ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মিরপুরে কেন যাবেন ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়ামে?

রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বরের হাজী কুজরাত আলী মোল্লা মার্কেটের চতুর্থ তলায় চালু হয়েছে নতুন এক বিনোদনকেন্দ্র, যার নাম ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম। বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইমারসিভ এবং অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা এই কেন্দ্রটি অল্প সময়ের মধ্যেই বিনোদনপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলেও এতে আছে নানা ধরনের গেম ও অ্যাক্টিভিটি সেগমেন্ট, যা একে অন্য যেকোনো বিনোদনকেন্দ্র থেকে আলাদা করে তুলেছে। এমন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে মিরপুর ১২ নম্বরে অবস্থিত সদ্য চালু হওয়া চিত্তবিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা। উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় ইতিমধ্যে ওয়াওজা রাজধানীবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বেশ কয়েকজন তরুণের সম্মিলিত উদ্যোগ এই ওয়াওজা। এমন নানা উদ্যোগ এখন দেশে দেখা গেলেও এই তরুণদের মতে, ওয়াওজা সেসব থেকে আলাদা। সত্যি বলতে এখানেও ভিন্নতা এনেছে ওয়াওজা।

ওয়াওজার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হৃদয় চৌধুরী জানান, দুই বছরের শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সী মানুষের জন্যই এখানে বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাদের এই উদ্যোগটি অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম, পারস্পেকটিভ আর্ট এবং গেমিং জোন—এই তিন ভাগে সাজানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল স্লোগান হলো ‘এক্সপেরিয়েন্স দ্য আনরিয়েল’।

বিনোদনকেন্দ্রটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ‘ভর্টেক্স টানেল’। অন্ধকার সুড়ঙ্গের চারপাশ জুড়ে লাল-নীল আলোর খেলায় এমন এক আবহ তৈরি করা হয়, যাতে মনে হয় পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে এবং চারপাশ ঘুরছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ‘টিল্ট রুম’, যেখানে চাঁদের মাটিতে হাঁটার মতো অনুভূতি পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা রয়েছে, ভবিষ্যতে এই অভিজ্ঞতাকে আরও জীবন্ত করতে নভোচারীদের পোশাক যুক্ত করার। ধরুন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু আপনার পায়ের নিচের মাটি নিজ থেকেই সরে যাচ্ছে, মনে হতে পারে এ কী করে সম্ভব। এই ভেবে যখন দু কদম যাবেন, ঠিক তখনই নিজেকে আবিষ্কার করলেন চাঁদের মাটিতে। আরেকটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলেন আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে হুবহু আরও কয়েকখানা আপনি। মনে হতেই পারে আপনি হয়তো স্বপ্ন দেখছেন, ঘুমটা বুঝি এখনই ভাঙল। অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তব করে তুলতে শিগগিরই আনা হবে নভোচারীদের পোশাক, এমনটাই জানিয়েছে ওয়াওজা কর্তৃপক্ষ। ঘোরাঘুরি কিংবা ব্যবসার কাজে কোনো দেশ ভ্রমণে গেলে প্রথমেই যে কেউ সেখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে চান। সুড়ঙ্গে পা দিলেই মনে হয় নড়ছে পায়ের নিচের মাটি, গোল গোল ঘুরছে পুরো সুড়ঙ্গ। এই সময়ে আপনার অঙ্গভঙ্গিকে হুবহু অনুকরণ করবে সেই ক্যারেক্টার। কিছুটা বাঁকানো এই ঘরে অবিকল চাঁদে পা রাখার মতো অনুভূতি পাবেন। মা–বাবা, ভাই-বোন কিংবা দম্পতি—ছবির জন্য সবার পছন্দ এই ঘর। শুধু খুঁজে পাওয়া যাবে আপনার মুখখানা। শুধু তাই নয়, অন্যদিকে তাকালে আয়নার জাদুতে আপনি পরিণত হবেন কয়েক খানায়। দূর থেকে দেখলে মনে হবে জীবন্ত এক শহর, আপনার সঙ্গেই যা হাঁটছে।

‘অ্যামস রুম’ নামে আরেকটি জনপ্রিয় বিভাগে দৃষ্টিভ্রমের মাধ্যমে একজনকে দৈত্যাকার আর অন্যজনকে ছোট দেখানোর মজার সুযোগ রয়েছে। একই ঘরের দুই কোণে দাঁড়ালে একজনকে লাগবে দৈত্যের মতো বড় আর আরেকজনকে লাগবে ছোট—এমনই দৃষ্টিভ্রমের খেলা দেখায় এই অ্যামস রুম।

