ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

ব্রাজিলের নির্বাচনে লুলা দা সিলভার অভাবনীয় জয়

ব্রাজিলের জনজীবনে প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার রোববারের এই নির্বাচনী জয় তাঁর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মঙ্গলবার ৮১ বছরে পা দিতে যাওয়া লুলা যেভাবে রান-অফ নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করেছেন, তা এক নজিরবিহীন ঘটনা। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই দাবি করেছিলেন যে তাঁর ক্যারিয়ার শেষ, কিন্তু তিনি সব ধারণা ভুল প্রমাণ করেছেন। লাতিন আমেরিকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে চলে যাচ্ছে। চীনের লাতিন আমেরিকা দখলের নীরব মিশন। আর এটি হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণার খরচের আগেই। জেফ ডায়ার লাতিন আমেরিকান লেখক ও বিশ্লেষক।

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও লুলা কেবল পুনর্নির্বাচিত হননি, বরং ১৯৮৯ সালে ব্রাজিলে পুনরায় নির্বাচন চালুর পর থেকে তিনিই প্রথম প্রার্থী, যিনি প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ার পরেও শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করলেন। তিন সপ্তাহ আগের তুলনায় ব্যবধান ঘুচিয়ে তিনি এবার ৪৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, যেখানে আগের রাউন্ডে তিনি ২২ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।

লুলার এই সাফল্যে ব্যক্তিগত প্রভাব এবং সরকারি ক্ষমতার ব্যবহার বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রথম রাউন্ডের আগে তাঁর প্রচারণা কিছুটা নিষ্প্রভ থাকলেও, পরে তিনি ৪৫ বছর বয়সী প্রতিপক্ষ বলসোনারোর অনভিজ্ঞতা এবং রিও ডি জেনিরোতে অপরাধী চক্রের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সংযোগের বিষয়গুলো ভোটারদের সামনে তুলে ধরেন। লুলা ব্যক্তিত্বের প্রভাব এবং সরকারি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।

শুক্রবার টিভি গ্লোবোর একটি বিতর্কে বলসোনারো একটি বড় কৌশলগত ভুল করেন। তিনি লুলাকে ১৭ বছর বয়সে কারখানা দুর্ঘটনায় আঙুল হারানোর বিষয়টি ইঙ্গিত করে ‘৯ আঙুলওয়ালা’ বলে সম্বোধন করেন। ওই মুহূর্তটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং লুলা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন যে বলসোনারো জীবনে কখনো কাজ করেননি, সেইসঙ্গে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

ভোটারদের আকৃষ্ট করতে লুলা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করেছিলেন। ছুটির দিনে গণপরিবহন ফ্রি করা থেকে শুরু করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী বছর এর ব্যয় ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। গণতান্ত্রিক বিশ্বে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে অসন্তুষ্ট ভোটারদের ক্ষোভ এবং সেই ক্ষোভকে উসকে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যালগরিদমের কারণে বর্তমান ক্ষমতাসীন নেতারা—বিশেষ করে মধ্য-বামপন্থী নেতারা—একের পর এক ক্ষমতাচ্যুত হচ্ছেন। লুলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভোটারদের জন্য নানা ধরনের প্রণোদনা বা উপহার ঘোষণা করেন—সপ্তাহের ছুটির দিনে বিনা মূল্যে গণপরিবহন থেকে শুরু করে তাঁর স্বাক্ষরসংবলিত সামাজিক কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পর্যন্ত। এমন একটি দেশে লুলা হবেন একজন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট, যেখানে রাজনীতির মূল স্রোত ডানপন্থার দিকে ঝুঁকেছে।

লুলার জয়ের আনন্দ থাকলেও, চতুর্থ মেয়াদের বাস্তবতা অত্যন্ত কঠিন।

প্রথম মেয়াদের প্রাথমিক সময় ছাড়া, অর্থাৎ যখন দুর্নীতির অভিযোগে সরকার সংকটে পড়েছিল, তার চেয়েও তিনি এখন রাজনৈতিকভাবে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছেন। তিন সপ্তাহ আগের কংগ্রেসি নির্বাচনে ডানপন্থী দলগুলো সিনেট ও নিম্নকক্ষ উভয় স্থানেই আধিপত্য ধরে রেখেছে, ফলে নতুন সরকারে অনেক ক্ষেত্রে তাদের কঠিন দর–কষাকষির মুখোমুখি হতে হবে। প্রথম মেয়াদের একটি সংক্ষিপ্ত সময় ছাড়া—যে সময়ে দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে তাঁর সরকার পতনের উপক্রম হয়েছিল—জানুয়ারিতে পুনরায় শপথ নেওয়ার সময় লুলা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকবেন।

আর্থিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন লুলা। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছর ব্রাজিলের ঋণ জিডিপির ৯৮ শতাংশে পৌঁছাবে, যা উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর গড় থেকে অনেক বেশি। পাশাপাশি বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৮ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বাস্তব সুদের হার প্রায় ১০ শতাংশে থাকায় ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও সাধারণ পরিবারগুলো ঋণের চাপে রয়েছে। এ ধরনের শিথিল আর্থিক নীতির ফলস্বরূপ বাস্তব সুদের হার প্রায় ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ভোক্তা ঋণে জর্জরিত পরিবারগুলোকে দমিয়ে রাখছে।

লুলা যদি সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ না নেন, তবে আর্থিক বাজারে আস্থার সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি যেভাবে বামপন্থী আদর্শের সঙ্গে চরম বাস্তবতাবাদের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, তা নতুন মেয়াদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর মূল শক্তি হতে পারে। ৮১ বছর বয়সে তাঁর পুরোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এখনো অটুট আছে কি না, তা-ই এখন দেখার বিষয়। এর স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে যে সরকারি ব্যয় ও ভোক্তা ঋণের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লুলার ফর্মুলাটি তার সীমায় পৌঁছে গেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।

আপলোডকারীর তথ্য

দুই সপ্তাহ পর ফের চালু রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ব্রাজিলের নির্বাচনে লুলা দা সিলভার অভাবনীয় জয়

আপডেট সময় ১১:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাজিলের জনজীবনে প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার রোববারের এই নির্বাচনী জয় তাঁর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মঙ্গলবার ৮১ বছরে পা দিতে যাওয়া লুলা যেভাবে রান-অফ নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করেছেন, তা এক নজিরবিহীন ঘটনা। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই দাবি করেছিলেন যে তাঁর ক্যারিয়ার শেষ, কিন্তু তিনি সব ধারণা ভুল প্রমাণ করেছেন। লাতিন আমেরিকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে চলে যাচ্ছে। চীনের লাতিন আমেরিকা দখলের নীরব মিশন। আর এটি হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণার খরচের আগেই। জেফ ডায়ার লাতিন আমেরিকান লেখক ও বিশ্লেষক।

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও লুলা কেবল পুনর্নির্বাচিত হননি, বরং ১৯৮৯ সালে ব্রাজিলে পুনরায় নির্বাচন চালুর পর থেকে তিনিই প্রথম প্রার্থী, যিনি প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ার পরেও শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করলেন। তিন সপ্তাহ আগের তুলনায় ব্যবধান ঘুচিয়ে তিনি এবার ৪৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, যেখানে আগের রাউন্ডে তিনি ২২ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।

লুলার এই সাফল্যে ব্যক্তিগত প্রভাব এবং সরকারি ক্ষমতার ব্যবহার বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রথম রাউন্ডের আগে তাঁর প্রচারণা কিছুটা নিষ্প্রভ থাকলেও, পরে তিনি ৪৫ বছর বয়সী প্রতিপক্ষ বলসোনারোর অনভিজ্ঞতা এবং রিও ডি জেনিরোতে অপরাধী চক্রের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সংযোগের বিষয়গুলো ভোটারদের সামনে তুলে ধরেন। লুলা ব্যক্তিত্বের প্রভাব এবং সরকারি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।

শুক্রবার টিভি গ্লোবোর একটি বিতর্কে বলসোনারো একটি বড় কৌশলগত ভুল করেন। তিনি লুলাকে ১৭ বছর বয়সে কারখানা দুর্ঘটনায় আঙুল হারানোর বিষয়টি ইঙ্গিত করে ‘৯ আঙুলওয়ালা’ বলে সম্বোধন করেন। ওই মুহূর্তটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং লুলা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন যে বলসোনারো জীবনে কখনো কাজ করেননি, সেইসঙ্গে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

ভোটারদের আকৃষ্ট করতে লুলা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করেছিলেন। ছুটির দিনে গণপরিবহন ফ্রি করা থেকে শুরু করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী বছর এর ব্যয় ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। গণতান্ত্রিক বিশ্বে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে অসন্তুষ্ট ভোটারদের ক্ষোভ এবং সেই ক্ষোভকে উসকে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যালগরিদমের কারণে বর্তমান ক্ষমতাসীন নেতারা—বিশেষ করে মধ্য-বামপন্থী নেতারা—একের পর এক ক্ষমতাচ্যুত হচ্ছেন। লুলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভোটারদের জন্য নানা ধরনের প্রণোদনা বা উপহার ঘোষণা করেন—সপ্তাহের ছুটির দিনে বিনা মূল্যে গণপরিবহন থেকে শুরু করে তাঁর স্বাক্ষরসংবলিত সামাজিক কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পর্যন্ত। এমন একটি দেশে লুলা হবেন একজন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট, যেখানে রাজনীতির মূল স্রোত ডানপন্থার দিকে ঝুঁকেছে।

লুলার জয়ের আনন্দ থাকলেও, চতুর্থ মেয়াদের বাস্তবতা অত্যন্ত কঠিন।

প্রথম মেয়াদের প্রাথমিক সময় ছাড়া, অর্থাৎ যখন দুর্নীতির অভিযোগে সরকার সংকটে পড়েছিল, তার চেয়েও তিনি এখন রাজনৈতিকভাবে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছেন। তিন সপ্তাহ আগের কংগ্রেসি নির্বাচনে ডানপন্থী দলগুলো সিনেট ও নিম্নকক্ষ উভয় স্থানেই আধিপত্য ধরে রেখেছে, ফলে নতুন সরকারে অনেক ক্ষেত্রে তাদের কঠিন দর–কষাকষির মুখোমুখি হতে হবে। প্রথম মেয়াদের একটি সংক্ষিপ্ত সময় ছাড়া—যে সময়ে দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে তাঁর সরকার পতনের উপক্রম হয়েছিল—জানুয়ারিতে পুনরায় শপথ নেওয়ার সময় লুলা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকবেন।

আর্থিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন লুলা। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছর ব্রাজিলের ঋণ জিডিপির ৯৮ শতাংশে পৌঁছাবে, যা উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর গড় থেকে অনেক বেশি। পাশাপাশি বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৮ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বাস্তব সুদের হার প্রায় ১০ শতাংশে থাকায় ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও সাধারণ পরিবারগুলো ঋণের চাপে রয়েছে। এ ধরনের শিথিল আর্থিক নীতির ফলস্বরূপ বাস্তব সুদের হার প্রায় ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ভোক্তা ঋণে জর্জরিত পরিবারগুলোকে দমিয়ে রাখছে।

লুলা যদি সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ না নেন, তবে আর্থিক বাজারে আস্থার সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি যেভাবে বামপন্থী আদর্শের সঙ্গে চরম বাস্তবতাবাদের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, তা নতুন মেয়াদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর মূল শক্তি হতে পারে। ৮১ বছর বয়সে তাঁর পুরোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এখনো অটুট আছে কি না, তা-ই এখন দেখার বিষয়। এর স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে যে সরকারি ব্যয় ও ভোক্তা ঋণের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লুলার ফর্মুলাটি তার সীমায় পৌঁছে গেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।