ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

শ্রম বাজারে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের সব দেশের শ্রম বাজার থেকে সব ধরনের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সিন্ডিকেট পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট, বায়রা। একইসঙ্গে সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত রাখারও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ ফারুখ লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়াতে শ্রমিক রপ্তানির চুক্তি ও রপ্তানি প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ করলে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ২০১৬ সালে সম্পাদিত জিটুজি প্লাস চুক্তিতে মালয়েশিয়ান সরকার ঘোষণা করে, তারা বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর তিন লাখ করে পাঁচ বছরে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে৷ অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয় জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার টাকা।

ড. মোহাম্মদ ফারুখ বলেন, বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা তিল তিল করে ১৯৮৪ সাল থেকে নিজেদের শ্রম, মেধা, মূল্যবান সময় ও আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে গড়ে তুলে মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশি শ্রমিকের এই বিশাল বাজার। এক সময় এই বাজারে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ লাখের অধিক। এসব শ্রমিক যাচ্ছে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত সব এজেন্সি কোনো ধরনের বাধা ছাড়া সবাই তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মালয়েশিয়াতে শ্রমিক রপ্তানি করার সুযোগ পেয়েছে। ২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তার এক মন্তব্যের কারণে বাজারটি বন্ধ হয়ে যায়। বাজারটি যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন রিক্রুটিং এজেন্সির হাতে ৬০ হাজার শ্রমিকের কলিং ভিসা ও ১ লাখের অধিক শ্রমিক রপ্তানির অনুমোদন ছিল। পরবর্তীতে এই কলিং ভিসা ও অনুমোদনের বিপরীতে একটি শ্রমিকও যেতে পারেনি। এর ফলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের ক্ষতি হয় ৫শ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) নির্বাহী সদস্য রেদওয়ান খান বোরহান, মিনার ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে. এইচ গাজী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই চীনে নামল ইরানের মাহান এয়ার

শ্রম বাজারে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি

আপডেট সময় ০৫:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের সব দেশের শ্রম বাজার থেকে সব ধরনের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সিন্ডিকেট পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট, বায়রা। একইসঙ্গে সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত রাখারও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ ফারুখ লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়াতে শ্রমিক রপ্তানির চুক্তি ও রপ্তানি প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ করলে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ২০১৬ সালে সম্পাদিত জিটুজি প্লাস চুক্তিতে মালয়েশিয়ান সরকার ঘোষণা করে, তারা বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর তিন লাখ করে পাঁচ বছরে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে৷ অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয় জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার টাকা।

ড. মোহাম্মদ ফারুখ বলেন, বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা তিল তিল করে ১৯৮৪ সাল থেকে নিজেদের শ্রম, মেধা, মূল্যবান সময় ও আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে গড়ে তুলে মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশি শ্রমিকের এই বিশাল বাজার। এক সময় এই বাজারে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ লাখের অধিক। এসব শ্রমিক যাচ্ছে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত সব এজেন্সি কোনো ধরনের বাধা ছাড়া সবাই তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মালয়েশিয়াতে শ্রমিক রপ্তানি করার সুযোগ পেয়েছে। ২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তার এক মন্তব্যের কারণে বাজারটি বন্ধ হয়ে যায়। বাজারটি যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন রিক্রুটিং এজেন্সির হাতে ৬০ হাজার শ্রমিকের কলিং ভিসা ও ১ লাখের অধিক শ্রমিক রপ্তানির অনুমোদন ছিল। পরবর্তীতে এই কলিং ভিসা ও অনুমোদনের বিপরীতে একটি শ্রমিকও যেতে পারেনি। এর ফলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের ক্ষতি হয় ৫শ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) নির্বাহী সদস্য রেদওয়ান খান বোরহান, মিনার ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে. এইচ গাজী প্রমুখ।