এছাড়া ‘ক্যামোফ্লাজ রুম’ দর্শনার্থীদের অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার মতো অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার স্বাদ দেয়, যেখানে দেয়ালের সঙ্গে মিশে থাকা পোশাকের মাধ্যমে জাদুর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মিরর মেইজ বা আয়নার গোলকধাঁধায় সূর্যমুখীর বাগান ও আলোর খেলা দর্শকদের এক ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়।

ওয়াওজাতে রয়েছে ‘শ্যাডো ড্যান্স’-এর মতো প্রযুক্তিগত গেম। বড় স্ক্রিনে মাইকেল জ্যাকসন বা হাল্কের মতো পছন্দের চরিত্র নির্বাচন করে দর্শনার্থীরা ৩০ সেকেন্ড সময় পান। এই সময়ে পর্দায় থাকা চরিত্রটি দর্শনার্থীর নড়াচড়া হুবহু নকল করে, যা বেশ উপভোগ্য। এছাড়া বিভিন্ন থ্রিডি ও পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ তো থাকছেই। এই থ্রিডি, পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের মধ্যে আপনাকে সবচেয়ে বেশি ধাঁধায় ফেলবে রঙিন এক শহরের দৃশ্য।

ইনডোর এবং আউটডোর উভয় ধরনের গেমসের সংমিশ্রণে তৈরি এই কেন্দ্রে লাল-নীল ব্লকের খেলা এবং নাটাই দিয়ে ঘুড়ি ওড়ানোর মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমও রয়েছে। সব বয়সের মানুষ এখানে তাদের পছন্দের অ্যাকটিভিটি উপভোগ করতে পারেন।

প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে ওয়াওজা। প্রতিটি সিঙ্গেল পাসের জন্য গুনতে হবে ৫০০ টাকা এবং এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। একটি নির্দিষ্ট স্লট বা এক ঘণ্টার জন্য এই পাস কার্যকর থাকে, যেখানে দর্শনার্থীরা তাদের পছন্দমতো গেম ও অ্যাকটিভিটি যতবার ইচ্ছা উপভোগ করতে পারেন। এছাড়া সিঙ্গেল পাস ছাড়াও বিভিন্ন প্যাকেজ সুবিধাও রাখা হয়েছে। এটি মূলত স্লটভিত্তিক টিকিট সিস্টেম।

আপলোডকারীর তথ্য

যশোর বোর্ডে এইচএসসি ফলাফল: পাশের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

মিরপুরে কেন যাবেন ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়ামে?

আপডেট সময় ০২:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বরের হাজী কুজরাত আলী মোল্লা মার্কেটের চতুর্থ তলায় চালু হয়েছে নতুন এক বিনোদনকেন্দ্র, যার নাম ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম। বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইমারসিভ এবং অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা এই কেন্দ্রটি অল্প সময়ের মধ্যেই বিনোদনপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলেও এতে আছে নানা ধরনের গেম ও অ্যাক্টিভিটি সেগমেন্ট, যা একে অন্য যেকোনো বিনোদনকেন্দ্র থেকে আলাদা করে তুলেছে। এমন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে মিরপুর ১২ নম্বরে অবস্থিত সদ্য চালু হওয়া চিত্তবিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা। উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় ইতিমধ্যে ওয়াওজা রাজধানীবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বেশ কয়েকজন তরুণের সম্মিলিত উদ্যোগ এই ওয়াওজা। এমন নানা উদ্যোগ এখন দেশে দেখা গেলেও এই তরুণদের মতে, ওয়াওজা সেসব থেকে আলাদা। সত্যি বলতে এখানেও ভিন্নতা এনেছে ওয়াওজা।

ওয়াওজার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হৃদয় চৌধুরী জানান, দুই বছরের শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সী মানুষের জন্যই এখানে বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাদের এই উদ্যোগটি অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম, পারস্পেকটিভ আর্ট এবং গেমিং জোন—এই তিন ভাগে সাজানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল স্লোগান হলো ‘এক্সপেরিয়েন্স দ্য আনরিয়েল’।

বিনোদনকেন্দ্রটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ‘ভর্টেক্স টানেল’। অন্ধকার সুড়ঙ্গের চারপাশ জুড়ে লাল-নীল আলোর খেলায় এমন এক আবহ তৈরি করা হয়, যাতে মনে হয় পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে এবং চারপাশ ঘুরছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ‘টিল্ট রুম’, যেখানে চাঁদের মাটিতে হাঁটার মতো অনুভূতি পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা রয়েছে, ভবিষ্যতে এই অভিজ্ঞতাকে আরও জীবন্ত করতে নভোচারীদের পোশাক যুক্ত করার। ধরুন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু আপনার পায়ের নিচের মাটি নিজ থেকেই সরে যাচ্ছে, মনে হতে পারে এ কী করে সম্ভব। এই ভেবে যখন দু কদম যাবেন, ঠিক তখনই নিজেকে আবিষ্কার করলেন চাঁদের মাটিতে। আরেকটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলেন আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে হুবহু আরও কয়েকখানা আপনি। মনে হতেই পারে আপনি হয়তো স্বপ্ন দেখছেন, ঘুমটা বুঝি এখনই ভাঙল। অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তব করে তুলতে শিগগিরই আনা হবে নভোচারীদের পোশাক, এমনটাই জানিয়েছে ওয়াওজা কর্তৃপক্ষ। ঘোরাঘুরি কিংবা ব্যবসার কাজে কোনো দেশ ভ্রমণে গেলে প্রথমেই যে কেউ সেখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে চান। সুড়ঙ্গে পা দিলেই মনে হয় নড়ছে পায়ের নিচের মাটি, গোল গোল ঘুরছে পুরো সুড়ঙ্গ। এই সময়ে আপনার অঙ্গভঙ্গিকে হুবহু অনুকরণ করবে সেই ক্যারেক্টার। কিছুটা বাঁকানো এই ঘরে অবিকল চাঁদে পা রাখার মতো অনুভূতি পাবেন। মা–বাবা, ভাই-বোন কিংবা দম্পতি—ছবির জন্য সবার পছন্দ এই ঘর। শুধু খুঁজে পাওয়া যাবে আপনার মুখখানা। শুধু তাই নয়, অন্যদিকে তাকালে আয়নার জাদুতে আপনি পরিণত হবেন কয়েক খানায়। দূর থেকে দেখলে মনে হবে জীবন্ত এক শহর, আপনার সঙ্গেই যা হাঁটছে।

‘অ্যামস রুম’ নামে আরেকটি জনপ্রিয় বিভাগে দৃষ্টিভ্রমের মাধ্যমে একজনকে দৈত্যাকার আর অন্যজনকে ছোট দেখানোর মজার সুযোগ রয়েছে। একই ঘরের দুই কোণে দাঁড়ালে একজনকে লাগবে দৈত্যের মতো বড় আর আরেকজনকে লাগবে ছোট—এমনই দৃষ্টিভ্রমের খেলা দেখায় এই অ্যামস রুম।

এছাড়া ‘ক্যামোফ্লাজ রুম’ দর্শনার্থীদের অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার মতো অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার স্বাদ দেয়, যেখানে দেয়ালের সঙ্গে মিশে থাকা পোশাকের মাধ্যমে জাদুর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মিরর মেইজ বা আয়নার গোলকধাঁধায় সূর্যমুখীর বাগান ও আলোর খেলা দর্শকদের এক ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়।

ওয়াওজাতে রয়েছে ‘শ্যাডো ড্যান্স’-এর মতো প্রযুক্তিগত গেম। বড় স্ক্রিনে মাইকেল জ্যাকসন বা হাল্কের মতো পছন্দের চরিত্র নির্বাচন করে দর্শনার্থীরা ৩০ সেকেন্ড সময় পান। এই সময়ে পর্দায় থাকা চরিত্রটি দর্শনার্থীর নড়াচড়া হুবহু নকল করে, যা বেশ উপভোগ্য। এছাড়া বিভিন্ন থ্রিডি ও পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ তো থাকছেই। এই থ্রিডি, পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের মধ্যে আপনাকে সবচেয়ে বেশি ধাঁধায় ফেলবে রঙিন এক শহরের দৃশ্য।

ইনডোর এবং আউটডোর উভয় ধরনের গেমসের সংমিশ্রণে তৈরি এই কেন্দ্রে লাল-নীল ব্লকের খেলা এবং নাটাই দিয়ে ঘুড়ি ওড়ানোর মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমও রয়েছে। সব বয়সের মানুষ এখানে তাদের পছন্দের অ্যাকটিভিটি উপভোগ করতে পারেন।

প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে ওয়াওজা। প্রতিটি সিঙ্গেল পাসের জন্য গুনতে হবে ৫০০ টাকা এবং এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। একটি নির্দিষ্ট স্লট বা এক ঘণ্টার জন্য এই পাস কার্যকর থাকে, যেখানে দর্শনার্থীরা তাদের পছন্দমতো গেম ও অ্যাকটিভিটি যতবার ইচ্ছা উপভোগ করতে পারেন। এছাড়া সিঙ্গেল পাস ছাড়াও বিভিন্ন প্যাকেজ সুবিধাও রাখা হয়েছে। এটি মূলত স্লটভিত্তিক টিকিট সিস্টেম।