ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা যেন প্রচারে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকে সামনে রেখে এই সুবিধা চাইছে সরকারি দল।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ সব কথা বলেন কাদের।

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রচার, এমনকি ভোটার না হলে এলাকায় থাকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে।

এমন বিধানকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন না কাদের। বলেন, ‘সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও এমপিরা কেন পারবে না?’

‘এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তাদেরকে অনুরোধ করব এই বিধানটি নিয়ে আবার ভাবতে।’

‘গাজীপুর-খুলনায় সেনা মোতায়েনে আইনি সমস্যা’

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিরোধিতাও করেন কাদের। তার দাবি, এতে আইনি সমস্যা আছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই চাইলেই সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন সময়ে মোতায়েন করতে পারবে না।’

সকালে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটকে সামনে রেখে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগেও স্থানীয় সরকারে আলোচিত সব নির্বাচনেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা নাচক করে। এবার রিজভী দাবি তোলার একদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সেনা মোতায়েনের দাবি নাচক করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা (নির্বাচন কমিশন) সরকারকে শুধু অনুরোধ করতে পারবে। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন মনে করলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে। এ বিষয়ে সংবিধানে সব কিছু বলা আছে। কেউ চাইলেও সংবিধানের বাইরে যেতে পারবে না।’

কোনো ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও তারা শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেয়া হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়।’

খালেদাকে সুস্থ মনে হয়েছে

৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাসিমুখের চেহারা দেখে তাকে সুস্থ বলেই মনে হয়েছে ওবায়দুল কাদেরের কাছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘জাতি দেখেছে তিনি (খালেদা জিয়া) কতোটুকু অসুস্থ। আমার তো মনে হয় তিনি জেলে যাওয়ার আগে যতোটুকু সুস্থ ছিলেন, জেলে যাওয়ার পর আরো বেশি হাস্যোজ্জল ও সুস্থ মনে হয়েছে। তিনি সুস্থ থাকুক আমরা চাই।’

‘বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন সময় একেক রকম বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছিলেন। তাকে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে ছুটে যায়। তাদের এ কাজ জাতীয় সম্মানের জন্য মোটেই শুভ নয়।’

‘যদি আপনাদের নালিশ থেকেই থাকে জনগণের কাছে করুন।’

উপ-কমিটির সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, প্রলয় সমদ্দার, কান্তি দাশ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়: কাদের

আপডেট সময় ১০:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা যেন প্রচারে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকে সামনে রেখে এই সুবিধা চাইছে সরকারি দল।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ সব কথা বলেন কাদের।

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রচার, এমনকি ভোটার না হলে এলাকায় থাকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে।

এমন বিধানকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন না কাদের। বলেন, ‘সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও এমপিরা কেন পারবে না?’

‘এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তাদেরকে অনুরোধ করব এই বিধানটি নিয়ে আবার ভাবতে।’

‘গাজীপুর-খুলনায় সেনা মোতায়েনে আইনি সমস্যা’

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিরোধিতাও করেন কাদের। তার দাবি, এতে আইনি সমস্যা আছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই চাইলেই সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন সময়ে মোতায়েন করতে পারবে না।’

সকালে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটকে সামনে রেখে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগেও স্থানীয় সরকারে আলোচিত সব নির্বাচনেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা নাচক করে। এবার রিজভী দাবি তোলার একদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সেনা মোতায়েনের দাবি নাচক করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা (নির্বাচন কমিশন) সরকারকে শুধু অনুরোধ করতে পারবে। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন মনে করলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে। এ বিষয়ে সংবিধানে সব কিছু বলা আছে। কেউ চাইলেও সংবিধানের বাইরে যেতে পারবে না।’

কোনো ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও তারা শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেয়া হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়।’

খালেদাকে সুস্থ মনে হয়েছে

৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাসিমুখের চেহারা দেখে তাকে সুস্থ বলেই মনে হয়েছে ওবায়দুল কাদেরের কাছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘জাতি দেখেছে তিনি (খালেদা জিয়া) কতোটুকু অসুস্থ। আমার তো মনে হয় তিনি জেলে যাওয়ার আগে যতোটুকু সুস্থ ছিলেন, জেলে যাওয়ার পর আরো বেশি হাস্যোজ্জল ও সুস্থ মনে হয়েছে। তিনি সুস্থ থাকুক আমরা চাই।’

‘বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন সময় একেক রকম বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছিলেন। তাকে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে ছুটে যায়। তাদের এ কাজ জাতীয় সম্মানের জন্য মোটেই শুভ নয়।’

‘যদি আপনাদের নালিশ থেকেই থাকে জনগণের কাছে করুন।’

উপ-কমিটির সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, প্রলয় সমদ্দার, কান্তি দাশ প্রমুখ।