ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রায়হান হত্যা মামলায় কনস্টেবল হারুনের জামিন নামঞ্জুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় একজনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে রায়হান হত্যা মামলার আসামি পুলিশ কনস্টেবল হারুনুর রশিদের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আব্দুর রহিম জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন বলে আদালত সূত্র জানায়। শুনানিকালে হারুনকে আদালতে আনা হয়নি।

রায়হানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আদালতে পুলিশ কনস্টেবল হারুন জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। রায়হান হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি হারুন জড়িত ছিল। জামিন শুনানিকালে আমরা জামিনের বিরোধীতা করেছি। এ ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল কয়েকজন আদালতে পূর্বে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আমাদের বক্তব্য আদালত শুনার পর জামিন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আসামিদের জামিনের বিষয়ে খবর পেয়ে রায়হানের মা’সহ তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হন।

হারুনের জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, আদালত ন্যায় বিচার করেছেন জামিন না দিয়ে। আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি, ছেলে হারানো কত কষ্টকর তা একজন মা ভালো বলতে পারবেন। আমি ছেলে হত্যার যথাযথ বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে আজ পথে। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল হারুন গোপনে আদালতে জামিন নিতে চাচ্ছে। বিষয়টি আমি জানার পর পরই আদালতে ছুটে আসি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। আমার দাবি একটাই আমার ছেলে হত্যার বিচার।

জানা যায়, গতকাল ১১ জানুয়ারি রায়হান হত্যার তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। নগরীর আখালিয়ার নেহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে আসে। রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে স্বাভাবিক অবস্থায় রায়হানকে ফাঁড়িতে ধরে আনে পুলিশ। সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে রায়হানকে ফাঁড়ি থেকে বের করা হয়। ৬টা ৪০ মিনিটে ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ৭টা ৫০ মিনিটে মারা যায় রায়হান। ওই দিনই ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ দাফন করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রায়হান হত্যা মামলায় কনস্টেবল হারুনের জামিন নামঞ্জুর

আপডেট সময় ০৪:২১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় একজনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে রায়হান হত্যা মামলার আসামি পুলিশ কনস্টেবল হারুনুর রশিদের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আব্দুর রহিম জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন বলে আদালত সূত্র জানায়। শুনানিকালে হারুনকে আদালতে আনা হয়নি।

রায়হানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আদালতে পুলিশ কনস্টেবল হারুন জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। রায়হান হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি হারুন জড়িত ছিল। জামিন শুনানিকালে আমরা জামিনের বিরোধীতা করেছি। এ ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল কয়েকজন আদালতে পূর্বে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আমাদের বক্তব্য আদালত শুনার পর জামিন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আসামিদের জামিনের বিষয়ে খবর পেয়ে রায়হানের মা’সহ তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হন।

হারুনের জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, আদালত ন্যায় বিচার করেছেন জামিন না দিয়ে। আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি, ছেলে হারানো কত কষ্টকর তা একজন মা ভালো বলতে পারবেন। আমি ছেলে হত্যার যথাযথ বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে আজ পথে। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল হারুন গোপনে আদালতে জামিন নিতে চাচ্ছে। বিষয়টি আমি জানার পর পরই আদালতে ছুটে আসি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। আমার দাবি একটাই আমার ছেলে হত্যার বিচার।

জানা যায়, গতকাল ১১ জানুয়ারি রায়হান হত্যার তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। নগরীর আখালিয়ার নেহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে আসে। রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে স্বাভাবিক অবস্থায় রায়হানকে ফাঁড়িতে ধরে আনে পুলিশ। সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে রায়হানকে ফাঁড়ি থেকে বের করা হয়। ৬টা ৪০ মিনিটে ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ৭টা ৫০ মিনিটে মারা যায় রায়হান। ওই দিনই ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ দাফন করা হয়।