ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করতে নীতিমালা আপডেট হচ্ছে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশের মানুষের জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করতে নীতিমালা আপডেট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

এলক্ষ্যে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ইন্টারনেট মানুষের জীবনযাত্রায় লাইফ লাইন হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিটি মানুষের জন্য উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা শিগগিরই ব্রডব্যান্ড নীতিমালা আপডেট করতে যাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক সংস্থা এলায়েন্স ফর অ্যাফের্ডাবল ইন্টারনেটের উদ্যোগে আয়োজিত ওয়েবিনারে ব্রডব্যান্ড নীতিমালা বিষয়ক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ জানানো হয়।

ইন্টারনেটকে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার বাহন হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ইন্টানেটকে রাষ্ট্রের জন্য একটি যথাযথ এবং বড় বিনিয়োগ। এরই ধারাবাহিকতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এরই মধ্যে ৫৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ফ্রি ওয়াই ফাই জোনের আওতায় আনা হয়।

তিনি দেশে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বিকাশে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশেষ করে দ্বীপ, চর, হাওরসহ প্রায় সব ইউনিয়নে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি আমরা।

তিনি বলেন, দেশের এমন কোনো ইউনিয়ন থাকবে না যেখানে উচ্চগতির ইন্টারনেট থাকবে না। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজার ৮০০ ফ্রি ওয়াইফাই জোন গড়ে তোলা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গত প্রায় ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে দেশে ইন্টারনেট সম্প্রসারণে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ২০০৮ সালে দেশে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম ছিলো ২৭০০ হাজার টাকা বর্তমানে ২৮৫ টাকা।

আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতিটি মোবাইল টাওয়ার ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে। উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইভার ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক দ্বীপ, চর ও হাওরসহ দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ থেকে উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। দেশে ১৪টি মোবাইল কারখানায় উন্নতমানের মোবাইল উৎপাদন হচ্ছে। বিদেশে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশে ৫জি মোবাইল তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে এটুআই এর সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহসিনুল আলম, এলায়েন্স ফর অ্যাফের্ডাবল ইন্টারনেটের কর্মকর্তা শহীদ উদ্দিন আকবর এবং এলানুর সারপঙ বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করতে নীতিমালা আপডেট হচ্ছে

আপডেট সময় ১০:৫৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশের মানুষের জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করতে নীতিমালা আপডেট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

এলক্ষ্যে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ইন্টারনেট মানুষের জীবনযাত্রায় লাইফ লাইন হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিটি মানুষের জন্য উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা শিগগিরই ব্রডব্যান্ড নীতিমালা আপডেট করতে যাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক সংস্থা এলায়েন্স ফর অ্যাফের্ডাবল ইন্টারনেটের উদ্যোগে আয়োজিত ওয়েবিনারে ব্রডব্যান্ড নীতিমালা বিষয়ক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ জানানো হয়।

ইন্টারনেটকে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার বাহন হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ইন্টানেটকে রাষ্ট্রের জন্য একটি যথাযথ এবং বড় বিনিয়োগ। এরই ধারাবাহিকতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এরই মধ্যে ৫৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ফ্রি ওয়াই ফাই জোনের আওতায় আনা হয়।

তিনি দেশে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বিকাশে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশেষ করে দ্বীপ, চর, হাওরসহ প্রায় সব ইউনিয়নে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি আমরা।

তিনি বলেন, দেশের এমন কোনো ইউনিয়ন থাকবে না যেখানে উচ্চগতির ইন্টারনেট থাকবে না। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজার ৮০০ ফ্রি ওয়াইফাই জোন গড়ে তোলা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গত প্রায় ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে দেশে ইন্টারনেট সম্প্রসারণে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ২০০৮ সালে দেশে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম ছিলো ২৭০০ হাজার টাকা বর্তমানে ২৮৫ টাকা।

আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতিটি মোবাইল টাওয়ার ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে। উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইভার ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক দ্বীপ, চর ও হাওরসহ দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ থেকে উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। দেশে ১৪টি মোবাইল কারখানায় উন্নতমানের মোবাইল উৎপাদন হচ্ছে। বিদেশে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশে ৫জি মোবাইল তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে এটুআই এর সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহসিনুল আলম, এলায়েন্স ফর অ্যাফের্ডাবল ইন্টারনেটের কর্মকর্তা শহীদ উদ্দিন আকবর এবং এলানুর সারপঙ বক্তব্য দেন।