ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অমানবিক: সিসিএস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোভিড-১৯ এর পরিপ্রেক্ষিতে দরিদ্র ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রমের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি অমানবিক ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)।

একইসঙ্গে দেশের এমন সঙ্কটকালে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সংস্থাটি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংস্থাটির সিনিয়র আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার জয়ন্ত্র কৃষ্ণ জয় স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে সিসিএসের নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে, অসহায় ও অভুক্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে বহু মানুষ নিত্যপণ্য কেনার এ সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন। বিষয়টি অমানবিক ও মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণে বাধা দেয়ার শামিল। এমন অপতৎপরতা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার সমতুল্য। কতিপয় সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অজুহাত পেলেই রাষ্ট্র ও মানুষকে জিম্মি করার এ অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণকারীরা আইনের ঊর্ধ্বে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের একাধিক আইন রয়েছে। সিন্ডিকেটের কারসাজিকারীরাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ দেখা যায় না। ফলে তারা রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অনৈতিক মুনাফা অর্জন অব্যাহত রাখে। করোনার মতো দুর্যোগের সময়ে যারা অনৈতিকভাবে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

আসছে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে এখনি সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়ে পলাশ মাহমুদ বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য যেন লাগাম ছাড়া না হয়ে যায় সেজন্য এখনই ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে যারা মূল্য বাড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে অন্যরাও এ অনৈতিকতায় উৎসাহিত হতে পারে এবং রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এবং রমজানকে সামনে রেখে ব্যবসায়ী সংগঠন, ভোক্তা সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষগুলোকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। বিগত সময়ের মতো এবার বাজার লাগাম ছাড়া হলে রমজানে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই কালক্ষেপণ না করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অমানবিক: সিসিএস

আপডেট সময় ০৮:১১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোভিড-১৯ এর পরিপ্রেক্ষিতে দরিদ্র ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রমের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি অমানবিক ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)।

একইসঙ্গে দেশের এমন সঙ্কটকালে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সংস্থাটি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংস্থাটির সিনিয়র আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার জয়ন্ত্র কৃষ্ণ জয় স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে সিসিএসের নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে, অসহায় ও অভুক্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে বহু মানুষ নিত্যপণ্য কেনার এ সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন। বিষয়টি অমানবিক ও মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণে বাধা দেয়ার শামিল। এমন অপতৎপরতা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার সমতুল্য। কতিপয় সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অজুহাত পেলেই রাষ্ট্র ও মানুষকে জিম্মি করার এ অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণকারীরা আইনের ঊর্ধ্বে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের একাধিক আইন রয়েছে। সিন্ডিকেটের কারসাজিকারীরাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ দেখা যায় না। ফলে তারা রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অনৈতিক মুনাফা অর্জন অব্যাহত রাখে। করোনার মতো দুর্যোগের সময়ে যারা অনৈতিকভাবে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

আসছে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে এখনি সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়ে পলাশ মাহমুদ বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য যেন লাগাম ছাড়া না হয়ে যায় সেজন্য এখনই ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে যারা মূল্য বাড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে অন্যরাও এ অনৈতিকতায় উৎসাহিত হতে পারে এবং রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এবং রমজানকে সামনে রেখে ব্যবসায়ী সংগঠন, ভোক্তা সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষগুলোকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। বিগত সময়ের মতো এবার বাজার লাগাম ছাড়া হলে রমজানে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই কালক্ষেপণ না করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানাই।