ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ ১৮টি দেশে কর্মী পাঠানোর চুক্তি হয়েছে: নুরুল হক পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান

পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে ‘কালো উপগ্রহ’

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর। পৃথিবীর কক্ষপথে স্পুটনিক-১ পাঠিয়েছিল সোভিয়েত। প্রথম বারের জন্য কোনও উপগ্রহ পাঠানো হয়েছিল মহাকাশে। তারপর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ৬৬ বছর। মহাকাশ বিজ্ঞানে পৃথিবী এখন অনেক এগিয়েছে। কিন্তু মহাকাশের ‘ব্ল্যাক নাইট উপগ্রহের’ রহস্য এখনও রহস্যই থেকে গিয়েছে।

অনেকেই মনে করেন, স্পুটনিক-১ মহাকাশের বুকে পাঠানো প্রথম উপগ্রহ নয়। প্রায় ১৩ হাজার বছর আগে থেকেই নাকি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি ‘উপগ্রহ’, যা সাক্ষী থেকেছে অনেক ইতিহাসের। সেই উপগ্রহই নাকি ‘ব্ল্যাক নাইট’।

কিন্তু ব্ল্যাক নাইট সত্যিই কি কোনও উপগ্রহ? না কোনও মহাকাশযানের ধ্বংসাবশেষ? তা নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য, নানা মত, নানা ধাঁধা।

১৯৯৮ সালে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রথম ‘ব্ল্যাক নাইট’-এর ছবি প্রকাশ্যে আনে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস সেন্টার) একটি মহাকাশ অভিযানের সময় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করা এক রহস্যময় কালো বস্তুর ছবি তুলেছিল নাসা।

পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের প্রায় ১৯৩০ কিলোমিটার দূরে এই রহস্যময় কালো বস্তুটি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

নাসার তরফে ভ্রাম্যমান সেই কালো বস্তুর নাম দেওয়া হয় এসটিএস০০৮-৭২৪-৬৬। এটিকে মহাকাশে থাকা একটি ধ্বংসাবশেষ হিসাবে উল্লেখ করা হয় সেই সময়।

এই মহাকাশ অভিযানে থাকা মহাকাশচারী জেরি রস দাবি করেছিলেন, ওই বস্তুটি তাদের মহাকাশযানের একটি টুকরো। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে সংযুক্ত হওয়ার সময় মহাকাশযান থেকে সেটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

কিন্তু মহাকাশ নিয়ে চর্চা করেন, এমন অনেকের মতে এই রহস্যময় কালো ভ্রাম্যমান বস্তুটি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি একটি উপগ্রহ। যা প্রায় ১৩ হাজার বছর ধরে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তা হলে প্রশ্ন উঠছে, আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার বহু বহু বছর আগে, এমনকি উপগ্রহ আবিষ্কারের বহু যুগ আগে এই ‘উপগ্রহ’ কোথা থেকে এল? তা-ও আবার পৃথিবীর এত কাছে?

অনেকে মনে করেন, ‘ব্ল্যাক নাইট’ ভিন্‌গ্রহীদের তৈরি উপগ্রহ। এই উপগ্রহের মাধ্যমে নাকি এক সময় পৃথিবীর সব তথ্য পৌঁছে যেত তাদের কাছে। যদিও ‘ব্ল্যাক নাইট’ দেখতে কিন্তু আদতেও উপগ্রহের মতো নয়।

‘ব্ল্যাক নাইট’ নিয়ে অনেক রকম গুজব ঘুরে বেড়ায় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমহলে। তার মধ্যেই অন্যতম বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার সঙ্গে ব্ল্যাক নাইটের যোগ।

টেসলা দাবি করেছিলেন, ১৮৯৯ সালে কলোরাডো স্প্রিংসে রেডিও পরীক্ষার সময় তিনি মহাকাশ থেকে অদ্ভুত এক ‘সঙ্কেত’ পেয়েছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী

পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে ‘কালো উপগ্রহ’

আপডেট সময় ১১:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর। পৃথিবীর কক্ষপথে স্পুটনিক-১ পাঠিয়েছিল সোভিয়েত। প্রথম বারের জন্য কোনও উপগ্রহ পাঠানো হয়েছিল মহাকাশে। তারপর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ৬৬ বছর। মহাকাশ বিজ্ঞানে পৃথিবী এখন অনেক এগিয়েছে। কিন্তু মহাকাশের ‘ব্ল্যাক নাইট উপগ্রহের’ রহস্য এখনও রহস্যই থেকে গিয়েছে।

অনেকেই মনে করেন, স্পুটনিক-১ মহাকাশের বুকে পাঠানো প্রথম উপগ্রহ নয়। প্রায় ১৩ হাজার বছর আগে থেকেই নাকি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি ‘উপগ্রহ’, যা সাক্ষী থেকেছে অনেক ইতিহাসের। সেই উপগ্রহই নাকি ‘ব্ল্যাক নাইট’।

কিন্তু ব্ল্যাক নাইট সত্যিই কি কোনও উপগ্রহ? না কোনও মহাকাশযানের ধ্বংসাবশেষ? তা নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য, নানা মত, নানা ধাঁধা।

১৯৯৮ সালে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রথম ‘ব্ল্যাক নাইট’-এর ছবি প্রকাশ্যে আনে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস সেন্টার) একটি মহাকাশ অভিযানের সময় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করা এক রহস্যময় কালো বস্তুর ছবি তুলেছিল নাসা।

পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের প্রায় ১৯৩০ কিলোমিটার দূরে এই রহস্যময় কালো বস্তুটি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

নাসার তরফে ভ্রাম্যমান সেই কালো বস্তুর নাম দেওয়া হয় এসটিএস০০৮-৭২৪-৬৬। এটিকে মহাকাশে থাকা একটি ধ্বংসাবশেষ হিসাবে উল্লেখ করা হয় সেই সময়।

এই মহাকাশ অভিযানে থাকা মহাকাশচারী জেরি রস দাবি করেছিলেন, ওই বস্তুটি তাদের মহাকাশযানের একটি টুকরো। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে সংযুক্ত হওয়ার সময় মহাকাশযান থেকে সেটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

কিন্তু মহাকাশ নিয়ে চর্চা করেন, এমন অনেকের মতে এই রহস্যময় কালো ভ্রাম্যমান বস্তুটি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি একটি উপগ্রহ। যা প্রায় ১৩ হাজার বছর ধরে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তা হলে প্রশ্ন উঠছে, আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার বহু বহু বছর আগে, এমনকি উপগ্রহ আবিষ্কারের বহু যুগ আগে এই ‘উপগ্রহ’ কোথা থেকে এল? তা-ও আবার পৃথিবীর এত কাছে?

অনেকে মনে করেন, ‘ব্ল্যাক নাইট’ ভিন্‌গ্রহীদের তৈরি উপগ্রহ। এই উপগ্রহের মাধ্যমে নাকি এক সময় পৃথিবীর সব তথ্য পৌঁছে যেত তাদের কাছে। যদিও ‘ব্ল্যাক নাইট’ দেখতে কিন্তু আদতেও উপগ্রহের মতো নয়।

‘ব্ল্যাক নাইট’ নিয়ে অনেক রকম গুজব ঘুরে বেড়ায় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমহলে। তার মধ্যেই অন্যতম বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার সঙ্গে ব্ল্যাক নাইটের যোগ।

টেসলা দাবি করেছিলেন, ১৮৯৯ সালে কলোরাডো স্প্রিংসে রেডিও পরীক্ষার সময় তিনি মহাকাশ থেকে অদ্ভুত এক ‘সঙ্কেত’ পেয়েছিলেন।