ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা উচিত : চীন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যখন তালেবানের পুনরুত্থান হয়েছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে তখন চীনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হলো। পাশাপাশি আফগানিস্তানকে স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে ব্যবহারের কথা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেন, বেশি চাপ সৃষ্টি না করে বরং ইতিবাচক দিকে পরিচালিত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আফগানিস্তানকে উৎসাহী করে তোলা উচিত। এ ধরনের মনোভাব আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে বলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আফগান তালেবান গোষ্ঠী পুরো দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর তাদের শাসন পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশেষভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং তারা তালেবানের সম্ভাব্য উগ্র কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে জোরালো সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে- তারা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর চায় এবং দেশে পরিপূর্ণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভূ-‘রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে বরং দেশটির স্বাধীনতা এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখানো দরকার।

একই দিনে তালেবানের মুখপাত্র সোহেল শাহিন চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সিজিটিএন টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এশিয়ার ক্ষমতাধর রাষ্ট্র চীন অবদান রাখতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা উচিত : চীন

আপডেট সময় ১২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যখন তালেবানের পুনরুত্থান হয়েছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে তখন চীনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হলো। পাশাপাশি আফগানিস্তানকে স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে ব্যবহারের কথা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেন, বেশি চাপ সৃষ্টি না করে বরং ইতিবাচক দিকে পরিচালিত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আফগানিস্তানকে উৎসাহী করে তোলা উচিত। এ ধরনের মনোভাব আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে বলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আফগান তালেবান গোষ্ঠী পুরো দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর তাদের শাসন পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশেষভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং তারা তালেবানের সম্ভাব্য উগ্র কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে জোরালো সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে- তারা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর চায় এবং দেশে পরিপূর্ণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভূ-‘রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে বরং দেশটির স্বাধীনতা এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখানো দরকার।

একই দিনে তালেবানের মুখপাত্র সোহেল শাহিন চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সিজিটিএন টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এশিয়ার ক্ষমতাধর রাষ্ট্র চীন অবদান রাখতে পারে।