ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

জাপান সফর শেষে আজ রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটে যাত্রা করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল জাপানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্যিক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে আরও ত্বরান্বিত করা।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও মজবুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। সফরের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, যা দুই দেশের ঐতিহাসিক মৈত্রী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিভিন্ন শিল্প খাতের মানোন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয়ে একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সমঝোতাগুলো ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রযুক্তিগত ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানামুখী সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার উন্নয়ন অংশীদারত্ব ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মূলত অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে জাপানের ভূমিকা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। সফরের একেবারে শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান এবং তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সব মিলিয়ে চার দিনের এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল করার জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

ের জবাব -: তাহসিফ সৌরির মৃত অবস্থায় পাওয়ার ঘটনায়

জাপান সফর শেষে আজ রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

চার দিনের সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটে যাত্রা করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল জাপানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্যিক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে আরও ত্বরান্বিত করা।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও মজবুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। সফরের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, যা দুই দেশের ঐতিহাসিক মৈত্রী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিভিন্ন শিল্প খাতের মানোন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয়ে একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সমঝোতাগুলো ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রযুক্তিগত ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানামুখী সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার উন্নয়ন অংশীদারত্ব ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মূলত অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে জাপানের ভূমিকা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। সফরের একেবারে শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান এবং তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সব মিলিয়ে চার দিনের এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল করার জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।