ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা উচিত : চীন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যখন তালেবানের পুনরুত্থান হয়েছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে তখন চীনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হলো। পাশাপাশি আফগানিস্তানকে স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে ব্যবহারের কথা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেন, বেশি চাপ সৃষ্টি না করে বরং ইতিবাচক দিকে পরিচালিত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আফগানিস্তানকে উৎসাহী করে তোলা উচিত। এ ধরনের মনোভাব আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে বলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আফগান তালেবান গোষ্ঠী পুরো দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর তাদের শাসন পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশেষভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং তারা তালেবানের সম্ভাব্য উগ্র কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে জোরালো সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে- তারা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর চায় এবং দেশে পরিপূর্ণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভূ-‘রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে বরং দেশটির স্বাধীনতা এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখানো দরকার।

একই দিনে তালেবানের মুখপাত্র সোহেল শাহিন চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সিজিটিএন টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এশিয়ার ক্ষমতাধর রাষ্ট্র চীন অবদান রাখতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা উচিত : চীন

আপডেট সময় ১২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফগানিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যখন তালেবানের পুনরুত্থান হয়েছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে তখন চীনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হলো। পাশাপাশি আফগানিস্তানকে স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে ব্যবহারের কথা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেন, বেশি চাপ সৃষ্টি না করে বরং ইতিবাচক দিকে পরিচালিত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আফগানিস্তানকে উৎসাহী করে তোলা উচিত। এ ধরনের মনোভাব আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে বলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আফগান তালেবান গোষ্ঠী পুরো দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর তাদের শাসন পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশেষভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং তারা তালেবানের সম্ভাব্য উগ্র কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে জোরালো সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে- তারা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর চায় এবং দেশে পরিপূর্ণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভূ-‘রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে বরং দেশটির স্বাধীনতা এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখানো দরকার।

একই দিনে তালেবানের মুখপাত্র সোহেল শাহিন চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সিজিটিএন টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এশিয়ার ক্ষমতাধর রাষ্ট্র চীন অবদান রাখতে পারে।