ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

রাজতন্ত্রের অবসান চায় ব্রিটিশরা, লন্ডনে বিক্ষোভ সমাবেশ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের অবসান চায় দেশটির নাগরিকেরা। রাজতন্ত্রের অবসানে রীতিমতো স্বপ্ন দেখছেন তারা। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিরুদ্ধে তারা প্রায়ই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

শনিবার রাজপরিবারের ইতিহাসে অনন্য এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যুবরাজ প্রিন্স হ্যারি ও মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেল বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এ সময় একদিকে যেমন দেশটির অনেক নাগরিকের আবেগ-অনুভূতি রাজপরিবারের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল।

অন্যদিকে দেশটির বহু নাগরিকই তাদের দেশের রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব প্রকাশ করে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে ইউরোপের অন্য দেশগুলোর লোকও অংশ নেয়।

বিক্ষোভের মধ্যেই আয়োজন করে রাজকীয় বিয়েবিরোধী একটি অনুষ্ঠান। এএফপি জানায়, এদিনে পুরো যুক্তরাজ্যজুড়ে অভিজাত অভিজাত দেখে মাত্র ৬০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আরও কয়েক হাজার মানুষ আবেগের আতিশয্যে উইন্ডসর রাজপ্রাসাদের বাইরে দাঁড়িয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখে।

হ্যারি ও মেগানের বিয়েতে শুভেচ্ছা জানিয়ে ৬০ লক্ষাধিক টুইট করেছে। ধন্যবাদ জানিয়ে এত মানুষের ভালোবাসার জবাবও দিয়েছে রাজপরিবার। তবে এর বাইরে জনগণের টাকায় অতিশয় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় বেশ কিছু মানুষ।

আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবার লন্ডনের কেন্দ্রে অ্যালায়েন্স অব ইউরোপিয়ান রিপাবলিকানের ব্যানারে চারদিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান কনভেনশন নামে একটি সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রায় ১৩০ জন।

সমাবেশে স্পেন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। রাজতন্ত্রপন্থীদের তুলনায় সমাবেশের উপস্থিতি কম হলেও তার আবেগ-অনুভূতির শক্তি কোনো দিক দিয়েই কম নয়।

সমাবেশে উপস্থিত লন্ডনের অধিবাসী আইরিন পিনার বলেন, ‘ব্রিটিশ রাজতন্ত্র এলিট এলিট ভাব নিয়ে চলে। এটা কোনো দিক দিয়েই ঠিক নয়।’

তিনি বলেন, রাজপরিবার আমার-আপনার প্রতিনিধিত্ব করেন। এক সময় রানীর প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে শপথ নেয়া সাবেক ব্রিটিশ সেনা ডেভিড হার্স্ট বলেন, এটা আসলেই সেকেলে। এ দেশের মানুষ রানীকে দেখে ভিনগ্রহের প্রাণী হিসেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজতন্ত্রের অবসান চায় ব্রিটিশরা, লন্ডনে বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট সময় ১২:২৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের অবসান চায় দেশটির নাগরিকেরা। রাজতন্ত্রের অবসানে রীতিমতো স্বপ্ন দেখছেন তারা। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিরুদ্ধে তারা প্রায়ই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

শনিবার রাজপরিবারের ইতিহাসে অনন্য এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যুবরাজ প্রিন্স হ্যারি ও মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেল বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এ সময় একদিকে যেমন দেশটির অনেক নাগরিকের আবেগ-অনুভূতি রাজপরিবারের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল।

অন্যদিকে দেশটির বহু নাগরিকই তাদের দেশের রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব প্রকাশ করে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে ইউরোপের অন্য দেশগুলোর লোকও অংশ নেয়।

বিক্ষোভের মধ্যেই আয়োজন করে রাজকীয় বিয়েবিরোধী একটি অনুষ্ঠান। এএফপি জানায়, এদিনে পুরো যুক্তরাজ্যজুড়ে অভিজাত অভিজাত দেখে মাত্র ৬০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আরও কয়েক হাজার মানুষ আবেগের আতিশয্যে উইন্ডসর রাজপ্রাসাদের বাইরে দাঁড়িয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখে।

হ্যারি ও মেগানের বিয়েতে শুভেচ্ছা জানিয়ে ৬০ লক্ষাধিক টুইট করেছে। ধন্যবাদ জানিয়ে এত মানুষের ভালোবাসার জবাবও দিয়েছে রাজপরিবার। তবে এর বাইরে জনগণের টাকায় অতিশয় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় বেশ কিছু মানুষ।

আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবার লন্ডনের কেন্দ্রে অ্যালায়েন্স অব ইউরোপিয়ান রিপাবলিকানের ব্যানারে চারদিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান কনভেনশন নামে একটি সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রায় ১৩০ জন।

সমাবেশে স্পেন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। রাজতন্ত্রপন্থীদের তুলনায় সমাবেশের উপস্থিতি কম হলেও তার আবেগ-অনুভূতির শক্তি কোনো দিক দিয়েই কম নয়।

সমাবেশে উপস্থিত লন্ডনের অধিবাসী আইরিন পিনার বলেন, ‘ব্রিটিশ রাজতন্ত্র এলিট এলিট ভাব নিয়ে চলে। এটা কোনো দিক দিয়েই ঠিক নয়।’

তিনি বলেন, রাজপরিবার আমার-আপনার প্রতিনিধিত্ব করেন। এক সময় রানীর প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে শপথ নেয়া সাবেক ব্রিটিশ সেনা ডেভিড হার্স্ট বলেন, এটা আসলেই সেকেলে। এ দেশের মানুষ রানীকে দেখে ভিনগ্রহের প্রাণী হিসেবে।