ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালানটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জ্বালানি বহনকারী তিনটি বিশেষায়িত লরি প্রকল্প এলাকাটিতে প্রবেশ করে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত সেনাবাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তায় চালানটি সফলভাবে গন্তব্যে পৌঁছায়।

এ পর্যন্ত রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জন্য একটি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য তিনটিসহ সর্বমোট চারটি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো বিমানের মাধ্যমে মোট ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আনার লক্ষ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের পুনরায় জ্বালানি সরবরাহের জন্য আরও দুটি কার্গোতে ৪৮টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আসবে। সব মিলিয়ে সর্বমোট নয়টি চালানে এই পারমাণবিক জ্বালানি রূপপুরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রাশিয়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কেন্দ্রে ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা বায়েরার চেয়ারম্যান এই ইউনিটটির স্টেজ-সি কার্যক্রম শুরুর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেন।

প্রকল্পের এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে টারবাইন-জেনারেটর, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। সকল পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে প্রথম ইউনিটের জেনারেটর জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হবে, যা বিদ্যুৎ খাতের ভাষায় ‘সিনক্রোনাইজেশন’ নামে পরিচিত। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু এগোলে চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে কর্তৃপক্ষের, তবে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত শর্ত ও অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালিত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

পুলিশের ওপর জনআস্থা ফেরাতে কমিউনিটি পুলিশিং কেন জরুরি

রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

আপডেট সময় ১১:৩৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালানটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জ্বালানি বহনকারী তিনটি বিশেষায়িত লরি প্রকল্প এলাকাটিতে প্রবেশ করে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত সেনাবাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তায় চালানটি সফলভাবে গন্তব্যে পৌঁছায়।

এ পর্যন্ত রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জন্য একটি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য তিনটিসহ সর্বমোট চারটি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো বিমানের মাধ্যমে মোট ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আনার লক্ষ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের পুনরায় জ্বালানি সরবরাহের জন্য আরও দুটি কার্গোতে ৪৮টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আসবে। সব মিলিয়ে সর্বমোট নয়টি চালানে এই পারমাণবিক জ্বালানি রূপপুরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রাশিয়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কেন্দ্রে ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা বায়েরার চেয়ারম্যান এই ইউনিটটির স্টেজ-সি কার্যক্রম শুরুর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেন।

প্রকল্পের এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে টারবাইন-জেনারেটর, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। সকল পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে প্রথম ইউনিটের জেনারেটর জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হবে, যা বিদ্যুৎ খাতের ভাষায় ‘সিনক্রোনাইজেশন’ নামে পরিচিত। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু এগোলে চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে কর্তৃপক্ষের, তবে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত শর্ত ও অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালিত হবে।