ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল

সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির পশ্চিমাঞ্চলে নবনির্মিত ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার কাজ শুরু হয়েছে। গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে এয়ার নিউজিল্যান্ডের একটি উড়োজাহাজ এই বিমানবন্দরটিতে অবতরণ করে এবং পরবর্তীতে অকল্যান্ডের উদ্দেশ্যে পুনরায় যাত্রা করে। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ফসল হিসেবে এই বিমানবন্দরটি সিডনির প্রধান বিমানবন্দরের একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিম সিডনির দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যা ও তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরে সেটি আবার অকল্যান্ডের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

এয়ার নিউজিল্যান্ডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেট বয়ার জানান, নতুন একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধনী ফ্লাইটের অংশ হতে পারা সত্যিই বিরল অভিজ্ঞতার। পশ্চিম সিডনি এলাকায় বর্তমানে ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ বসবাস করেন এবং নতুন এই বিমানবন্দরটি পর্যটকদের জন্য একটি নতুন প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। একটি রানওয়ে নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রকল্পটি বিগত পাঁচ দশকের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিষ্ঠিত সবচেয়ে বড় বিমান চলাচলকেন্দ্র। পণ্য পরিবহন কার্যক্রম গত জুলাই মাসে শুরু হওয়ার পর, রবিবার থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয় এবং সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ফ্লাইটটি দিয়ে এর পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু হলো।

বর্তমানে সিডনির প্রধান বিমানবন্দর কিংসফোর্ড স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ততম কেন্দ্র, যেখানে তিনটি রানওয়ের মাধ্যমে গত বছর চার কোটি ২০ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেছেন। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় কিংসফোর্ড স্মিথে উড়োজাহাজের শব্দের প্রভাব ও রাতের ফ্লাইট পরিচালনায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। বিপরীতে, নতুন এই ওয়েস্টার্ন সিডনি বিমানবন্দরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ থাকায় উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো অধিক নমনীয়তা পাবে। বিমানবন্দরটির প্রধান নির্বাহী সাইমন হিকি উল্লেখ করেন যে, এই সুবিধা যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

বর্তমানে জেটস্টার বিমানবন্দরটির প্রধান অভ্যন্তরীণ উড়োজাহাজ সংস্থা হিসেবে গোল্ড কোস্ট, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী দিনগুলোতে এর পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ভিয়েতজেট এয়ার, মার্চ মাসে ফিজি এয়ারওয়েজ এবং ডিসেম্বর নাগাদ কাতার এয়ারওয়েজ এই বিমানবন্দর থেকে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করতে পারে। পরিবহন অবকাঠামোর ব্যয় বাদে এটি নির্মাণে ৫৩০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার বা প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিমানবন্দরটি পশ্চিম সিডনির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আপলোডকারীর তথ্য

রাজবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীকে হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন

সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

আপডেট সময় ০৪:৩৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির পশ্চিমাঞ্চলে নবনির্মিত ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার কাজ শুরু হয়েছে। গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে এয়ার নিউজিল্যান্ডের একটি উড়োজাহাজ এই বিমানবন্দরটিতে অবতরণ করে এবং পরবর্তীতে অকল্যান্ডের উদ্দেশ্যে পুনরায় যাত্রা করে। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ফসল হিসেবে এই বিমানবন্দরটি সিডনির প্রধান বিমানবন্দরের একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিম সিডনির দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যা ও তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরে সেটি আবার অকল্যান্ডের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

এয়ার নিউজিল্যান্ডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেট বয়ার জানান, নতুন একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধনী ফ্লাইটের অংশ হতে পারা সত্যিই বিরল অভিজ্ঞতার। পশ্চিম সিডনি এলাকায় বর্তমানে ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ বসবাস করেন এবং নতুন এই বিমানবন্দরটি পর্যটকদের জন্য একটি নতুন প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। একটি রানওয়ে নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রকল্পটি বিগত পাঁচ দশকের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিষ্ঠিত সবচেয়ে বড় বিমান চলাচলকেন্দ্র। পণ্য পরিবহন কার্যক্রম গত জুলাই মাসে শুরু হওয়ার পর, রবিবার থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয় এবং সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ফ্লাইটটি দিয়ে এর পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু হলো।

বর্তমানে সিডনির প্রধান বিমানবন্দর কিংসফোর্ড স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ততম কেন্দ্র, যেখানে তিনটি রানওয়ের মাধ্যমে গত বছর চার কোটি ২০ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেছেন। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় কিংসফোর্ড স্মিথে উড়োজাহাজের শব্দের প্রভাব ও রাতের ফ্লাইট পরিচালনায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। বিপরীতে, নতুন এই ওয়েস্টার্ন সিডনি বিমানবন্দরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ থাকায় উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো অধিক নমনীয়তা পাবে। বিমানবন্দরটির প্রধান নির্বাহী সাইমন হিকি উল্লেখ করেন যে, এই সুবিধা যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

বর্তমানে জেটস্টার বিমানবন্দরটির প্রধান অভ্যন্তরীণ উড়োজাহাজ সংস্থা হিসেবে গোল্ড কোস্ট, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী দিনগুলোতে এর পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ভিয়েতজেট এয়ার, মার্চ মাসে ফিজি এয়ারওয়েজ এবং ডিসেম্বর নাগাদ কাতার এয়ারওয়েজ এই বিমানবন্দর থেকে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করতে পারে। পরিবহন অবকাঠামোর ব্যয় বাদে এটি নির্মাণে ৫৩০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার বা প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিমানবন্দরটি পশ্চিম সিডনির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের মাইলফলক হয়ে থাকবে।