প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার ঘটনায় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তদন্তের জন্য শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) একটি উচ্চপর্যায়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমোডর মো. নিয়ামুল কবীরের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে বিমানের চিফ (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন) এবং ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া সদস্যসচিব হিসেবে থাকছেন ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক)। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে মূলত উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির ধরন ও এর পেছনে থাকা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিমানটির উড্ডয়ন উপযোগিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পর্যালোচনা, ফ্লাইট বিলম্বের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি এবং বিমানের সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা নিরূপণ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে বিজি ৩৭৭ ফ্লাইটে কারিগরি জটিলতার কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর বিমানটি যাত্রা করতে বাধ্য হয়। স্থানীয় পর্যায়ে বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম ও জাপানি টেকনিশিয়ানদের যৌথ প্রচেষ্টায় ত্রুটি সারানোর পর বাংলাদেশ সময় রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে বিমানটির পুশব্যাক শুরু হয়। পরবর্তীতে ৭টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইটটি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ কারিগরি ত্রুটির কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর পরে উড্ডয়ন করে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















