ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ সুপারমুনের সঙ্গে দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

এই সপ্তাহান্তে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য থাকছে এক দারুণ দৃশ্য। একদিকে বছরের শেষ সুপারমুন বিভার মুন এবং অন্যদিকে আকাশে দেখা মিলবে চমকপ্রদ লিওনিড উল্কাবৃষ্টির। এটা আকাশকে আলোকিত করবে।

আমেরিকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, আগামী শুক্রবার বিকাল ৪টা ২৯ মিনিট (ইউএস ইস্টার্ন টাইম) বা রাত ৯টা ২৯ মিনিট (জিএমটি) সময়ে বিভার মুন তার পূর্ণতার চূড়ায় পৌঁছাবে এবং সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত এটি আকাশে দৃশ্যমান থাকবে।

২০২৪ সালের এটি চতুর্থ এবং শেষ সুপারমুন যার ফলে চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে আকারে বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। এই সময় চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। চাঁদের এমন বিশালাকার প্রদর্শনকে ‘মুন ইলিউশন’ বলা হয়, যা চোখের ভ্রম বলে মনে করা হয়। এটি চাঁদের আকার বা দূরত্বে কোনো পরিবর্তন ঘটায় না।

বিভার মুনের নামকরণ এই সময়কে কেন্দ্র করে, যখন বীভাররা শীতের প্রস্তুতি নিতে থাকে। এর পাশাপাশি শনিবার লিওনিড উল্কাবৃষ্টিও চরমে পৌঁছাবে। এই উল্কাবৃষ্টি রাতের আকাশে ঝরনাধারার মতো উল্কার ঝলকানি তৈরি করবে এবং বিভার মুনের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শেষ সুপারমুনের সঙ্গে দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির

আপডেট সময় ১০:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

এই সপ্তাহান্তে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য থাকছে এক দারুণ দৃশ্য। একদিকে বছরের শেষ সুপারমুন বিভার মুন এবং অন্যদিকে আকাশে দেখা মিলবে চমকপ্রদ লিওনিড উল্কাবৃষ্টির। এটা আকাশকে আলোকিত করবে।

আমেরিকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, আগামী শুক্রবার বিকাল ৪টা ২৯ মিনিট (ইউএস ইস্টার্ন টাইম) বা রাত ৯টা ২৯ মিনিট (জিএমটি) সময়ে বিভার মুন তার পূর্ণতার চূড়ায় পৌঁছাবে এবং সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত এটি আকাশে দৃশ্যমান থাকবে।

২০২৪ সালের এটি চতুর্থ এবং শেষ সুপারমুন যার ফলে চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে আকারে বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। এই সময় চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। চাঁদের এমন বিশালাকার প্রদর্শনকে ‘মুন ইলিউশন’ বলা হয়, যা চোখের ভ্রম বলে মনে করা হয়। এটি চাঁদের আকার বা দূরত্বে কোনো পরিবর্তন ঘটায় না।

বিভার মুনের নামকরণ এই সময়কে কেন্দ্র করে, যখন বীভাররা শীতের প্রস্তুতি নিতে থাকে। এর পাশাপাশি শনিবার লিওনিড উল্কাবৃষ্টিও চরমে পৌঁছাবে। এই উল্কাবৃষ্টি রাতের আকাশে ঝরনাধারার মতো উল্কার ঝলকানি তৈরি করবে এবং বিভার মুনের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলবে।