ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

উত্তর প্রদেশে বিজেপি নেতাদের ক্ষোভ ভুলে এক থাকার আহ্বান অমিত শাহর

ভারতে আগামী বছরের শুরুতে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগেই রাজ্যে দলীয় কোন্দল ও শরিকদের অসন্তোষ সামলাতে মাঠে নেমেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত শুক্রবার লক্ষ্ণৌতে রাজ্যের সব জেলার প্রায় আড়াই হাজার দলীয় নেতার উপস্থিতিতে এক সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ ভুলে এক হয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন অমিত শাহ। এ অবস্থায় দলীয় অসন্তোষ দূর করতেই অমিত শাহকে তৎপর হতে হয়েছে।

সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, সবার সব ইচ্ছা বা আশা পূরণ হয় না এবং সবাই সবকিছু পান না। এতে মনে অসন্তোষ বা হতাশা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু দল ছেড়ে বের হওয়ার পর সেই মান-অভিমান গোমতী নদীর জলে বিসর্জন দেওয়া উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো একক নেতার পক্ষে সবাইকে নির্বাচনে জেতানো সম্ভব নয়; বরং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিশ্রমই জয় নিশ্চিত করে। তাই এই মুহূর্তে বিজেপির জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকা সবচেয়ে জরুরি। শাহ বলেন, কোনো নেতাই একা সবাইকে জেতাতে পারেন না। কিন্তু দলের স্বার্থে এখান থেকে বেরোনোর পর তা গোমতীর জলে বিসর্জন দিন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রাজ্যের বিধান পরিষদের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব আসন বারানসির দুটি আসনেই হেরে গেছে দলটি। ওই দুটি আসনসহ মোট পাঁচটি আসনে জয়লাভ করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (এসপি)। বারানসি ছাড়াও এলাহাবাদ, লক্ষ্ণৌ ও আগ্রার আসনে জয় পায় এসপি। শিক্ষক ও স্নাতকরাই ছিলেন এই নির্বাচনের মূল ভোটার। শিক্ষিত যুবসমাজের এই বিমুখতা এবং সারাদেশে ‘ভোটচুরি’র বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের প্রভাবে বিজেপি শিবিরের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিধানসভার ভোটের আগে এসপির এই ৫ আসনে জয় বিজেপির দুশ্চিন্তার কারণ হয়েছে এই জন্য যে এবারের ভোটাররা ছিলেন শুধু শিক্ষক ও স্নাতকেরা। অর্থাৎ ওই ৫ আসনের শিক্ষিত ভোটাররা বিজেপিকে ত্যাগ করেছেন। কেননা, ‘ভোটচুরি’র বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তার পুরোভাগে রয়েছে শিক্ষিত যুব সমাজ। এবার ভোটের আগে দুই দলেই নতুন ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার ১১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যার ৮টিতেই জিতেছিল বিজেপি। তবে দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এসব আসনে পুরোনোদের বাদ দিয়ে নতুনদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত বিধান পরিষদের ভোটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলীয় এই কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করতে রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

সম্মেলনে অমিত শাহ আশ্বাস দেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পুনরায় সরকার গঠন করতে পারলে রাজ্যটিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বাস্তবায়ন করা হবে। এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই এটি চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। উল্লেখ্য, ভারতে প্রথম ইউসিসি চালু হয় উত্তরাখন্ডে। এরপর গুজরাট, আসাম ও মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় এই বিল পাস হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ, ছাত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানে এটি চালুর প্রস্তুতি চলছে। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে ক্ষমতায় এলেও বিজেপি এতদিন ইউসিসি চালুর পথে হাঁটেনি।

সম্মেলন থেকে বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টিকেও তীব্র আক্রমণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসপি প্রধান অখিলেশ যাদবকে উদ্দেশ্য করে তিনি দাবি করেন, আগামী ৩০ বছরেও অখিলেশ উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না এবং জনগণ তাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও ক্ষমা করবে না। তবে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ক্ষমতায় থেকেও বিজেপি কেন ইউসিসি রূপায়ণ করতে পারেনি? তিনি বলেন, শুধু দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে ভোটে জেতা যায় না, যার প্রমাণ বিধান পরিষদের ফলাফল।

ভোটের মুখে কেবল অভ্যন্তরীণ কোন্দলই নয়, শরিকি অসন্তোষ নিয়েও চাপে রয়েছে বিজেপি। রাজ্যে তাদের প্রধান তিন শরিক দল হলো নিষাদ পার্টি, সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ও জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোকদল। গত নির্বাচনে নিষাদ পার্টি ১১টি ও সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ৬টি আসনে জয় পেয়েছিল। তবে সম্প্রতি দিল্লির এক সমাবেশে এনডিএর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিষাদ পার্টির প্রধান সঞ্জয় নিষাদ হুমকি দেন, পরিস্থিতি না বদলালে তারা বিকল্প পথ খুঁজবেন। অন্যদিকে ওমপ্রকাশ রাজভরের সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টিতেও বিদ্রোহ ও দলত্যাগের ঘটনা ঘটেছে এবং অনেকেই সমাজবাদী পার্টির দিকে ঝুঁকছেন। নিষাদ পার্টি জেতে ১১ আসনে, সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি পেয়েছিল ৬টি আসন।

পশ্চিম উত্তর প্রদেশের জাট অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রভাব রাখা জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোকদল ২০২২ সালের নির্বাচনে অখিলেশের সঙ্গে জোট বেঁধে ৮টি আসনে জিতেছিল। পরবর্তীতে তারা এনডিএ জোটে যোগ দেয় এবং জয়ন্ত চৌধুরী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারাও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। রাজনৈতিক এই জটিল সমীকরণ ও ভোট বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানেই মূলত উত্তর প্রদেশ সফর করছেন অমিত শাহ।

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামে চাঁদা চেয়ে হুমকি দেওয়া সন্ত্রাসী সাব্বির গ্রেপ্তার

উত্তর প্রদেশে বিজেপি নেতাদের ক্ষোভ ভুলে এক থাকার আহ্বান অমিত শাহর

আপডেট সময় ০৪:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতে আগামী বছরের শুরুতে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগেই রাজ্যে দলীয় কোন্দল ও শরিকদের অসন্তোষ সামলাতে মাঠে নেমেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত শুক্রবার লক্ষ্ণৌতে রাজ্যের সব জেলার প্রায় আড়াই হাজার দলীয় নেতার উপস্থিতিতে এক সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ ভুলে এক হয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন অমিত শাহ। এ অবস্থায় দলীয় অসন্তোষ দূর করতেই অমিত শাহকে তৎপর হতে হয়েছে।

সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, সবার সব ইচ্ছা বা আশা পূরণ হয় না এবং সবাই সবকিছু পান না। এতে মনে অসন্তোষ বা হতাশা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু দল ছেড়ে বের হওয়ার পর সেই মান-অভিমান গোমতী নদীর জলে বিসর্জন দেওয়া উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো একক নেতার পক্ষে সবাইকে নির্বাচনে জেতানো সম্ভব নয়; বরং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিশ্রমই জয় নিশ্চিত করে। তাই এই মুহূর্তে বিজেপির জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকা সবচেয়ে জরুরি। শাহ বলেন, কোনো নেতাই একা সবাইকে জেতাতে পারেন না। কিন্তু দলের স্বার্থে এখান থেকে বেরোনোর পর তা গোমতীর জলে বিসর্জন দিন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রাজ্যের বিধান পরিষদের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব আসন বারানসির দুটি আসনেই হেরে গেছে দলটি। ওই দুটি আসনসহ মোট পাঁচটি আসনে জয়লাভ করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (এসপি)। বারানসি ছাড়াও এলাহাবাদ, লক্ষ্ণৌ ও আগ্রার আসনে জয় পায় এসপি। শিক্ষক ও স্নাতকরাই ছিলেন এই নির্বাচনের মূল ভোটার। শিক্ষিত যুবসমাজের এই বিমুখতা এবং সারাদেশে ‘ভোটচুরি’র বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের প্রভাবে বিজেপি শিবিরের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিধানসভার ভোটের আগে এসপির এই ৫ আসনে জয় বিজেপির দুশ্চিন্তার কারণ হয়েছে এই জন্য যে এবারের ভোটাররা ছিলেন শুধু শিক্ষক ও স্নাতকেরা। অর্থাৎ ওই ৫ আসনের শিক্ষিত ভোটাররা বিজেপিকে ত্যাগ করেছেন। কেননা, ‘ভোটচুরি’র বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তার পুরোভাগে রয়েছে শিক্ষিত যুব সমাজ। এবার ভোটের আগে দুই দলেই নতুন ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার ১১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যার ৮টিতেই জিতেছিল বিজেপি। তবে দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এসব আসনে পুরোনোদের বাদ দিয়ে নতুনদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত বিধান পরিষদের ভোটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলীয় এই কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করতে রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

