ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক গ্রেপ্তার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় পলাতক সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাবা জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যুর কারণে সকালে শাহজালালে নামেন রন হক সিকদার। জয়নুল হক বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প গোষ্ঠী সিকদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান। গত বুধবার দুপুরে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

বাবার মৃত্যুর কারণে শাহজালালে নামার পরেই ডিবির গুলশান বিভাগের একটি দল রন হককে গ্রেপ্তার করে।

ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার গোলাম সাকলায়েন গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংকের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত বছরের ২৬ মে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৭ মে ঋণের জন্য বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া অভিযুক্ত দুই ভাই বিদেশি নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে এক্সিম ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলশানের একটি বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন এবং সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়।

এ ঘটনায় করা মামলার পর গত বছরের ২৫ মে সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার থাইল্যান্ডের ব্যাংকক পালিয়ে যায়। সকালে বাবার মৃত্যুর কারণে ঢাকায় আসলে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রন হক সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় পলাতক সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাবা জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যুর কারণে সকালে শাহজালালে নামেন রন হক সিকদার। জয়নুল হক বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প গোষ্ঠী সিকদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান। গত বুধবার দুপুরে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

বাবার মৃত্যুর কারণে শাহজালালে নামার পরেই ডিবির গুলশান বিভাগের একটি দল রন হককে গ্রেপ্তার করে।

ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার গোলাম সাকলায়েন গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংকের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত বছরের ২৬ মে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৭ মে ঋণের জন্য বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া অভিযুক্ত দুই ভাই বিদেশি নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে এক্সিম ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলশানের একটি বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন এবং সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়।

এ ঘটনায় করা মামলার পর গত বছরের ২৫ মে সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার থাইল্যান্ডের ব্যাংকক পালিয়ে যায়। সকালে বাবার মৃত্যুর কারণে ঢাকায় আসলে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রন হক সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।