ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

পাবনায় শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুজনকে লক্ষ্য করে হামলা

পাবনার সদর উপজেলার পুষ্পপাড়া হাটে আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে উপজেলা শ্রমিক লীগ নেতা আব্দুস সালাম (৫৭) ও তার ভাতিজা রিপন হোসেন (৩৫) প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুষ্পপাড়া হাটের নিজস্ব অফিসে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র অবস্থায় ৫-৭ জনের একটি দল হঠাৎ অফিসে ঢুকে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই দুজনেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আব্দুস সালাম সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া গ্রামের আরজ আলীর ছেলে। তিনি পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অপর নিহত রিপন হোসেন একই গ্রামের ইউপি সদস্য ওমেদ আলীর ছেলে এবং হাটের ইজারাসংক্রান্ত কাজে তার চাচাকে সহযোগিতা করতেন। ঘটনার সময় তারা দুজনেই হাটের প্রশাসনিক কাজে অফিসের ভেতর অবস্থান করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্রধারী দলটি অতর্কিত হামলা চালায়। আব্দুস সালামকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। নিজের চাচাকে বাঁচাতে রিপন এগিয়ে এলে তাকেও গুলিবিদ্ধ হতে হয়। হামলার পরপরই হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে ঠিক কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাবনা জেলার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিশেষ দল কাজ শুরু করেছে। এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনায় শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুজনকে লক্ষ্য করে হামলা

আপডেট সময় ১০:২৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার সদর উপজেলার পুষ্পপাড়া হাটে আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে উপজেলা শ্রমিক লীগ নেতা আব্দুস সালাম (৫৭) ও তার ভাতিজা রিপন হোসেন (৩৫) প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুষ্পপাড়া হাটের নিজস্ব অফিসে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র অবস্থায় ৫-৭ জনের একটি দল হঠাৎ অফিসে ঢুকে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই দুজনেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আব্দুস সালাম সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া গ্রামের আরজ আলীর ছেলে। তিনি পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অপর নিহত রিপন হোসেন একই গ্রামের ইউপি সদস্য ওমেদ আলীর ছেলে এবং হাটের ইজারাসংক্রান্ত কাজে তার চাচাকে সহযোগিতা করতেন। ঘটনার সময় তারা দুজনেই হাটের প্রশাসনিক কাজে অফিসের ভেতর অবস্থান করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্রধারী দলটি অতর্কিত হামলা চালায়। আব্দুস সালামকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। নিজের চাচাকে বাঁচাতে রিপন এগিয়ে এলে তাকেও গুলিবিদ্ধ হতে হয়। হামলার পরপরই হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে ঠিক কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাবনা জেলার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিশেষ দল কাজ শুরু করেছে। এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।