সম্মেলনে অমিত শাহ আশ্বাস দেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পুনরায় সরকার গঠন করতে পারলে রাজ্যটিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বাস্তবায়ন করা হবে। এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই এটি চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। উল্লেখ্য, ভারতে প্রথম ইউসিসি চালু হয় উত্তরাখন্ডে। এরপর গুজরাট, আসাম ও মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় এই বিল পাস হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ, ছাত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানে এটি চালুর প্রস্তুতি চলছে। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে ক্ষমতায় এলেও বিজেপি এতদিন ইউসিসি চালুর পথে হাঁটেনি।

সম্মেলন থেকে বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টিকেও তীব্র আক্রমণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসপি প্রধান অখিলেশ যাদবকে উদ্দেশ্য করে তিনি দাবি করেন, আগামী ৩০ বছরেও অখিলেশ উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না এবং জনগণ তাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও ক্ষমা করবে না। তবে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ক্ষমতায় থেকেও বিজেপি কেন ইউসিসি রূপায়ণ করতে পারেনি? তিনি বলেন, শুধু দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে ভোটে জেতা যায় না, যার প্রমাণ বিধান পরিষদের ফলাফল।

ভোটের মুখে কেবল অভ্যন্তরীণ কোন্দলই নয়, শরিকি অসন্তোষ নিয়েও চাপে রয়েছে বিজেপি। রাজ্যে তাদের প্রধান তিন শরিক দল হলো নিষাদ পার্টি, সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ও জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোকদল। গত নির্বাচনে নিষাদ পার্টি ১১টি ও সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ৬টি আসনে জয় পেয়েছিল। তবে সম্প্রতি দিল্লির এক সমাবেশে এনডিএর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিষাদ পার্টির প্রধান সঞ্জয় নিষাদ হুমকি দেন, পরিস্থিতি না বদলালে তারা বিকল্প পথ খুঁজবেন। অন্যদিকে ওমপ্রকাশ রাজভরের সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টিতেও বিদ্রোহ ও দলত্যাগের ঘটনা ঘটেছে এবং অনেকেই সমাজবাদী পার্টির দিকে ঝুঁকছেন। নিষাদ পার্টি জেতে ১১ আসনে, সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি পেয়েছিল ৬টি আসন।

পশ্চিম উত্তর প্রদেশের জাট অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রভাব রাখা জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোকদল ২০২২ সালের নির্বাচনে অখিলেশের সঙ্গে জোট বেঁধে ৮টি আসনে জিতেছিল। পরবর্তীতে তারা এনডিএ জোটে যোগ দেয় এবং জয়ন্ত চৌধুরী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারাও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। রাজনৈতিক এই জটিল সমীকরণ ও ভোট বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানেই মূলত উত্তর প্রদেশ সফর করছেন অমিত শাহ।