ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সে মারা গেছে, আমি খুশি হয়েছি: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলারের মৃত্যুতে তার দেওয়া প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে মুলারের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ৮১ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই খবর প্রকাশের কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‌‘রবার্ট মুলার এইমাত্র মারা গেছেন। ভালো, আমি খুশি হয়েছি, সে মারা গেছে। সে আর নিরীহ মানুষদের ক্ষতি করতে পারবে না!’

একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু নিয়ে এমন মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে রাজনৈতিক শালীনতা ও মানবিকতার প্রশ্নে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অনেকেই ‘অভূতপূর্ব’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেসম্যান ড্যান গোল্ডম্যান এই মন্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মুলারের দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় সেবাকে অসম্মান করা হয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন ট্রাম্পকে ‘ভয়ানক মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন। মুলারের সাবেক সহকর্মীরাও এই প্রতিক্রিয়াকে ‘বিধ্বংসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবার্ট মুলার নয়-এগারোর হামলার পর এফবিআই পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া মূলত মুলারের নেতৃত্বে পরিচালিত রাশিয়া তদন্ত ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যদিও ওই তদন্তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তবুও এটি তার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী রেশমা, ভীত মিঠু: অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও

সে মারা গেছে, আমি খুশি হয়েছি: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলারের মৃত্যুতে তার দেওয়া প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে মুলারের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ৮১ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই খবর প্রকাশের কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‌‘রবার্ট মুলার এইমাত্র মারা গেছেন। ভালো, আমি খুশি হয়েছি, সে মারা গেছে। সে আর নিরীহ মানুষদের ক্ষতি করতে পারবে না!’

একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু নিয়ে এমন মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে রাজনৈতিক শালীনতা ও মানবিকতার প্রশ্নে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অনেকেই ‘অভূতপূর্ব’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেসম্যান ড্যান গোল্ডম্যান এই মন্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মুলারের দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় সেবাকে অসম্মান করা হয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন ট্রাম্পকে ‘ভয়ানক মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন। মুলারের সাবেক সহকর্মীরাও এই প্রতিক্রিয়াকে ‘বিধ্বংসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবার্ট মুলার নয়-এগারোর হামলার পর এফবিআই পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া মূলত মুলারের নেতৃত্বে পরিচালিত রাশিয়া তদন্ত ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যদিও ওই তদন্তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তবুও এটি তার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল।