ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফিরে এলো বাজাজের ছোট পালসার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আবার বাজারে এলো বাজাজের ছোট পালসার খ্যাত ১৩৫ এলএস। লেজার এজ ভার্সনে এটি ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বাজাজ অটোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে মোটরসাইকেলটি শোভা পাচ্ছে।

আগের ভার্সনের চেয়ে নতুন ভার্সনে বেশ কিছু নতুনত্ব যোগ করা হয়েছে। বিশেষ করে এর গ্রাফিক্সে রয়েছে লেজার এজ। যেমনটা দেখা যাচ্ছে পালসারের ১৫০ লেজার এজ ভার্সনে। তবে ইঞ্জিন ঠিক আগের মতই আছে। পালসারের জন্মভূমি ভারতে এটি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এখনও এর দেখা মেলেনি বাংলাদেশে।

২০০৯ সালে প্রথম বাজারে আসে পালসার ১৩৫ এলএস। এটি বাজারে আসার সঙ্গে তরুণদের মন জয় করে নেয়। তরুণরা বাইকটি লুফে নেয়। বিশেষ করে এর স্পোর্টি লুকের সঙ্গে নেকেড বাইকের মিল থাকায় এটি সবার নজর কাড়ে।

বাজাজ পালসারের লাইট ভার্সন ১৩৫ এলএস ভারতের প্রথম বাইক যেটাতে সংযোজন করা হয় ফোর ভাল্ব ডিটিএস-আই টেকনোলজি। এর ইঞ্জিনে বড় দুই ভাল্বের চেয়ে ছোট আকারের চারটি ভাল্ব যোগ করা হয়।

বাজাজের অ্যাগ্রেসিভ এই বাইকটির মাইলেজও অসাধারণ। এতে প্রতি লিটার জ্বালানিতে ৬৮.৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যায়। বাইকটির ওজন মাত্র ১২২ কেজি।

নতুন ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস-এ যোগ করা হয়েছে বিএস ফোর ইঞ্জিন। যা জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ বান্ধবও। ০ শুন্য থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি তুলতে বাইকটির সময় লাগে মাত্র ৫.১ সেকেন্ডে।

চারটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে পালসার ১৩৫ এলএস। এগুলো হলো ক্রোম ব্ল্যাক, লেজার ব্ল্যাক, ডাইনো রেড এবং নিউক্লিয়ার ব্লু।

লেজার এজ ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস আগের চেয়ে আরো বেশি মসৃণ গতিতে সড়কে চলবে। এর গিয়ার শিফটিংও হবে মসৃণ গতিতে।

সিঙ্গেল সিটের বাইকটিতে টো গিয়ার শিফটার সংযোজন করা হয়েছে। এই এডিশনে আগের ভার্সনের চেয়ে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে। গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিলিমিটার। এর গ্রাব রেইল আরোহীকে রাখবে নিরাপদ।

বাজাজ দাবি করছে নতুন ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস এ আগের ভার্সনের চেয়ে ভালো কন্ট্রোলিং ও ব্রেকিং পারফরমেন্স পাওয়া যাবে। এতে ২৪০ মিলিমিটারের ভেনটিলেটেড ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে। রিয়ারে আছে ড্রাম ব্রেক।

প্রিমিয়াম ডিজাইনে তৈরি এই বাইকটি ইঞ্জিনে গান মেটাল দেয়া হয়েছে। এর অ্যালয় হুইল দুটিতে আকর্ষণীয় রঙের প্রলেপ দেয়া হয়েছে।

বাইকটির ফ্রন্টে স্টাইলিশ হেডলাইট এবং টুইন পাইন পাইলট ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। পেছনে আছে এলইডি টেইল ল্যাম্প।

পালসার ১২৫ এলএস এ সংযোজন করা হয়েছে ১৩৪.৬৬ সিসির ডিটিএসআই ইঞ্জিন। সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিনের ম্যাক্স পাওয়ার ১৩.৩ বিএইচপি@৯০০০ আরপিএম। টর্ক ১১.৪ এনএম@৭৫০০আরপিএম। ৫ স্পিড গিয়ার ট্রান্সমিশনের এই বাইকটিতে ৮ লিটার জ্বালানি ধরে।

ভারতে পালসার ১৬০ এলএস বিক্রি হচ্ছে ৬২ হাজার ১৪৪ রুপিতে। এটি বাংলাদেশের বাজারে আবার আসবে কি না সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না বাজাজের দেশীয় পরিবেশ উত্তরা মোর্টস লিমিটেড।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফিরে এলো বাজাজের ছোট পালসার

আপডেট সময় ১১:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আবার বাজারে এলো বাজাজের ছোট পালসার খ্যাত ১৩৫ এলএস। লেজার এজ ভার্সনে এটি ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বাজাজ অটোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে মোটরসাইকেলটি শোভা পাচ্ছে।

আগের ভার্সনের চেয়ে নতুন ভার্সনে বেশ কিছু নতুনত্ব যোগ করা হয়েছে। বিশেষ করে এর গ্রাফিক্সে রয়েছে লেজার এজ। যেমনটা দেখা যাচ্ছে পালসারের ১৫০ লেজার এজ ভার্সনে। তবে ইঞ্জিন ঠিক আগের মতই আছে। পালসারের জন্মভূমি ভারতে এটি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এখনও এর দেখা মেলেনি বাংলাদেশে।

২০০৯ সালে প্রথম বাজারে আসে পালসার ১৩৫ এলএস। এটি বাজারে আসার সঙ্গে তরুণদের মন জয় করে নেয়। তরুণরা বাইকটি লুফে নেয়। বিশেষ করে এর স্পোর্টি লুকের সঙ্গে নেকেড বাইকের মিল থাকায় এটি সবার নজর কাড়ে।

বাজাজ পালসারের লাইট ভার্সন ১৩৫ এলএস ভারতের প্রথম বাইক যেটাতে সংযোজন করা হয় ফোর ভাল্ব ডিটিএস-আই টেকনোলজি। এর ইঞ্জিনে বড় দুই ভাল্বের চেয়ে ছোট আকারের চারটি ভাল্ব যোগ করা হয়।

বাজাজের অ্যাগ্রেসিভ এই বাইকটির মাইলেজও অসাধারণ। এতে প্রতি লিটার জ্বালানিতে ৬৮.৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যায়। বাইকটির ওজন মাত্র ১২২ কেজি।

নতুন ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস-এ যোগ করা হয়েছে বিএস ফোর ইঞ্জিন। যা জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ বান্ধবও। ০ শুন্য থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি তুলতে বাইকটির সময় লাগে মাত্র ৫.১ সেকেন্ডে।

চারটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে পালসার ১৩৫ এলএস। এগুলো হলো ক্রোম ব্ল্যাক, লেজার ব্ল্যাক, ডাইনো রেড এবং নিউক্লিয়ার ব্লু।

লেজার এজ ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস আগের চেয়ে আরো বেশি মসৃণ গতিতে সড়কে চলবে। এর গিয়ার শিফটিংও হবে মসৃণ গতিতে।

সিঙ্গেল সিটের বাইকটিতে টো গিয়ার শিফটার সংযোজন করা হয়েছে। এই এডিশনে আগের ভার্সনের চেয়ে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে। গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিলিমিটার। এর গ্রাব রেইল আরোহীকে রাখবে নিরাপদ।

বাজাজ দাবি করছে নতুন ভার্সনের পালসার ১৩৫ এলএস এ আগের ভার্সনের চেয়ে ভালো কন্ট্রোলিং ও ব্রেকিং পারফরমেন্স পাওয়া যাবে। এতে ২৪০ মিলিমিটারের ভেনটিলেটেড ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে। রিয়ারে আছে ড্রাম ব্রেক।

প্রিমিয়াম ডিজাইনে তৈরি এই বাইকটি ইঞ্জিনে গান মেটাল দেয়া হয়েছে। এর অ্যালয় হুইল দুটিতে আকর্ষণীয় রঙের প্রলেপ দেয়া হয়েছে।

বাইকটির ফ্রন্টে স্টাইলিশ হেডলাইট এবং টুইন পাইন পাইলট ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। পেছনে আছে এলইডি টেইল ল্যাম্প।

পালসার ১২৫ এলএস এ সংযোজন করা হয়েছে ১৩৪.৬৬ সিসির ডিটিএসআই ইঞ্জিন। সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিনের ম্যাক্স পাওয়ার ১৩.৩ বিএইচপি@৯০০০ আরপিএম। টর্ক ১১.৪ এনএম@৭৫০০আরপিএম। ৫ স্পিড গিয়ার ট্রান্সমিশনের এই বাইকটিতে ৮ লিটার জ্বালানি ধরে।

ভারতে পালসার ১৬০ এলএস বিক্রি হচ্ছে ৬২ হাজার ১৪৪ রুপিতে। এটি বাংলাদেশের বাজারে আবার আসবে কি না সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না বাজাজের দেশীয় পরিবেশ উত্তরা মোর্টস লিমিটেড।