ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

টি-ব্যাগ শরীরের জন্য ক্ষতিকর!

অাকাশ হেলথ ডেস্ক:

চা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। কাজে, অবসরে, গল্পে বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা জমাতে চা আমাদের চাই চাই। আর তাই দ্রুত আড্ডা জমাতে আমরা আলসেমি করে চাপাতি না ফুটিয়ে বরং টি-ব্যাগ ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে থাকি।

কিন্তু আপনি জানেন কি টি-ব্যাগ সবসময় অস্বাস্থ্যকর?
বিশেষজ্ঞদের মতে, টি-ব্যাগে যে উপকরণগুলি ব্যবহার করা হয় সেগুলো অনেক ক্ষেত্রেই শরীরের জন্য ভালো নয়। আপনার নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন গরম পানিতে টি-ব্যাগ ডোবানো মাত্রই বুদ বুদের মতো কিছু একটা চায়ে ভাসতে শুরু করে। কারণ টি ব্যাগ বানানোর সময় এপিকোরোহাইডিন নামে একটি কার্সিনোজেন উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা গরম পানির সংস্পর্শে আসা মাত্র বুদ বুদ তৈরি করতে থাকে।

কার্সিনোজেন উপাদানটি একেবারেই শরীরের জন্য ভালো নয় কারণ দেহে এমন উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া টি-ব্যাগ আর কি কি কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর:
বাজারে যেসব টি-ব্যাগ পাওয়া যায়, তার বেশিরভাগই নাইলন অথবা পিভিসি দিয়ে তৈরি হয়। এই উপাদানগুলি গরম পানির সঙ্গে মেশা মাত্র বিরূপ প্রক্রিয়া হতে শুরু করে। ফলে এমন চা পানে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে।

সব থেকে ভয়ের বিষয় হল খালি চোখে চায়ের এই পরিবর্তন দেখা একেবারেই সম্ভব নয়। চায়ের ফ্লেভার বাড়াতে অনেক ক্ষেত্রেই টি-ব্যাগে নানাবিধ প্রস্টিসাইড ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কাগজ দিয়ে টি-ব্যাগ বানানোর সময় এপিকোরোহাইডিন নামে একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি শরীরে বেশি মাত্রায় প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমে যায়। ফলে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

এপিকোরোহাইডিন বন্ধত্বের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ানোর পিছনেও দায়ী থাকে। থার্মোপ্লাস্টিক, নাইলন, পলিপ্রোফাইলিন এবং প্লাস্টিকের মতো উপাদান কিন্তু একেবারেই শরীরের পক্ষে ভালো নয়। আর এমন জিনিস দিয়ে বানানো টি-ব্যাগ ব্যবহার করলে দেহের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

যাদের চা পানের নেশা রয়েছে তারা স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বিকল্প কিছু না খুঁজে একটু কষ্ট করে চা ফুটিয়ে পানের চেষ্টা করুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ক্ষমতাসীন দলকে ‘স্যাডিস্ট ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র

টি-ব্যাগ শরীরের জন্য ক্ষতিকর!

আপডেট সময় ০২:৫২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ হেলথ ডেস্ক:

চা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। কাজে, অবসরে, গল্পে বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা জমাতে চা আমাদের চাই চাই। আর তাই দ্রুত আড্ডা জমাতে আমরা আলসেমি করে চাপাতি না ফুটিয়ে বরং টি-ব্যাগ ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে থাকি।

কিন্তু আপনি জানেন কি টি-ব্যাগ সবসময় অস্বাস্থ্যকর?
বিশেষজ্ঞদের মতে, টি-ব্যাগে যে উপকরণগুলি ব্যবহার করা হয় সেগুলো অনেক ক্ষেত্রেই শরীরের জন্য ভালো নয়। আপনার নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন গরম পানিতে টি-ব্যাগ ডোবানো মাত্রই বুদ বুদের মতো কিছু একটা চায়ে ভাসতে শুরু করে। কারণ টি ব্যাগ বানানোর সময় এপিকোরোহাইডিন নামে একটি কার্সিনোজেন উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা গরম পানির সংস্পর্শে আসা মাত্র বুদ বুদ তৈরি করতে থাকে।

কার্সিনোজেন উপাদানটি একেবারেই শরীরের জন্য ভালো নয় কারণ দেহে এমন উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া টি-ব্যাগ আর কি কি কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর:
বাজারে যেসব টি-ব্যাগ পাওয়া যায়, তার বেশিরভাগই নাইলন অথবা পিভিসি দিয়ে তৈরি হয়। এই উপাদানগুলি গরম পানির সঙ্গে মেশা মাত্র বিরূপ প্রক্রিয়া হতে শুরু করে। ফলে এমন চা পানে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে।

সব থেকে ভয়ের বিষয় হল খালি চোখে চায়ের এই পরিবর্তন দেখা একেবারেই সম্ভব নয়। চায়ের ফ্লেভার বাড়াতে অনেক ক্ষেত্রেই টি-ব্যাগে নানাবিধ প্রস্টিসাইড ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কাগজ দিয়ে টি-ব্যাগ বানানোর সময় এপিকোরোহাইডিন নামে একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি শরীরে বেশি মাত্রায় প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমে যায়। ফলে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

এপিকোরোহাইডিন বন্ধত্বের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ানোর পিছনেও দায়ী থাকে। থার্মোপ্লাস্টিক, নাইলন, পলিপ্রোফাইলিন এবং প্লাস্টিকের মতো উপাদান কিন্তু একেবারেই শরীরের পক্ষে ভালো নয়। আর এমন জিনিস দিয়ে বানানো টি-ব্যাগ ব্যবহার করলে দেহের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

যাদের চা পানের নেশা রয়েছে তারা স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বিকল্প কিছু না খুঁজে একটু কষ্ট করে চা ফুটিয়ে পানের চেষ্টা করুন।