ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নাম-পরিচয় বদলেও শেষ রক্ষা হলো না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মানিককে যাবজ্জীবন সাজা দেন আদালত। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। রাজশাহীতে আত্মগোপনে চলে যান। সেখানে গিয়ে নিজের নাম মানিক থেকে রকিব উদ্দিন রাখেন। নতুন করে তৈরি করেন জাতীয় পরিচয়পত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এক যুগ পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মানিক।

শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান। র‌্যাব ৫ ও ১২ এর যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মানিককে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মানিক দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইলিয়াসুর রহমান বলেন, মানিক ২০০৯ সাল থেকে পলাতক। সে কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে রাজশাহী চলে যায়। সেখানে গিয়ে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছিল। এমনকি নিজের নাম পরিবর্তন করে রকিব উদ্দিন রাখে এবং ওই নামে জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুমারখালী হাতিরপুল রেলক্রসিংয়ে সশস্ত্র ব্যক্তিরা জামিল হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। পরে হত্যাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন জামিলের ভাই কয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম ওরফে স্বপন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ইব্রাহিম, হাবিল, শামীম, বাচ্চু, আজবাহার, জিয়া, ডাবলু, মানিক, শাহেদ, জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মামলা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নাম-পরিচয় বদলেও শেষ রক্ষা হলো না

আপডেট সময় ০২:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মানিককে যাবজ্জীবন সাজা দেন আদালত। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। রাজশাহীতে আত্মগোপনে চলে যান। সেখানে গিয়ে নিজের নাম মানিক থেকে রকিব উদ্দিন রাখেন। নতুন করে তৈরি করেন জাতীয় পরিচয়পত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এক যুগ পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মানিক।

শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান। র‌্যাব ৫ ও ১২ এর যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মানিককে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মানিক দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইলিয়াসুর রহমান বলেন, মানিক ২০০৯ সাল থেকে পলাতক। সে কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে রাজশাহী চলে যায়। সেখানে গিয়ে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছিল। এমনকি নিজের নাম পরিবর্তন করে রকিব উদ্দিন রাখে এবং ওই নামে জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুমারখালী হাতিরপুল রেলক্রসিংয়ে সশস্ত্র ব্যক্তিরা জামিল হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। পরে হত্যাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন জামিলের ভাই কয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম ওরফে স্বপন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ইব্রাহিম, হাবিল, শামীম, বাচ্চু, আজবাহার, জিয়া, ডাবলু, মানিক, শাহেদ, জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মামলা করেন।