ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

সোনার বাংলা তৈরিতে পাশে থাকবে চীন: শি জিনপিং

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সোনার বাংলা তৈরিতে চীন সমসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যেকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সবসময়ই বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশি রাষ্ট্র। ঐতিহাসিক সিল্ক রোড বছরের পর বছর ধরে দু’দেশের সেই সুসম্পর্কের সাক্ষী হয়ে আছে। ৪৬ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কে আমরা উভয়েই উভয়ের প্রতি সর্বদা সম্মান এবং সমতার সঙ্গে আচরণ করে আসছি। আমরা একে অপরকে সমর্থন করেছি এবং উন্নয়নের পথে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি। সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে চীন সঙ্গী হতে পারে। বেল্ট অ্যান্ড রোড কো-অপারেশনে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে থেকে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশও বাংলাদেশ।

পৌনে ৬ মিনিটের ভিডিও বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি করোনা মহামারির মধ্যে উভয় দেশের প্রতি উভয় দেশের সাহায্য সহযোগিতার বিষয়গুলোও তুলে ধরেন। ভবিষ্যতেও উভয় দেশের মধ্যে এমন আন্তরিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন শি জিনপিং।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের অনুষ্ঠান ‘মুজিব চিরন্তন’ শুরু হয়। বুধবার বিকাল সাড়ে চারটায় শত শিশুর কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ এবং ফার্স্ট লেডি ফাজনা আহমেদ। এছাড়া উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম প্রমুখ। সঞ্চালনা করছেন আসাদুজ্জামান নূর।

অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বন্ধুত্ব আর সমতার। এটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের দীর্ঘদিনের ভালো একজন বন্ধু ছিলেন বলে ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। শি জিনপিং বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান চীনের খুবই পুরনো এবং ভালো একজন বন্ধু ছিলেন। ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে চীন সফরকালে মাও সেতুং সহ সেসময় অন্যান্য শীর্ষ চীনা নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করেছেন। আমরা কখনই আমাদের পূর্বসূরিদের ভুলবো না। তারা দু’দেশের মধ্যেকার সুসম্পর্কের যে ভীত তৈরি করে দিয়ে গেছেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তা নতুন প্রজন্মকে বুঝিয়ে দেওয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সোনার বাংলা তৈরিতে পাশে থাকবে চীন: শি জিনপিং

আপডেট সময় ১১:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সোনার বাংলা তৈরিতে চীন সমসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যেকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সবসময়ই বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশি রাষ্ট্র। ঐতিহাসিক সিল্ক রোড বছরের পর বছর ধরে দু’দেশের সেই সুসম্পর্কের সাক্ষী হয়ে আছে। ৪৬ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কে আমরা উভয়েই উভয়ের প্রতি সর্বদা সম্মান এবং সমতার সঙ্গে আচরণ করে আসছি। আমরা একে অপরকে সমর্থন করেছি এবং উন্নয়নের পথে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি। সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে চীন সঙ্গী হতে পারে। বেল্ট অ্যান্ড রোড কো-অপারেশনে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে থেকে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশও বাংলাদেশ।

পৌনে ৬ মিনিটের ভিডিও বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি করোনা মহামারির মধ্যে উভয় দেশের প্রতি উভয় দেশের সাহায্য সহযোগিতার বিষয়গুলোও তুলে ধরেন। ভবিষ্যতেও উভয় দেশের মধ্যে এমন আন্তরিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন শি জিনপিং।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের অনুষ্ঠান ‘মুজিব চিরন্তন’ শুরু হয়। বুধবার বিকাল সাড়ে চারটায় শত শিশুর কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ এবং ফার্স্ট লেডি ফাজনা আহমেদ। এছাড়া উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম প্রমুখ। সঞ্চালনা করছেন আসাদুজ্জামান নূর।

অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বন্ধুত্ব আর সমতার। এটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের দীর্ঘদিনের ভালো একজন বন্ধু ছিলেন বলে ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। শি জিনপিং বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান চীনের খুবই পুরনো এবং ভালো একজন বন্ধু ছিলেন। ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে চীন সফরকালে মাও সেতুং সহ সেসময় অন্যান্য শীর্ষ চীনা নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করেছেন। আমরা কখনই আমাদের পূর্বসূরিদের ভুলবো না। তারা দু’দেশের মধ্যেকার সুসম্পর্কের যে ভীত তৈরি করে দিয়ে গেছেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তা নতুন প্রজন্মকে বুঝিয়ে দেওয়া।