ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হোম অফিসের সময় বাড়ালো গুগল-ফেসবুক-টুইটার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কর্মীদের জন্য হোম অফিস করার সুযোগের সময়সীমা বাড়িয়েছে গুগল, ফেসবুক আর টুইটারের মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলো।

কর্মীদের অফিসে ফিরিয়ে আনতে ‘রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক’ পরিকল্পনা আরও কয়েক মাস স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলো ওই প্রতিষ্ঠানগুলো।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতি আবার অবনতির দিকে হওয়াই এমন সিদ্ধান্ত টেক জায়ান্টদের।

গত ২৮ জুন কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক ই-মেইল বার্তায় গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিল্লাই জানান, আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মীদের জন্য হোম অফিসের সুযোগ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যখন কর্মীদের অফিসে আসার নির্দেশনা আসবে তখন টিকা গ্রহণ করা কর্মীরাই সশরীরে অফিস করতে পারবেন। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থান বিবেচনায় টিকা গ্রহণ পরিস্থিতির ওপর বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত কর্মীবান্ধব আকারে কার্যকর হবে বলেও মেইলে জানান সুন্দর।

ফেসবুক জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফেসবুকের অফিসগুলোতে কর্মরত কর্মীরা টীকা গ্রহণের পরই অফিসে আসতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লোরি গোলার এক বার্তায় লেখেন, যারা স্বাস্থ্যগত অথবা অন্যকোনো কারণে টিকা নিতে পারেননি তাদের জন্য অফিস করার একটি সমাধান নিয়ে আমরা ভাবছি। আর অন্যান্য অঞ্চলে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাওয়া সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সবার স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিবেচনায় রেখেই ‘রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

অন্যদিকে সান ফ্রান্সিসকো এবং নিউ ইয়র্কে চলমান দুইটি কার্যালয় আবারও বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে টুইটার। করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে গেলে মাস খানেক আগে ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিতি নিয়ে এই দুইটি কার্যালয় চালু করেছিল টুইটার। তবে, কার্যালয় চালু রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক বার্তায় টুইটার বলে, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের কর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনমূলক সিদ্ধান্তও নিচ্ছি। সেসঙ্গে কর্মীদের সেই সুযোগ এখনও আছে যে তারা হোম অফিস করার সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারেন।

গুগলের মতোই অক্টোবর পর্যন্ত ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এর সুযোগ দিয়েছে অ্যাপল। আর সম্প্রতি সপ্তাহে তিন দিন বিভিন্ন শিফটে কর্পোরেট শাখার কর্মীদের অফিসে আসার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে আমাজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হোম অফিসের সময় বাড়ালো গুগল-ফেসবুক-টুইটার

আপডেট সময় ০৯:৩১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কর্মীদের জন্য হোম অফিস করার সুযোগের সময়সীমা বাড়িয়েছে গুগল, ফেসবুক আর টুইটারের মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলো।

কর্মীদের অফিসে ফিরিয়ে আনতে ‘রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক’ পরিকল্পনা আরও কয়েক মাস স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলো ওই প্রতিষ্ঠানগুলো।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতি আবার অবনতির দিকে হওয়াই এমন সিদ্ধান্ত টেক জায়ান্টদের।

গত ২৮ জুন কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক ই-মেইল বার্তায় গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিল্লাই জানান, আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মীদের জন্য হোম অফিসের সুযোগ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যখন কর্মীদের অফিসে আসার নির্দেশনা আসবে তখন টিকা গ্রহণ করা কর্মীরাই সশরীরে অফিস করতে পারবেন। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থান বিবেচনায় টিকা গ্রহণ পরিস্থিতির ওপর বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত কর্মীবান্ধব আকারে কার্যকর হবে বলেও মেইলে জানান সুন্দর।

ফেসবুক জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফেসবুকের অফিসগুলোতে কর্মরত কর্মীরা টীকা গ্রহণের পরই অফিসে আসতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লোরি গোলার এক বার্তায় লেখেন, যারা স্বাস্থ্যগত অথবা অন্যকোনো কারণে টিকা নিতে পারেননি তাদের জন্য অফিস করার একটি সমাধান নিয়ে আমরা ভাবছি। আর অন্যান্য অঞ্চলে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাওয়া সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সবার স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিবেচনায় রেখেই ‘রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

অন্যদিকে সান ফ্রান্সিসকো এবং নিউ ইয়র্কে চলমান দুইটি কার্যালয় আবারও বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে টুইটার। করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে গেলে মাস খানেক আগে ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিতি নিয়ে এই দুইটি কার্যালয় চালু করেছিল টুইটার। তবে, কার্যালয় চালু রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক বার্তায় টুইটার বলে, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের কর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনমূলক সিদ্ধান্তও নিচ্ছি। সেসঙ্গে কর্মীদের সেই সুযোগ এখনও আছে যে তারা হোম অফিস করার সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারেন।

গুগলের মতোই অক্টোবর পর্যন্ত ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এর সুযোগ দিয়েছে অ্যাপল। আর সম্প্রতি সপ্তাহে তিন দিন বিভিন্ন শিফটে কর্পোরেট শাখার কর্মীদের অফিসে আসার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে আমাজন।