ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মার্তিনেজ: সেই ফাইনালের পর এবার স্পেনকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়াই করে ১১টি সেভ করেছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচটি যদি পেনাল্টি শুটআউটে গড়িয়ে যেত, তবে জয় আর্জেন্টিনারই হতো বলে দৃঢ় বিশ্বাস এই গোলরক্ষকের। সম্প্রতি ‘লস এদুল’ নামের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটাই দাবি করেছেন। মার্তিনেজের মতে, সেদিন বল গোলপোস্টে ঢোকানোর মতো কোনো সুযোগ ছিল না এবং প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রাও তা আঁচ করতে পেরেছিল। তিনি জানান, গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে শুনেছিলেন, যেখানে তারা পেনাল্টিতে না গিয়ে ম্যাচটি দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিচ্ছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল যদি পেনাল্টি শুটআউটে গড়াত, তাহলে আর্জেন্টিনাই জিতত। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তা-ই ভেবেছিলাম। তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম, দিনটা আমার হবে। আমি যখন গোলে গেলাম, তখন এমনকি ওদের বলতে শুনলাম, আমাদের এখানেই জিততে হবে। আপনি জানেন তো সেই অনুভূতি, যখন মনে হয় বলটা গোলে ঢুকবেই না। আমার মনে হয়, ওরাও সেটা টের পেয়েছিল।’।

বিশ্বকাপের কঠোর সূচি এবং ভ্রমণের ধকল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্তিনেজ। তার ভাষ্যমতে, কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এই আসরের সময়সূচি ছিল বেশ কঠিন। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মধ্যবর্তী সময়ে মাত্র তিন দিন বিরতি ছিল, যার মধ্যে ভ্রমণ ও সীমিত অনুশীলনের চাপ খেলোয়াড়দের ক্লান্ত করে তুলেছিল। টুর্নামেন্টের ৫১ দিন ভ্রমণে কাটিয়েছেন তারা। মার্তিনেজ বিষয়টিকে কেবল ‘মার্কেটিং’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মনে করেন। বিশ্বকাপে শারীরিক ধকল নিয়েও কথা বলেছেন মার্তিনেজ। কাতারের তুলনায় এই বিশ্বকাপে এটাই আমার একমাত্র অপছন্দের বিষয়।

ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে ছড়িয়ে থাকা নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। মার্তিনেজের মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের ফাইনালে কোনো দলই পরাজয় বরণ করতে চায় না, সেটি অর্থের বিনিময়ে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে, এমনটা অবাস্তব। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দলই ইচ্ছাকৃতভাবে শিরোপা হাতছাড়া করে না।

ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব স্পেনের প্রাপ্য ছিল তা স্বীকার করলেও, বর্তমান আর্জেন্টিনা দলের শক্তির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন মার্তিনেজ। ২০২২ সালের ফ্রান্সের সঙ্গে বর্তমান স্প্যানিশ দলের তুলনা টেনে তিনি জানান, ফরাসি দলটি তাকে বেশি মুগ্ধ করেছিল। তবে যদি আজ আবার স্পেনের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব হতো, তবে আর্জেন্টিনা অনায়াসেই তাদের হারিয়ে দিত বলে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মন্তব্য করেছেন। শুটআউটে জেতার ব্যাপারে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথাও তিনি জানিয়েছেন। তার ধারণা, শুটআউটে স্পেন তাকে হারাতে গেলে কষ্ট পেত। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক শুটআউট নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও মেনে নিয়েছেন, স্পেনের জয় প্রাপ্য ছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

দিনাজপুরে নজরুলের জীবন ও কর্ম ঘিরে আলোচনা সভা

মার্তিনেজ: সেই ফাইনালের পর এবার স্পেনকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় ০১:০৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়াই করে ১১টি সেভ করেছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচটি যদি পেনাল্টি শুটআউটে গড়িয়ে যেত, তবে জয় আর্জেন্টিনারই হতো বলে দৃঢ় বিশ্বাস এই গোলরক্ষকের। সম্প্রতি ‘লস এদুল’ নামের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটাই দাবি করেছেন। মার্তিনেজের মতে, সেদিন বল গোলপোস্টে ঢোকানোর মতো কোনো সুযোগ ছিল না এবং প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রাও তা আঁচ করতে পেরেছিল। তিনি জানান, গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে শুনেছিলেন, যেখানে তারা পেনাল্টিতে না গিয়ে ম্যাচটি দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিচ্ছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল যদি পেনাল্টি শুটআউটে গড়াত, তাহলে আর্জেন্টিনাই জিতত। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তা-ই ভেবেছিলাম। তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম, দিনটা আমার হবে। আমি যখন গোলে গেলাম, তখন এমনকি ওদের বলতে শুনলাম, আমাদের এখানেই জিততে হবে। আপনি জানেন তো সেই অনুভূতি, যখন মনে হয় বলটা গোলে ঢুকবেই না। আমার মনে হয়, ওরাও সেটা টের পেয়েছিল।’।

বিশ্বকাপের কঠোর সূচি এবং ভ্রমণের ধকল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্তিনেজ। তার ভাষ্যমতে, কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এই আসরের সময়সূচি ছিল বেশ কঠিন। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মধ্যবর্তী সময়ে মাত্র তিন দিন বিরতি ছিল, যার মধ্যে ভ্রমণ ও সীমিত অনুশীলনের চাপ খেলোয়াড়দের ক্লান্ত করে তুলেছিল। টুর্নামেন্টের ৫১ দিন ভ্রমণে কাটিয়েছেন তারা। মার্তিনেজ বিষয়টিকে কেবল ‘মার্কেটিং’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মনে করেন। বিশ্বকাপে শারীরিক ধকল নিয়েও কথা বলেছেন মার্তিনেজ। কাতারের তুলনায় এই বিশ্বকাপে এটাই আমার একমাত্র অপছন্দের বিষয়।

ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে ছড়িয়ে থাকা নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। মার্তিনেজের মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের ফাইনালে কোনো দলই পরাজয় বরণ করতে চায় না, সেটি অর্থের বিনিময়ে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে, এমনটা অবাস্তব। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দলই ইচ্ছাকৃতভাবে শিরোপা হাতছাড়া করে না।

ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব স্পেনের প্রাপ্য ছিল তা স্বীকার করলেও, বর্তমান আর্জেন্টিনা দলের শক্তির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন মার্তিনেজ। ২০২২ সালের ফ্রান্সের সঙ্গে বর্তমান স্প্যানিশ দলের তুলনা টেনে তিনি জানান, ফরাসি দলটি তাকে বেশি মুগ্ধ করেছিল। তবে যদি আজ আবার স্পেনের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব হতো, তবে আর্জেন্টিনা অনায়াসেই তাদের হারিয়ে দিত বলে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মন্তব্য করেছেন। শুটআউটে জেতার ব্যাপারে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথাও তিনি জানিয়েছেন। তার ধারণা, শুটআউটে স্পেন তাকে হারাতে গেলে কষ্ট পেত। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক শুটআউট নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও মেনে নিয়েছেন, স্পেনের জয় প্রাপ্য ছিল।