ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

বাংলাদেশে সুইস বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে সুইজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একটা যুব সমাজ আছে, যারা কাজে অত্যন্ত দক্ষ। সুইজারল্যান্ড যদি এখানে আরও বেশি বিনিয়োগ করে তবে উভয় দেশই লাভবান হবে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ, উদার বিনিয়োগ নীতি, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো সুবিধাসহ অন্যান্য সুযোগের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের জনসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বড় জনশক্তি রয়েছে। বিভিন্ন রকম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এই জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যাতে এই জনসম্পদকে দেশের উন্নয়নে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।

বিনিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত হয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ বলেন, এখানে আরও সুযোগ রয়েছে, আরও বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

মানব দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহ তারা লক্ষ্য করেছে। দক্ষতা উন্নয়নে তারা বাংলাদেশ সরকারকে সব রকম সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সবরকম সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশকে যতরকম সহায়তা দেওয়া সম্ভব তারা সে চেষ্টা করবে।

বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে সুইস রাষ্ট্রদূত জানান, সংকটময় সময়ও বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে তিনি মুগ্ধ। করোনার কারণে তিনি বাংলাদেশ ঘুরে দেখতে পারেননি জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রথম সুযোগে বাংলাদেশের সৌন্দর্য ঘুরে দেখতে তিনি আগ্রহী।

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নিজের সামর্থ্যে পদ্মা ব্রিজ তৈরি করছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যে যোগাযোগ সৃষ্টি হবে সেটা সরাসরি আমাদের জিডিপিতে অবদান রাখবে।

ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর প্রভাব দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পড়তে শুরু করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যেমন সোলার প্যানেল বসানো, অবকাঠামোসহ গ্রামে গ্রামে উন্নয়ন শুরু হয়েছে।

গ্রামীণ মানুষের উন্নয়নসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই ধরনের যেকোন কাজে সুইস সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত, সবার জন্য আবাসন, সবার জন্য খাদ্যের ব্যবস্থাসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশের সফলতার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে তার প্রশংসা করেন সুইস রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত হতে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে তার প্রশংসা করেন তিনি। ভিশন ২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান -২১০০ বাস্তবায়নে সুইজারল্যান্ড সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলে জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।

১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুইজারল্যান্ড সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি নিজেও সেই সফরে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন। সুইজারল্যান্ড সফরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিত নারীদের চিকিৎসায় সুইজারল্যান্ড থেকে ডাক্তার এবং নার্সের ব্যবস্থা করেছিলেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রনীতি বঙ্গবন্ধুকে আকৃষ্ট করেছিল সে কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা এবং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- সুইজারল্যান্ডের এই দর্শন বঙ্গবন্ধুকে আকৃষ্ট করেছিল। তিনি বলতেন তার লক্ষ্য বাংলাদেশকে সুইজারল্যান্ড অব দ্য ইস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের ভৌগলিক সাদৃশ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগলিকভাবে সুইজারল্যান্ডের অবস্থান ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে এবং একইরকমভাবে বাংলাদেশের জিওগ্র্যাফিক্যাল অবস্থান দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে। বিভিন্ন দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের মিল আছে।

বাংলাদেশ সুইজার‌ল্যান্ডের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশকে স্বাগত জানান এবং দায়িত্বপালনে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার সেবা চালু

বাংলাদেশে সুইস বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আপডেট সময় ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে সুইজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একটা যুব সমাজ আছে, যারা কাজে অত্যন্ত দক্ষ। সুইজারল্যান্ড যদি এখানে আরও বেশি বিনিয়োগ করে তবে উভয় দেশই লাভবান হবে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ, উদার বিনিয়োগ নীতি, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো সুবিধাসহ অন্যান্য সুযোগের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের জনসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বড় জনশক্তি রয়েছে। বিভিন্ন রকম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এই জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যাতে এই জনসম্পদকে দেশের উন্নয়নে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।

বিনিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত হয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ বলেন, এখানে আরও সুযোগ রয়েছে, আরও বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

মানব দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহ তারা লক্ষ্য করেছে। দক্ষতা উন্নয়নে তারা বাংলাদেশ সরকারকে সব রকম সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সবরকম সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশকে যতরকম সহায়তা দেওয়া সম্ভব তারা সে চেষ্টা করবে।

বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে সুইস রাষ্ট্রদূত জানান, সংকটময় সময়ও বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে তিনি মুগ্ধ। করোনার কারণে তিনি বাংলাদেশ ঘুরে দেখতে পারেননি জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রথম সুযোগে বাংলাদেশের সৌন্দর্য ঘুরে দেখতে তিনি আগ্রহী।

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নিজের সামর্থ্যে পদ্মা ব্রিজ তৈরি করছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যে যোগাযোগ সৃষ্টি হবে সেটা সরাসরি আমাদের জিডিপিতে অবদান রাখবে।

ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর প্রভাব দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পড়তে শুরু করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যেমন সোলার প্যানেল বসানো, অবকাঠামোসহ গ্রামে গ্রামে উন্নয়ন শুরু হয়েছে।

গ্রামীণ মানুষের উন্নয়নসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই ধরনের যেকোন কাজে সুইস সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত, সবার জন্য আবাসন, সবার জন্য খাদ্যের ব্যবস্থাসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশের সফলতার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে তার প্রশংসা করেন সুইস রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত হতে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে তার প্রশংসা করেন তিনি। ভিশন ২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান -২১০০ বাস্তবায়নে সুইজারল্যান্ড সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলে জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।

১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুইজারল্যান্ড সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি নিজেও সেই সফরে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন। সুইজারল্যান্ড সফরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিত নারীদের চিকিৎসায় সুইজারল্যান্ড থেকে ডাক্তার এবং নার্সের ব্যবস্থা করেছিলেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রনীতি বঙ্গবন্ধুকে আকৃষ্ট করেছিল সে কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা এবং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- সুইজারল্যান্ডের এই দর্শন বঙ্গবন্ধুকে আকৃষ্ট করেছিল। তিনি বলতেন তার লক্ষ্য বাংলাদেশকে সুইজারল্যান্ড অব দ্য ইস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের ভৌগলিক সাদৃশ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগলিকভাবে সুইজারল্যান্ডের অবস্থান ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে এবং একইরকমভাবে বাংলাদেশের জিওগ্র্যাফিক্যাল অবস্থান দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে। বিভিন্ন দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের মিল আছে।

বাংলাদেশ সুইজার‌ল্যান্ডের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশকে স্বাগত জানান এবং দায়িত্বপালনে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।