ট্রাভেল পারমিট ও এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন ১০ বাংলাদেশি নাগরিক। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হরিদাসপুর ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন, হরিদাসপুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে চলতি বছরের ১৭ আগস্ট ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিট এবং মুম্বাইয়ের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে গত ২৭ অক্টোবর দেওয়া এক্সিট পারমিটের ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারত থেকে প্রত্যাবর্তনের পর তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন, হরিদাসপুর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, নয়াদিল্লি থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিট এবং মুম্বাইয়ের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে ২।
প্রত্যাবাসন করা বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন নড়াইল সদরের মির্জাপুর গ্রামের সাবিনা বেগম, কালিয়ার সুকতের নূর বানু, যশোরের অভয়নগরের রানাগাতির টুম্পা বেগম, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের কালিকাপুরের হালিমা, ফরিদপুরের সাঁথিয়ার ছোট বাহিরদিয়ার তন্নী আক্তার, কুমিল্লার হোমনার দরী ভাসানিয়ার আফরিন আক্তার। তালিকায় আরও রয়েছেন যশোরের অভয়নগরের ভূগলহাটের জান্নাতি, নরসিংদী সদরের চিনিশপুরের সামিয়া আক্তার শান্তা, খুলনার তেরখাদার দক্ষিণ মোকামপুরের শিরিনা খাতুন এবং নড়াইলের লোহাগড়ার নওয়াপাড়ার সুমি খাতুন।
প্রত্যাবাসনসংক্রান্ত সরকারি নথিপত্রে তাদের বিস্তারিত পরিচিতি ও নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে নিজ নিজ পরিবারের কাছে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রত্যাবাসনসংক্রান্ত নথিতে তাদের নাম ও পরিচয় একাধিক নামসহ উল্লেখ করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















