ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বড় ধরনের অবকাঠামোগত কাজ শেষ পর্যায়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে এখনো কিছু এয়ারলাইন্সের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনালের নির্মাণকাজ ৯৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ ৯১ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। যদিও দুটি প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শুরু করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখন প্রস্তুত। সম্প্রতি বেবিচক চেয়ারম্যানসহ একটি প্রতিনিধি দল কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন বলে জানান বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মুর্তজা হোসেন।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিমানবন্দরের রানওয়ে ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে। সমুদ্র থেকে প্রায় ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করে এই সম্প্রসারণ সম্পন্ন করা হয়েছে। বেবিচকের দাবি, এই বর্ধিত রানওয়েতে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর এবং বোয়িং ৭৪৭-৪০০-এর মতো বড় আকারের ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবে। ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে প্রায় ৪৫০ জন যাত্রীর জন্য প্রস্থান লাউঞ্জ, বোর্ডিং ব্রিজ, লিফট, এস্কেলেটর, লাগেজ বেল্ট, চেক-ইন কাউন্টার এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের অ্যাপ্রোনে দুটি বড় উড়োজাহাজ ও তিনটি ড্যাশ-৮ পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরটিতে প্রতিদিন গড়ে ২৮ থেকে ৩০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচল করছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তারা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেবিচকের সদস্য (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) এয়ার কমোডর মো. নূর-ই-আলম। তবে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, প্রকল্প নেওয়ার আগে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর চাহিদা যাচাই করা দরকার ছিল, কারণ এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি এয়ারলাইনস কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ দেখায়নি। তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এখানে ফ্লাইট চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরাও মনে করছেন, কেবল বিমানবন্দর বাড়ালেই হবে না, পর্যটন খাতের প্রচার এবং সেবাও সমান্তরালে বাড়াতে হবে। এর মধ্যেই বিমানবন্দরটিকে পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন হাবে রূপ দিতে দ্বিতীয় ধাপের পরামর্শক ও নকশার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বেবিচক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুটি ট্যাক্সিওয়ে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিমান সংস্থার আগ্রহের পাশাপাশি কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামো, প্রচার ও বিপণন বাড়ানো প্রয়োজন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

আপডেট সময় ০৯:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বড় ধরনের অবকাঠামোগত কাজ শেষ পর্যায়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে এখনো কিছু এয়ারলাইন্সের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনালের নির্মাণকাজ ৯৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ ৯১ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। যদিও দুটি প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শুরু করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখন প্রস্তুত। সম্প্রতি বেবিচক চেয়ারম্যানসহ একটি প্রতিনিধি দল কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন বলে জানান বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মুর্তজা হোসেন।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিমানবন্দরের রানওয়ে ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে। সমুদ্র থেকে প্রায় ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করে এই সম্প্রসারণ সম্পন্ন করা হয়েছে। বেবিচকের দাবি, এই বর্ধিত রানওয়েতে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর এবং বোয়িং ৭৪৭-৪০০-এর মতো বড় আকারের ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবে। ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে প্রায় ৪৫০ জন যাত্রীর জন্য প্রস্থান লাউঞ্জ, বোর্ডিং ব্রিজ, লিফট, এস্কেলেটর, লাগেজ বেল্ট, চেক-ইন কাউন্টার এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের অ্যাপ্রোনে দুটি বড় উড়োজাহাজ ও তিনটি ড্যাশ-৮ পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরটিতে প্রতিদিন গড়ে ২৮ থেকে ৩০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচল করছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তারা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেবিচকের সদস্য (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) এয়ার কমোডর মো. নূর-ই-আলম। তবে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, প্রকল্প নেওয়ার আগে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর চাহিদা যাচাই করা দরকার ছিল, কারণ এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি এয়ারলাইনস কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ দেখায়নি। তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এখানে ফ্লাইট চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরাও মনে করছেন, কেবল বিমানবন্দর বাড়ালেই হবে না, পর্যটন খাতের প্রচার এবং সেবাও সমান্তরালে বাড়াতে হবে। এর মধ্যেই বিমানবন্দরটিকে পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন হাবে রূপ দিতে দ্বিতীয় ধাপের পরামর্শক ও নকশার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বেবিচক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুটি ট্যাক্সিওয়ে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিমান সংস্থার আগ্রহের পাশাপাশি কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামো, প্রচার ও বিপণন বাড়ানো প্রয়োজন।