার রাজ পরিবার এটি সংস্কারের জন্য ১ দশমিট ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কারের পর এটি ১৩৭ সদস্যবিশিষ্ট ৫ তারকা হোটেলে রূপ নেবে।

ইতিপূর্বে লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়েছে। ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাস, পরে কানাডিয়ান হাইকমিশনের ভবনও বিক্রি করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার

আপডেট সময় ১১:১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসটি কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার। পুরনো এ দূতাবাসটি কাতারের রাজ পরিবারের কাছে ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা হয়েছে। এর পেছনে আরো ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ৫ তারকা হোটেল বানানো হবে।

দূতাবাসটি বিক্রির পর টেমস নদীর তীরে নতুন দূতাবাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত নতুন দূতাবাসটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় ইতিমধ্যে আলোচিত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান দূতাবাস ছেড়ে নতুন ভবনে উঠবেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। খবর ডেইলি মেইলের।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, অক্সফোর্ড ট্রিটের দূতাবাসটি সামান্য মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ২০১৩ সালে কাতারের রাজ পরিবারের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার হওয়ার পরেও সেটি ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

লন্ডনের ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিসের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইলে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড স্ট্রিটের দূতাবাসটি ৯৯৯ বছরের জন্য বিক্রি করা হয়েছে। বারাক ওবামার সময়ে এটি বিক্রি করা হলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল প্রেসিডেন্ট বুশের সময়ে। ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই দূতাবাসটি নির্মাণ করে।

বিক্রি হওয়া ভবনটিতে মোট ৯টি ফ্লোর রয়েছে। মোট জায়গার পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট। এর মধ্যে কক্ষ রয়েছে ৬০০টি। ভবনটি কিনে নেয়ার পর কাতার রাজ পরিবার এটি সংস্কারের জন্য ১ দশমিট ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কারের পর এটি ১৩৭ সদস্যবিশিষ্ট ৫ তারকা হোটেলে রূপ নেবে।

ইতিপূর্বে লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়েছে। ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাস, পরে কানাডিয়ান হাইকমিশনের ভবনও বিক্রি করা হয়।