ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়ার অপার সম্ভাবনা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে সারা পৃথিবীতে অনেক মানুষ চাকরি হারিয়েছেন, এই সময়েও সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপক সুযোগ আছে বাংলাদেশি তরুণদের। এর জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়তেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করা যে কেউ সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আর এজন্য এক বছর সময় বিনিয়োগ করলেই যথেষ্ট।

সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবরের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ‘সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার’ শীর্ষক ওয়েবিনারের আয়োজন করে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস বিষয়ক জাতীয় কমিটি-২০২১। মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সাইবার প্যারাডাইসের পৃষ্ঠপোষকতায় মাসব্যাপী সচেতনতামূলক এই কর্মসূচি চলছে। শনিবার রাতে আয়োজিত ওয়েবিনার সংগঠনটির ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের (সিসিএ ফাউন্ডেশন) উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফোটেকের প্রধান নির্বাহী শেখ গালিব রহমান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের গ্রুপ হেড অব হিউম্যান রিসোর্সেস আহসানুজ্জামান সুজন ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ইনফরমেশন সিকিউরিটি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট প্রধান কর্মকর্তা সৈয়দ কামরান আহমেদ।

ইউএস ব্যুরো অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সের মতে, তথ্য সুরক্ষা বিশ্লেষকদের চাকরির বাজার ২০২৮ সালের মধ্যে ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এটি দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে একটি। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সাইবার সিকিউরিটি ভেঞ্চারস অনুসন্ধানে পেয়েছে যে, ২০২১ সালে এই খাতে ৩৫ লাখ চাকরি থাকবে। এর মানে হল যে সাইবার নিরাপত্তায় পেশাজীবীরা চাকরির বাজারে বিশ্বজুড়ে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। আগামী বছরগুলোতেও তা বজায় থাকবে।

শেখ গালিব রহমান বলেন, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজের পরিসর ব্যাপক। যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী সাইবার সিকিউরিটি জগতে ২২২ ধরনের কাজে দক্ষতা তৈরির সুযোগ আছে। তাই আগ্রহী তরুণরা যেকোনো একটিকে বেছে নিয়ে নিজের ও পেশাগত উন্নতি ঘটাতে পারেন, দক্ষতা বাড়াতে পারেন এবং ব্যক্তিগত পরিসর আরও বড় করতে পারেন।

আহসানুজ্জামান সুজন বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের চাকরির তথ্য বিষয়ক ওয়েব-পোর্টালগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র কমেছে। কিন্তু বিশেষ কিছু কাজের বেলায় ব্যতিক্রম ছিল। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাত অন্যতম। এই খাতের বিভিন্ন কাজে চাকরির বিজ্ঞপ্তি বরাবরই ভালো সংখ্যক ছিল।

সুজন বলেন, সাইবার সিকিউরিটি খাতে জনশক্তি নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে ঠিকভাবে বুঝাতে পারলে, ঝুঁকির বিষয়গুলো চিহ্নিত করে দিতে পারলে তারাও বিষয়টিতে গুরুত্ব দেবেন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্রমেই বাংলাদেশে বাড়বে।

সৈয়দ কামরান আহমেদ বলেন, সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়তে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়তেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করা যে কেউ সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আর এজন্য এক বছর পরিকল্পিতভাবে কাজে লেগে থাকলে নিজের দক্ষতা এবং ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়ার অপার সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে সারা পৃথিবীতে অনেক মানুষ চাকরি হারিয়েছেন, এই সময়েও সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপক সুযোগ আছে বাংলাদেশি তরুণদের। এর জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়তেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করা যে কেউ সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আর এজন্য এক বছর সময় বিনিয়োগ করলেই যথেষ্ট।

সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবরের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ‘সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার’ শীর্ষক ওয়েবিনারের আয়োজন করে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস বিষয়ক জাতীয় কমিটি-২০২১। মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সাইবার প্যারাডাইসের পৃষ্ঠপোষকতায় মাসব্যাপী সচেতনতামূলক এই কর্মসূচি চলছে। শনিবার রাতে আয়োজিত ওয়েবিনার সংগঠনটির ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের (সিসিএ ফাউন্ডেশন) উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফোটেকের প্রধান নির্বাহী শেখ গালিব রহমান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের গ্রুপ হেড অব হিউম্যান রিসোর্সেস আহসানুজ্জামান সুজন ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ইনফরমেশন সিকিউরিটি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট প্রধান কর্মকর্তা সৈয়দ কামরান আহমেদ।

ইউএস ব্যুরো অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সের মতে, তথ্য সুরক্ষা বিশ্লেষকদের চাকরির বাজার ২০২৮ সালের মধ্যে ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এটি দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে একটি। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সাইবার সিকিউরিটি ভেঞ্চারস অনুসন্ধানে পেয়েছে যে, ২০২১ সালে এই খাতে ৩৫ লাখ চাকরি থাকবে। এর মানে হল যে সাইবার নিরাপত্তায় পেশাজীবীরা চাকরির বাজারে বিশ্বজুড়ে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। আগামী বছরগুলোতেও তা বজায় থাকবে।

শেখ গালিব রহমান বলেন, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজের পরিসর ব্যাপক। যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী সাইবার সিকিউরিটি জগতে ২২২ ধরনের কাজে দক্ষতা তৈরির সুযোগ আছে। তাই আগ্রহী তরুণরা যেকোনো একটিকে বেছে নিয়ে নিজের ও পেশাগত উন্নতি ঘটাতে পারেন, দক্ষতা বাড়াতে পারেন এবং ব্যক্তিগত পরিসর আরও বড় করতে পারেন।

আহসানুজ্জামান সুজন বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের চাকরির তথ্য বিষয়ক ওয়েব-পোর্টালগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র কমেছে। কিন্তু বিশেষ কিছু কাজের বেলায় ব্যতিক্রম ছিল। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাত অন্যতম। এই খাতের বিভিন্ন কাজে চাকরির বিজ্ঞপ্তি বরাবরই ভালো সংখ্যক ছিল।

সুজন বলেন, সাইবার সিকিউরিটি খাতে জনশক্তি নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে ঠিকভাবে বুঝাতে পারলে, ঝুঁকির বিষয়গুলো চিহ্নিত করে দিতে পারলে তারাও বিষয়টিতে গুরুত্ব দেবেন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্রমেই বাংলাদেশে বাড়বে।

সৈয়দ কামরান আহমেদ বলেন, সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার গড়তে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়তেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করা যে কেউ সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আর এজন্য এক বছর পরিকল্পিতভাবে কাজে লেগে থাকলে নিজের দক্ষতা এবং ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।