ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

নাম-পরিচয় বদলেও শেষ রক্ষা হলো না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মানিককে যাবজ্জীবন সাজা দেন আদালত। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। রাজশাহীতে আত্মগোপনে চলে যান। সেখানে গিয়ে নিজের নাম মানিক থেকে রকিব উদ্দিন রাখেন। নতুন করে তৈরি করেন জাতীয় পরিচয়পত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এক যুগ পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মানিক।

শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান। র‌্যাব ৫ ও ১২ এর যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মানিককে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মানিক দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইলিয়াসুর রহমান বলেন, মানিক ২০০৯ সাল থেকে পলাতক। সে কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে রাজশাহী চলে যায়। সেখানে গিয়ে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছিল। এমনকি নিজের নাম পরিবর্তন করে রকিব উদ্দিন রাখে এবং ওই নামে জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুমারখালী হাতিরপুল রেলক্রসিংয়ে সশস্ত্র ব্যক্তিরা জামিল হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। পরে হত্যাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন জামিলের ভাই কয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম ওরফে স্বপন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ইব্রাহিম, হাবিল, শামীম, বাচ্চু, আজবাহার, জিয়া, ডাবলু, মানিক, শাহেদ, জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মামলা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

নাম-পরিচয় বদলেও শেষ রক্ষা হলো না

আপডেট সময় ০২:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মানিককে যাবজ্জীবন সাজা দেন আদালত। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। রাজশাহীতে আত্মগোপনে চলে যান। সেখানে গিয়ে নিজের নাম মানিক থেকে রকিব উদ্দিন রাখেন। নতুন করে তৈরি করেন জাতীয় পরিচয়পত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এক যুগ পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মানিক।

শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান। র‌্যাব ৫ ও ১২ এর যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মানিককে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হোসেন ওরফে বাচ্চু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মানিক দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইলিয়াসুর রহমান বলেন, মানিক ২০০৯ সাল থেকে পলাতক। সে কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে রাজশাহী চলে যায়। সেখানে গিয়ে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছিল। এমনকি নিজের নাম পরিবর্তন করে রকিব উদ্দিন রাখে এবং ওই নামে জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ জুলাই বিকেলে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুমারখালী হাতিরপুল রেলক্রসিংয়ে সশস্ত্র ব্যক্তিরা জামিল হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। পরে হত্যাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন জামিলের ভাই কয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম ওরফে স্বপন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ইব্রাহিম, হাবিল, শামীম, বাচ্চু, আজবাহার, জিয়া, ডাবলু, মানিক, শাহেদ, জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মামলা করেন।