ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ দিন: ভারতকে জাতিসংঘ মহাসচিব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশকে সহযোগিতার কথাও বলেন।

মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস, গ্লোবাল সলিউশনস’ শীর্ষক এক বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

গুতেরেস বলেন, বিশ্বে রোহিঙ্গাদের মতো কাউকে নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হতে দেখিনি। রোহিঙ্গারা কোনো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধা পায় না। মিয়ানমারের সমাজব্যবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জাতিবিদ্বেষ রয়েছে।-খবর পারস টুডের।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার পদে থাকার সময় মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন। সেই সময় মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের অন্য কোনো দেশে পাঠানোর কথা বলেছিলেন।

জবাবে আমি বলেছিলাম, রোহিঙ্গাদের শরণার্থী বানানো আমার দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। আমার দায়িত্ব হল- শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান করা। এতেই দেখতে পাই মিয়ানমারে কিভাবে রোহিঙ্গাদের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা হয়।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ভারতের করণীয় দিক উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন, এমন রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরত যেতে পারেন। এসব মানুষকে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে সমর্থন করতে পারে ভারত। এ ছাড়া মিয়ানমার ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ এসব অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, বিশ্ব এখন বহুমেরুকরণ হয়ে আছে। এখানকার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভারত। একই সঙ্গে এ দেশটি বিশ্বে চলমান যুদ্ধগুলোতে একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, বছরের পর বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমারের নৃশংসতার কারণে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ জন্য তিনি রাজনৈতিক সমন্বয়কে জোর দিয়ে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দুই সপ্তাহ পর ফের চালু রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ দিন: ভারতকে জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট সময় ০৫:৩২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশকে সহযোগিতার কথাও বলেন।

মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস, গ্লোবাল সলিউশনস’ শীর্ষক এক বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

গুতেরেস বলেন, বিশ্বে রোহিঙ্গাদের মতো কাউকে নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হতে দেখিনি। রোহিঙ্গারা কোনো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধা পায় না। মিয়ানমারের সমাজব্যবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জাতিবিদ্বেষ রয়েছে।-খবর পারস টুডের।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার পদে থাকার সময় মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন। সেই সময় মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের অন্য কোনো দেশে পাঠানোর কথা বলেছিলেন।

জবাবে আমি বলেছিলাম, রোহিঙ্গাদের শরণার্থী বানানো আমার দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। আমার দায়িত্ব হল- শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান করা। এতেই দেখতে পাই মিয়ানমারে কিভাবে রোহিঙ্গাদের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা হয়।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ভারতের করণীয় দিক উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন, এমন রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরত যেতে পারেন। এসব মানুষকে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে সমর্থন করতে পারে ভারত। এ ছাড়া মিয়ানমার ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ এসব অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, বিশ্ব এখন বহুমেরুকরণ হয়ে আছে। এখানকার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভারত। একই সঙ্গে এ দেশটি বিশ্বে চলমান যুদ্ধগুলোতে একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, বছরের পর বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমারের নৃশংসতার কারণে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ জন্য তিনি রাজনৈতিক সমন্বয়কে জোর দিয়ে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেন।