যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন হামলার জবাবে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই ঘোষণা দিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও হামলা করলে তেহরানের কোনো ‘রেড লাইন’ থাকবে না। প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইরানে যৌথ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে। এরই অংশ হিসেবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েলে গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে, বুধবার হরমুজ প্রণালিতে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই উত্তেজনার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে।
ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়বে। তবে সংঘাত এড়াতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সাপেক্ষে পারমাণবিক ইস্যু ও হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবও রেখেছে তেহরান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















