আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
করোনাভাইরাস ধ্বংস করতে দিনরাত এক করছেন গবেষকরা। পৃথিবীর মানুষকে বাচাতেই হবে। প্রতিদিন হাজার হাজার মারা যাচ্ছে করোনার ছোবলে। আক্রান্তের হার বাড়ছে হু হু করে। এমন সময় জীবন বাজি রেখে এগিয়ে এলেন সেই মানুষটি।
তিনি এলিসা গ্রানাটো। মানুষ ও মানবতা বাঁচাতে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই নারী। কোভিড ১৯ ভাইরাসের জিন থেকে তৈরি প্রতিষেধক প্রবেশ করানো হয়েছে এলিসার দেহে।
এই প্রতিষেধক তাঁর দেহে এন্টিবডি তৈরি করার পর, আবার করোনা ভাইরাস প্রবেশ করানো হবে এলিসার দেহে। দেখা হবে, এই প্রতিষেধক মানব দেহে কার্যকর কিনা। ভ্যাকসিন কাজ না করলে তার মৃত্যুও হতে পারে।
এ ধরনের পরীক্ষা সাধারণত গিনিপিগ বা অন্য কোনো প্রাণীর উপর করা হয়। এতে যে সময় ব্যায় হবে, তাতে দেরি হবে অনেক।
ভয়ংকর এই ভাইরাসে মারা যেতে পারে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাই, সরাসরি মৃত্যু ঝুঁকি থাকা সত্বেও নিজ দেহে এই প্রতিষেধক সেচ্ছায় পরীক্ষা করাচ্ছেন এলিসা গ্রানাটো।
কোনো দিন দেখা বা চেনা হবেনা তবুও মানুষের জন্য তিনি নিয়েছেল এই ঝুঁকি। কারণ মানব সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখতে এই ঝুঁকি নিয়েছেন তিনি।
তাঁর মতো আরো ৮০০ জন এরকম ঝুঁকি নিবেন মানব সভ্যতাকে করোনা নামক অদৃশ্য শত্রুর হাত থেকে রক্ষার জন্যে।
এই মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এরকম অনেক বীরের নাম আমরা কোনো দিনই হয়তে জানব না। তবুও যেনো মনে রাখি তাঁদের এই আত্মত্যাগে আমরা মানব জাতি করোনার ছোবল থেকে বেঁচে গেছি।
মানুষ মানুষের জন্য এই চেতনায় অনেকে কাজ করে বলে আমরা এখনো দিন বদলের স্বপ্ন দেখি, বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখি।
জয় হোক মানবতার। জয় হোক এলিসা গ্রানাটোর।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























