ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মাগুরায় স্বর্ণ লুট ও যুবদল নেতা সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সাতজন আটক

মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন নিহতের ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। এ মামলায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বর্ণ লুটের একটি বড় ঘটনার সূত্র ধরে আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। মাগুরা পুলিশ লাইনসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন (৩৬) হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত পুলিশ পরিচয় দিয়ে একটি যাত্রীবাহী পরিবহনে অভিযান চালায়। এ সময় তারা ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তের এক পর্যায়ে লুণ্ঠিত স্বর্ণ ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারুফ এবং সাকের হোসেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় সাকেরকে হত্যা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন থেকে পুলিশ পরিচয়ে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল ১৫০ ভরি স্বর্ণ (আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে স্বর্ণ ডাকাতির মামলার তদন্তে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই সাতজন হলেন মো. জুয়েল হোসেন, তৌকির আহমেদ, মো. ফরিদ মন্ডল, মো. মিল্টন মোল্যা, মারুফা আক্তার, মো. গোলাম জাহিদ ও মো. মারুফ হোসেন। এসময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ও একটি খণ্ডিত স্বর্ণের বার, দুটি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন হলেন—মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মন্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও মো. মারুফ হোসেন (৪৪)।

পৃথক সাকের হোসেন হত্যা মামলায় রনি শিকদার, শামীমা তাবাসসুম, অনিমেষ মজুমদার, মো. মারুফ হোসেন, মো. গোলাম জাহিদ ও বশির আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত সাকের হোসেন পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী শারমিন্নাহার রুমা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় অস্ত্র ও হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মূল শুটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেন (৪৪), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও বশির আলী। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা কোচ: ফারহানের জার্সি আমার, হামজারটার জন্য বাকিরা মারামারি করুক

মাগুরায় স্বর্ণ লুট ও যুবদল নেতা সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সাতজন আটক

আপডেট সময় ১১:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন নিহতের ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। এ মামলায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বর্ণ লুটের একটি বড় ঘটনার সূত্র ধরে আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। মাগুরা পুলিশ লাইনসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন (৩৬) হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত পুলিশ পরিচয় দিয়ে একটি যাত্রীবাহী পরিবহনে অভিযান চালায়। এ সময় তারা ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তের এক পর্যায়ে লুণ্ঠিত স্বর্ণ ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারুফ এবং সাকের হোসেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় সাকেরকে হত্যা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন থেকে পুলিশ পরিচয়ে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল ১৫০ ভরি স্বর্ণ (আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে স্বর্ণ ডাকাতির মামলার তদন্তে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই সাতজন হলেন মো. জুয়েল হোসেন, তৌকির আহমেদ, মো. ফরিদ মন্ডল, মো. মিল্টন মোল্যা, মারুফা আক্তার, মো. গোলাম জাহিদ ও মো. মারুফ হোসেন। এসময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ও একটি খণ্ডিত স্বর্ণের বার, দুটি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন হলেন—মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মন্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও মো. মারুফ হোসেন (৪৪)।

পৃথক সাকের হোসেন হত্যা মামলায় রনি শিকদার, শামীমা তাবাসসুম, অনিমেষ মজুমদার, মো. মারুফ হোসেন, মো. গোলাম জাহিদ ও বশির আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত সাকের হোসেন পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী শারমিন্নাহার রুমা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় অস্ত্র ও হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মূল শুটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেন (৪৪), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও বশির আলী। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।