ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এএসপি আনিসুল হত্যা: ৪ পরিচালকসহ ১২ আসামি গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম হত্যা মামলায় মাইন্ড এইড হাসপাতালের চার পরিচালকসহ ১২ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া দুই পরিচালক অসুস্থ থাকায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ’

‘গ্রেফতাকৃত ১২ জন হলেন-নিয়াজ মোর্শেদ (পরিচালক), ফতেমা তুজ যোহরা ময়না (পরিচালক), আরিফ মাহমুদ জয় (ম্যানেজার ও পরিচালক) ও রেদোয়ান সাব্বির (কোঅর্ডিনেটর ও পরিচালক) মাসুদ (কিচেন সেফ), তানভির হাসান (ফার্মাসিস্ট), জোবায়ের হোসেন (ওয়ার্ড বয), তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, মোহাম্মদ লিটন হাসান ও সাইফুল ইসলাম পলাশ। ’

শনিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শহীদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এএসপি আনিসুল করিম হত্যা মামলায় মাইন্ড এইড হাসপাতালের ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাসপাতালের সাত পরিচালকের মধ্যে এখন পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি তিন পরিচালকের মধ্যে একজন সুইডেনে আছেন। তাদেরও খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার ১২ জনের মধ্যে ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের দুই পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ ও ফতেমা তুজ যোহরা ময়না অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চিকিৎসা শেষে তাদেরকে আবার পাঠানো হবে।

এর আগে সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আনিসুলকে মাইন্ড এইড হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই কর্মচারীদের ধস্তাধস্তি ও মারধরে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবার।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, হাসপাতালে ঢোকার পরই আনিসুলকে ৬ থেকে ৭ জন টেনে-হেঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে চেপে ধরেন। হাসাপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মাথার দিকে থাকা দুইজন হাতের কনুই দিয়ে আনিসুল করিমকে আঘাত করছিলেন। এ সময় একটি কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুল করিমের হাত পেছনে বাঁধা হয়। চার মিনিট পর তাকে যখন উপুড় করা হয়, তখনই ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। এ ঘটনায় সোমবার রাতে প্রথমে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র আনিসুল করিম ৩১ বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। এক সন্তানের জনক আনিসুলের বাড়ি গাজীপুরে। সর্বশেষ আনিসুল করিম বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনারে দায়িত্বে ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এএসপি আনিসুল হত্যা: ৪ পরিচালকসহ ১২ আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৮:৪২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম হত্যা মামলায় মাইন্ড এইড হাসপাতালের চার পরিচালকসহ ১২ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া দুই পরিচালক অসুস্থ থাকায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ’

‘গ্রেফতাকৃত ১২ জন হলেন-নিয়াজ মোর্শেদ (পরিচালক), ফতেমা তুজ যোহরা ময়না (পরিচালক), আরিফ মাহমুদ জয় (ম্যানেজার ও পরিচালক) ও রেদোয়ান সাব্বির (কোঅর্ডিনেটর ও পরিচালক) মাসুদ (কিচেন সেফ), তানভির হাসান (ফার্মাসিস্ট), জোবায়ের হোসেন (ওয়ার্ড বয), তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, মোহাম্মদ লিটন হাসান ও সাইফুল ইসলাম পলাশ। ’

শনিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শহীদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এএসপি আনিসুল করিম হত্যা মামলায় মাইন্ড এইড হাসপাতালের ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাসপাতালের সাত পরিচালকের মধ্যে এখন পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি তিন পরিচালকের মধ্যে একজন সুইডেনে আছেন। তাদেরও খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার ১২ জনের মধ্যে ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের দুই পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ ও ফতেমা তুজ যোহরা ময়না অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চিকিৎসা শেষে তাদেরকে আবার পাঠানো হবে।

এর আগে সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আনিসুলকে মাইন্ড এইড হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই কর্মচারীদের ধস্তাধস্তি ও মারধরে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবার।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, হাসপাতালে ঢোকার পরই আনিসুলকে ৬ থেকে ৭ জন টেনে-হেঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে চেপে ধরেন। হাসাপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মাথার দিকে থাকা দুইজন হাতের কনুই দিয়ে আনিসুল করিমকে আঘাত করছিলেন। এ সময় একটি কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুল করিমের হাত পেছনে বাঁধা হয়। চার মিনিট পর তাকে যখন উপুড় করা হয়, তখনই ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। এ ঘটনায় সোমবার রাতে প্রথমে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র আনিসুল করিম ৩১ বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। এক সন্তানের জনক আনিসুলের বাড়ি গাজীপুরে। সর্বশেষ আনিসুল করিম বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনারে দায়িত্বে ছিলেন।