ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসটি কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার। পুরনো এ দূতাবাসটি কাতারের রাজ পরিবারের কাছে ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা হয়েছে। এর পেছনে আরো ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ৫ তারকা হোটেল বানানো হবে।

দূতাবাসটি বিক্রির পর টেমস নদীর তীরে নতুন দূতাবাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত নতুন দূতাবাসটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় ইতিমধ্যে আলোচিত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান দূতাবাস ছেড়ে নতুন ভবনে উঠবেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। খবর ডেইলি মেইলের।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, অক্সফোর্ড ট্রিটের দূতাবাসটি সামান্য মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ২০১৩ সালে কাতারের রাজ পরিবারের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার হওয়ার পরেও সেটি ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

লন্ডনের ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিসের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইলে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড স্ট্রিটের দূতাবাসটি ৯৯৯ বছরের জন্য বিক্রি করা হয়েছে। বারাক ওবামার সময়ে এটি বিক্রি করা হলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল প্রেসিডেন্ট বুশের সময়ে। ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই দূতাবাসটি নির্মাণ করে।

বিক্রি হওয়া ভবনটিতে মোট ৯টি ফ্লোর রয়েছে। মোট জায়গার পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট। এর মধ্যে কক্ষ রয়েছে ৬০০টি। ভবনটি কিনে নেয়ার পর কাতার রাজ পরিবার এটি সংস্কারের জন্য ১ দশমিট ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কারের পর এটি ১৩৭ সদস্যবিশিষ্ট ৫ তারকা হোটেলে রূপ নেবে।

ইতিপূর্বে লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়েছে। ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাস, পরে কানাডিয়ান হাইকমিশনের ভবনও বিক্রি করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার

আপডেট সময় ১১:১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসটি কিনে নিয়েছে কাতারের রাজ পরিবার। পুরনো এ দূতাবাসটি কাতারের রাজ পরিবারের কাছে ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা হয়েছে। এর পেছনে আরো ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ৫ তারকা হোটেল বানানো হবে।

দূতাবাসটি বিক্রির পর টেমস নদীর তীরে নতুন দূতাবাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত নতুন দূতাবাসটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় ইতিমধ্যে আলোচিত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান দূতাবাস ছেড়ে নতুন ভবনে উঠবেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। খবর ডেইলি মেইলের।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, অক্সফোর্ড ট্রিটের দূতাবাসটি সামান্য মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ২০১৩ সালে কাতারের রাজ পরিবারের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার হওয়ার পরেও সেটি ৩১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

লন্ডনের ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিসের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইলে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড স্ট্রিটের দূতাবাসটি ৯৯৯ বছরের জন্য বিক্রি করা হয়েছে। বারাক ওবামার সময়ে এটি বিক্রি করা হলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল প্রেসিডেন্ট বুশের সময়ে। ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই দূতাবাসটি নির্মাণ করে।

বিক্রি হওয়া ভবনটিতে মোট ৯টি ফ্লোর রয়েছে। মোট জায়গার পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট। এর মধ্যে কক্ষ রয়েছে ৬০০টি। ভবনটি কিনে নেয়ার পর কাতার রাজ পরিবার এটি সংস্কারের জন্য ১ দশমিট ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কারের পর এটি ১৩৭ সদস্যবিশিষ্ট ৫ তারকা হোটেলে রূপ নেবে।

ইতিপূর্বে লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়েছে। ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাস, পরে কানাডিয়ান হাইকমিশনের ভবনও বিক্রি করা হয়।