ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক সংশ্লিষ্ট দু’টি আইনের অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বেতন ও সুবিধাদি) আইন, ২০২১’ এবং ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ও ভাতা) আইন, ২০২১’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ দু’টি আইনের অনুমোদন আসে।

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বেতন ও সুবিধাদি) আইন, ২০২১’ এর খসড়া নিয়ে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে কোর্টের রায় ছিল সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করা। এটাকে ইংরেজি থেকে বাংলায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেজন্য এটা কেবিনেট একেবারে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। এরপর পার্লামেন্টে যাবে।

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ও ভাতা) আইন, ২০২১’ এর খসড়া নিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এটাও অধ্যাদেশ ছিল। এটাতেও নতুন কোনো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, আগে যেটা ছিল সে অনুযায়ী। এটাকেও পুরো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে এখানে ছোটখাট সংশোধন আনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগে দৈনিক ভাতা ৫০০ বা সাড়ে ৫০০ টাকা ছিল, সেখানে ১৪০০ টাকা করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (সংশোধন) আইন, ২০২১’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কিছু দিন আগে বার কাউন্সিলের অধ্যাদেশ করা হয়েছিল, কারণ যদি কোনো কারণে টাইম ওভার হয়ে যায় তখন কী করবে, সেটার কোনো বিধিবিধান ছিল না। সেজন্য বার কাউন্সিল অধ্যাদেশ হিসেবে এটি নিয়ে আসা হয়েছিল।

তিনি বলেন, অধ্যাদেশ করলে পার্লামেন্ট শুরু হলে এক মাসের মধ্যে সেটাকে আইনে পরিণত করতে হয়, নইলে সেটা বাদ হয়ে যায়। সেজন্য উনারা এটা নিয়ে এসেছে। সেটা কেবিনেট রি-অনুমোদন করেছে। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে এটাকে অনুমোদন করে ফেলতে হবে, নইলে বাতিল হয়ে যাবে। সেজন্য এটার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাঠ্যবইয়ে দাঁড়িপাল্লার ছবি: এনসিটিবি কর্মকর্তা খাগড়াছড়িতে বদলি

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক সংশ্লিষ্ট দু’টি আইনের অনুমোদন

আপডেট সময় ০৫:২০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বেতন ও সুবিধাদি) আইন, ২০২১’ এবং ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ও ভাতা) আইন, ২০২১’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ দু’টি আইনের অনুমোদন আসে।

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বেতন ও সুবিধাদি) আইন, ২০২১’ এর খসড়া নিয়ে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে কোর্টের রায় ছিল সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করা। এটাকে ইংরেজি থেকে বাংলায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেজন্য এটা কেবিনেট একেবারে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। এরপর পার্লামেন্টে যাবে।

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ও ভাতা) আইন, ২০২১’ এর খসড়া নিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এটাও অধ্যাদেশ ছিল। এটাতেও নতুন কোনো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, আগে যেটা ছিল সে অনুযায়ী। এটাকেও পুরো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে এখানে ছোটখাট সংশোধন আনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগে দৈনিক ভাতা ৫০০ বা সাড়ে ৫০০ টাকা ছিল, সেখানে ১৪০০ টাকা করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (সংশোধন) আইন, ২০২১’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কিছু দিন আগে বার কাউন্সিলের অধ্যাদেশ করা হয়েছিল, কারণ যদি কোনো কারণে টাইম ওভার হয়ে যায় তখন কী করবে, সেটার কোনো বিধিবিধান ছিল না। সেজন্য বার কাউন্সিল অধ্যাদেশ হিসেবে এটি নিয়ে আসা হয়েছিল।

তিনি বলেন, অধ্যাদেশ করলে পার্লামেন্ট শুরু হলে এক মাসের মধ্যে সেটাকে আইনে পরিণত করতে হয়, নইলে সেটা বাদ হয়ে যায়। সেজন্য উনারা এটা নিয়ে এসেছে। সেটা কেবিনেট রি-অনুমোদন করেছে। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে এটাকে অনুমোদন করে ফেলতে হবে, নইলে বাতিল হয়ে যাবে। সেজন্য এটার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়েছে।