ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চরম তাপদাহে ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির (এমআইটি) বিজ্ঞানীরা তাই বলছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই তিন দেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবগুলো দেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।

সম্প্রতি থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে এমআইটির অধ্যাপক এলফাতিহ এলতাসির বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান কৃষি অঞ্চল গঙ্গা ও ইন্দু নদীর তীরবর্তী অঞ্চল মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগামী কয়েক যুগের মধ্যে। ফলে এসব অঞ্চলে ফসল উৎপাদনও কমে যাবে মারাত্মক হারে।

সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনযায়ী, ২০১৫ সালে গরমের কারণে ভারত উপমহাদেশে প্রায় ৩৫০০ মানুষ মারা গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় ২ শতাংশ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু ২১০০ সাল পর্যন্ত এ হার বেড়ে দাঁড়াবে ৭০ শতাংশ।

২১০০ সাল নাগাদ উপসাগরীয় অঞ্চল হবে বিশ্বের সবচেয়ে গরম অঞ্চল। তবে তাদের জন্য আশার কথা হলো, তারা তেলসম্পদের কারণে ধনী। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ প্রথমতঃ গরম এবং দ্বিতীয় ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় অন্য নিজের ঘর ছেড়ে দূরে কোথাও অর্থাৎ অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হবে।

প্রতিবেদনটিতে জরুরি ভিত্তিতে চরম এ দুর্যোগের বিপরীতে উপায়ের খোঁজ চাওয়া হয়েছে। যাতে এ অঞ্চলকে এত দ্রুত গরম হয়ে ওঠার হাত থেকে রক্ষা করা যায়। যাতে আরও কিছু সময় বাড়ানো যায় শীতল আবহাওয়া বজায় রাখার ক্ষেত্রে।

গত মাসে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ বিশেষজ্ঞের একটি দল পাকিস্তানে মিলিত হয়েছিল এ ব্যাপারে একটি সমাধান খোঁজার জন্য। ভারতের আহমেদাবাদ ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যা চরম তাপদাহের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সতর্কতামূলক পদ্ধতি।

তাপদাহ থেকে বাঁচার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার কিছু নগরকে চিহ্নিত করা হয়েছে যা তাপদাহের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলোতে গ্রীষ্মকালে জনবহুল ভবন, শপিং মল এবং উপাসনালয়ে শীতলীকরণ পদ্ধতি চালু করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান

আপডেট সময় ০১:১৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চরম তাপদাহে ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির (এমআইটি) বিজ্ঞানীরা তাই বলছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই তিন দেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবগুলো দেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।

সম্প্রতি থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে এমআইটির অধ্যাপক এলফাতিহ এলতাসির বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান কৃষি অঞ্চল গঙ্গা ও ইন্দু নদীর তীরবর্তী অঞ্চল মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগামী কয়েক যুগের মধ্যে। ফলে এসব অঞ্চলে ফসল উৎপাদনও কমে যাবে মারাত্মক হারে।

সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনযায়ী, ২০১৫ সালে গরমের কারণে ভারত উপমহাদেশে প্রায় ৩৫০০ মানুষ মারা গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় ২ শতাংশ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু ২১০০ সাল পর্যন্ত এ হার বেড়ে দাঁড়াবে ৭০ শতাংশ।

২১০০ সাল নাগাদ উপসাগরীয় অঞ্চল হবে বিশ্বের সবচেয়ে গরম অঞ্চল। তবে তাদের জন্য আশার কথা হলো, তারা তেলসম্পদের কারণে ধনী। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ প্রথমতঃ গরম এবং দ্বিতীয় ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় অন্য নিজের ঘর ছেড়ে দূরে কোথাও অর্থাৎ অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হবে।

প্রতিবেদনটিতে জরুরি ভিত্তিতে চরম এ দুর্যোগের বিপরীতে উপায়ের খোঁজ চাওয়া হয়েছে। যাতে এ অঞ্চলকে এত দ্রুত গরম হয়ে ওঠার হাত থেকে রক্ষা করা যায়। যাতে আরও কিছু সময় বাড়ানো যায় শীতল আবহাওয়া বজায় রাখার ক্ষেত্রে।

গত মাসে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ বিশেষজ্ঞের একটি দল পাকিস্তানে মিলিত হয়েছিল এ ব্যাপারে একটি সমাধান খোঁজার জন্য। ভারতের আহমেদাবাদ ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যা চরম তাপদাহের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সতর্কতামূলক পদ্ধতি।

তাপদাহ থেকে বাঁচার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার কিছু নগরকে চিহ্নিত করা হয়েছে যা তাপদাহের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলোতে গ্রীষ্মকালে জনবহুল ভবন, শপিং মল এবং উপাসনালয়ে শীতলীকরণ পদ্ধতি চালু করা হবে।