ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৫ দিনে ৮৯ লাখ টাকা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচি থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার ৩৫ দিন পর মাজারের এসব দানবাক্স খোলা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে টাকা গণনার কার্যক্রম শুরু হয়। মাজারের দানবাক্সে পাওয়া টাকা আগের মতোই ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে।

দানবাক্সে দেশি টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১৩ দশমিক ৫০ ওমানি রিয়াল, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২৯ মার্কিন ডলার এবং ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট। এ ছাড়া মালয়েশীয় রিঙ্গিত, থাই বাত, মালদ্বীপের রুফিয়া, হংকং ডলার, ব্রুনাই ডলার, নেপালি ও পাকিস্তানি রুপি, রুশ রুবল এবং শ্রীলঙ্কান রুপিও মিলেছে। দানবাক্সে কিছু চিঠিতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়াও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ১১ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুফিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি পাওয়া গেছে।

প্রাণী দানের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মোট সাতটি গরুর মধ্যে চারটি লঙ্গরখানায় এবং তিনটি খাদিমদের দেওয়া হয়। এছাড়া ৩১০টি ছাগলের মধ্যে ২১০টি লঙ্গরখানায় ও ২৭টি শিন্নি রান্নার জন্য জবাই করা হয়। বাকি ৪৮টি ছাগল খাদিমদের মাঝে বণ্টন করা হয়।

মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দানের টাকার ৩৫ শতাংশ উন্নয়নমূলক কাজে এবং ৬৫ শতাংশ মাজারের দৈনন্দিন ব্যয়, বিদ্যুৎ ও ইউটিলিটি বিল এবং আনসার সদস্যদের বেতনভাতা পরিশোধে ব্যবহৃত হবে।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজার ব্যবস্থাপনার জন্য ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও কম্পিউটার অপারেটর—এই তিন পদে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগ শেষ হতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। বর্তমানে মাসে একবার টাকা গণনা করা হলেও, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রতিদিন টাকা গণনার ব্যবস্থা করা হবে। টাকা বণ্টন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জাপান সফরের আগে একনেকের নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৫ দিনে ৮৯ লাখ টাকা

আপডেট সময় ১১:৩২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচি থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার ৩৫ দিন পর মাজারের এসব দানবাক্স খোলা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে টাকা গণনার কার্যক্রম শুরু হয়। মাজারের দানবাক্সে পাওয়া টাকা আগের মতোই ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে।

দানবাক্সে দেশি টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১৩ দশমিক ৫০ ওমানি রিয়াল, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২৯ মার্কিন ডলার এবং ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট। এ ছাড়া মালয়েশীয় রিঙ্গিত, থাই বাত, মালদ্বীপের রুফিয়া, হংকং ডলার, ব্রুনাই ডলার, নেপালি ও পাকিস্তানি রুপি, রুশ রুবল এবং শ্রীলঙ্কান রুপিও মিলেছে। দানবাক্সে কিছু চিঠিতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়াও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ১১ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুফিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি পাওয়া গেছে।

প্রাণী দানের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মোট সাতটি গরুর মধ্যে চারটি লঙ্গরখানায় এবং তিনটি খাদিমদের দেওয়া হয়। এছাড়া ৩১০টি ছাগলের মধ্যে ২১০টি লঙ্গরখানায় ও ২৭টি শিন্নি রান্নার জন্য জবাই করা হয়। বাকি ৪৮টি ছাগল খাদিমদের মাঝে বণ্টন করা হয়।

মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দানের টাকার ৩৫ শতাংশ উন্নয়নমূলক কাজে এবং ৬৫ শতাংশ মাজারের দৈনন্দিন ব্যয়, বিদ্যুৎ ও ইউটিলিটি বিল এবং আনসার সদস্যদের বেতনভাতা পরিশোধে ব্যবহৃত হবে।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজার ব্যবস্থাপনার জন্য ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও কম্পিউটার অপারেটর—এই তিন পদে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগ শেষ হতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। বর্তমানে মাসে একবার টাকা গণনা করা হলেও, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রতিদিন টাকা গণনার ব্যবস্থা করা হবে। টাকা বণ্টন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও তিনি জানান।