ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী রেশমা, ভীত মিঠু: অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও

নাটকের শুটিং সেটে অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের নানা ভিডিও গোপনে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রেশমা আহমেদ। এর আগেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে শিল্পীরা আপত্তি জানালেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি তুলে ধরে সহশিল্পীদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শুটিং সেটে কাটানো মুহূর্তগুলো বর্ণনা করে রেশমা আহমেদ বলেন, “শুটিং সেটে অভিনয়শিল্পীরা সাবধান। ক্যামেরা কিংবা মেকআপের সহকারীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়টি স্মরণ করে রেশমা আহমেদ বলেন, “মূল কথায় আসি। হতাশা প্রকাশ করে রেশমা আহমেদ বলেন, “আমি জানি, এটা নিয়ে আমাদের অনেক অভিনেতাই পোস্ট দিয়েছেন, কমপ্লেইন করেছেন।

সেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রেশমা আহমেদ জানান, ক্যারেক্টার আর্টিস্ট বা বিশেষ করে মা-বাবার চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পীদের ১০ থেকে ১২টি পর্যন্ত সিকোয়েন্স থাকে। প্রতিটি দৃশ্যের মাঝের ১০ মিনিটের বিরতিতে তারা চা পান করেন, গল্প করেন, হাসাহাসি করেন কিংবা সন্তান ও সংসার নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলেন। পরের দৃশ্যের জন্য শক্তি সঞ্চয়ের এই স্বল্পসময়ের মধ্যেই শুটিংয়ের লোকজন ভিডিও ধারণ করে থাকে। আমরা ক্যারেক্টার আর্টিস্টরা, বিশেষ করে মা-বাবাদের ১০/১২টা সিকোয়েন্স থাকে। তখন আমরা চা খাই, গল্প করি, একটু ফান করার চেষ্টা করি, হাসাহাসি করি। এই দশ মিনিটের মধ্যেই আমরা পরবর্তী সিকোয়েন্সের জন্য এনার্জি নিয়ে তৈরি হই। ”।

লাইট ও মেকআপের সহকারীসহ শুটিং দলের কিছু সদস্য এই গোপনীয়তাভঙ্গের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিশ্রামের মুহূর্তগুলোর ভিডিও গোপনে ধারণ করে রিলস বানিয়ে অনেকেই নিজেদের আইডি থেকে আপলোড দিচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন। অনেক অভিনেতা এর আগে অভিযোগ জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি জানিয়ে তিনি সবাইকে নিজ থেকেই সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানান। প্রতি সিকোয়েন্সের মাঝখানে হয়তো দশ মিনিট ব্রেক দেওয়া হয়।

রেশমা আহমেদের এই বার্তার পর বিষয়টি নিয়ে সহশিল্পীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী হতাশা প্রকাশ করে মন্তব্য করেন যে এগুলো দেখার মতো কেউ নেই। এছাড়া অভিনেত্রী মনিরা মিঠু পুরো বিষয়টিকে ‘আতঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং অভিনেতা হারুন রশীদ বান্টি এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও তুলেছেন অনেকে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে মিছিলের প্রস্তুতি: আ.লীগের চার কর্মী গ্রেপ্তার

ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী রেশমা, ভীত মিঠু: অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও

আপডেট সময় ১০:৪১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নাটকের শুটিং সেটে অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের নানা ভিডিও গোপনে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রেশমা আহমেদ। এর আগেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে শিল্পীরা আপত্তি জানালেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি তুলে ধরে সহশিল্পীদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শুটিং সেটে কাটানো মুহূর্তগুলো বর্ণনা করে রেশমা আহমেদ বলেন, “শুটিং সেটে অভিনয়শিল্পীরা সাবধান। ক্যামেরা কিংবা মেকআপের সহকারীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়টি স্মরণ করে রেশমা আহমেদ বলেন, “মূল কথায় আসি। হতাশা প্রকাশ করে রেশমা আহমেদ বলেন, “আমি জানি, এটা নিয়ে আমাদের অনেক অভিনেতাই পোস্ট দিয়েছেন, কমপ্লেইন করেছেন।

সেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রেশমা আহমেদ জানান, ক্যারেক্টার আর্টিস্ট বা বিশেষ করে মা-বাবার চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পীদের ১০ থেকে ১২টি পর্যন্ত সিকোয়েন্স থাকে। প্রতিটি দৃশ্যের মাঝের ১০ মিনিটের বিরতিতে তারা চা পান করেন, গল্প করেন, হাসাহাসি করেন কিংবা সন্তান ও সংসার নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলেন। পরের দৃশ্যের জন্য শক্তি সঞ্চয়ের এই স্বল্পসময়ের মধ্যেই শুটিংয়ের লোকজন ভিডিও ধারণ করে থাকে। আমরা ক্যারেক্টার আর্টিস্টরা, বিশেষ করে মা-বাবাদের ১০/১২টা সিকোয়েন্স থাকে। তখন আমরা চা খাই, গল্প করি, একটু ফান করার চেষ্টা করি, হাসাহাসি করি। এই দশ মিনিটের মধ্যেই আমরা পরবর্তী সিকোয়েন্সের জন্য এনার্জি নিয়ে তৈরি হই। ”।

লাইট ও মেকআপের সহকারীসহ শুটিং দলের কিছু সদস্য এই গোপনীয়তাভঙ্গের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিশ্রামের মুহূর্তগুলোর ভিডিও গোপনে ধারণ করে রিলস বানিয়ে অনেকেই নিজেদের আইডি থেকে আপলোড দিচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন। অনেক অভিনেতা এর আগে অভিযোগ জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি জানিয়ে তিনি সবাইকে নিজ থেকেই সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানান। প্রতি সিকোয়েন্সের মাঝখানে হয়তো দশ মিনিট ব্রেক দেওয়া হয়।

রেশমা আহমেদের এই বার্তার পর বিষয়টি নিয়ে সহশিল্পীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী হতাশা প্রকাশ করে মন্তব্য করেন যে এগুলো দেখার মতো কেউ নেই। এছাড়া অভিনেত্রী মনিরা মিঠু পুরো বিষয়টিকে ‘আতঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং অভিনেতা হারুন রশীদ বান্টি এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও তুলেছেন অনেকে।