ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর, ক্রসফায়ার নিয়ে

কমিউনিটি ব্যাংকের চকবাজার ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের করা একটি মন্তব্য নিয়ে সৃষ্ট আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সোমবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা জানায়, আইন প্রয়োগে দৃঢ়তা বোঝাতে গিয়ে আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে ব্যবহার করেছিলেন। এটি কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা আইনবহির্ভূত শাস্তির ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেননি।

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে অপরাধ দমন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৭০ জন। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইজিপি তার বক্তব্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেফতার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের কখনো কখনো অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী ও আইন অমান্যকারীদের সরাসরি আক্রমণ ও প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১ অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার আইনগত অধিকার রয়েছে। এছাড়া, ওই একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে দেওয়া আইজিপির মন্তব্য নিয়েও যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সাংবাদিকদের নিয়ে তিনি ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি, বিষয়টি পুরোপুরি অসাবধানতাবশত ঘটেছে।

মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রেখে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে পুনরায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান ও আইনি অবস্থান সম্পর্কে এই ব্যাখ্যাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ২

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর, ক্রসফায়ার নিয়ে

আপডেট সময় ০৯:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

কমিউনিটি ব্যাংকের চকবাজার ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের করা একটি মন্তব্য নিয়ে সৃষ্ট আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সোমবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা জানায়, আইন প্রয়োগে দৃঢ়তা বোঝাতে গিয়ে আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে ব্যবহার করেছিলেন। এটি কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা আইনবহির্ভূত শাস্তির ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেননি।

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে অপরাধ দমন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৭০ জন। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইজিপি তার বক্তব্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেফতার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের কখনো কখনো অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী ও আইন অমান্যকারীদের সরাসরি আক্রমণ ও প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১ অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার আইনগত অধিকার রয়েছে। এছাড়া, ওই একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে দেওয়া আইজিপির মন্তব্য নিয়েও যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সাংবাদিকদের নিয়ে তিনি ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি, বিষয়টি পুরোপুরি অসাবধানতাবশত ঘটেছে।

মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রেখে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে পুনরায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান ও আইনি অবস্থান সম্পর্কে এই ব্যাখ্যাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।